• বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক নুরুল হক ফনি মাস্টার এর মৃত্যু। নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক নুরুল হক ফনি মাস্টারের মৃত্যু। নাচোল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০জনের মনোনায়নপত্র জমা। নাচোল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান পদে ৩.ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জনের মনোনয়ন পত্র জমা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বিল্লাল হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন “ঢাকাস্থ নাচোল উপজেলা সমিতির নাচোলে ঈদ পুনর্মিলনী” ঢাকাস্থ নাচোল সমিতির সভাপতিকে সংবর্ধনা গোমস্তাপুরে বাংলা নববর্ষ পালন শিবগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট ও পুরস্কার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী

গলাচিপায় তিন নারীর অসহায়ত্ব জীবন যাপন

Reporter Name / ২৩৩ Time View
Update : সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১

সঞ্জিব দাস,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় উপজেলা মানবেতার জীবনযাপন করছেন ৩টি পরিবার তারা হচ্ছেন এলিজা বেগম(৩৩), স্বামী- মৃত- কাসেম চকিদার, করুনা রানী (৪৫), স্বামী- মৃত- নিখিল চন্দ্র শীল, ইয়ানুর বেগম (৩৬), স্বামী- সোবাহান মীর অস্বচ্ছল পরিবারে জীবন যাপন করছেন। এরা সকলে গোলখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা। এলিজা বেগম জানান, স্বামীর মৃত্যুর পরে একটি কন্য সন্তান নিয়ে জীবন যুদ্ধে নেমেছি। আমার মেয়ের বয়স ১৬ বছর আমি রাস্তার কাজ করে জীবন চালাচ্ছি, নেই জায়গা নেই ঘর যাযাবর জীবন নিয়ে নলুয়াবাগী গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডে পরে আছি। করুনা রানী জানান, স্বামীর মৃত্যুর পরে একটি পুত্র সন্তান নিয়ে গোলখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আমার বাইয়ের বাড়িতে পড়ে আছি। নেই কোন জায়গা জমি, নেই কোন ঘর বাড়ি, যে বাড়ি যাই সেই বাড়ি আমার। ইয়ানুর বেগম জানান, আমার স্বামী সোবাহান ডিপ টিউবয়েল বসানোর কাজ করত গত ৮ বছর আগে হঠাৎ উপর থেকে পরে গিয়ে মেরুদন্ডে গুরুতর আঘাত রাগে বাংলাদেশের অনেক হাসপাতালে চিকিৎসা করে সুস্থ করে বাড়িতে রাখি। আমি ৩ সন্তানের জননী আমি একটি ইট ভাটায় দিনমজুরের কাজ করি। আমার টাকায় কোন রকম সংসার চালাচ্ছি। আমার পক্ষে কোনদিন টাকা দিয়ে ঘর তুলতে পারব না। এরা সকলে আরও বলেন, আমরা শুনেছি অসহায় ও গরীবের জন্য প্রধানমন্ত্রী মুজিব শতবর্ষে স্থানীয় সাংসদ সদস্যের মাধ্যমে গৃহহীন মানুষকে একটি করে বসত ঘর দিচ্ছেন। আমাদেরকেও যদি একটি ঘর দেওয়া হয় তাহলে আমাদের সন্তান নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারতাম। স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির মির বলেন, করুনা রানী পরিবার অত্যন্ত গরীব ও অসহায়। একটি সরকারী ঘর হলে তাদের দূর্দশা দূর হবে। তাই এই ঘরটি দেয়ার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে তিনি বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানান। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নলুয়াবাগী গ্রামের ইউপি সদস্য মোঃ মনজু ঢালী বলেন, আসলেই এলিজা বেগমের স্বামী মৃত্যুর পরে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে সরকারী ভাবে এলিজা বেগমের একটি ঘর দরকার। তিনি আরও বলেন, ইয়ানুর বেগম দিন মজুরের কাজ করে স্বামী বর্তমানে অচল অবস্থায় পড়ে আছে তারও একটি ঘর দরকার। গোলখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, এই পরিবারগুলো আমার নির্বাচনী এলাকার তারা অত্যন্ত গরীব তাদের একটি বসত ঘরের খুবই প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন,ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে হত দরিদ্রদের জন্য ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মু. শাহীন শাহ বলেন, মুজিব শতবর্ষে হতদরিদ্রদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উপহার হিসেবে গলাচিপা উপজেলায় শত শত ঘর এসেছে এ ঘর হতদরিদ্ররাই পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category




error: Content is protected !!
error: Content is protected !!