• শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ৫টি চোরাই বৈদ্যুতিক মিটারসহ গ্রেপ্তার-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃসোলায়মান (বিশু)সম্পাদক একরামুল হক(পিন্টু) চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক ২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত, সড়ক অবরোধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ ১ ব্যক্তি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত ভালোবাসা ঠিক নয় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাচোলে আওয়ামীলীগের বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত নাচোল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত। সাংবাদিক কল্যাণ তহবিলের ত্রি-বার্ষিকী কমিটি গঠন সভাপতি আসাদুল্লাহ, সম্পাদক শাকিল সাংবাদিক কল্যাণ তহবিলের কমিটি গঠন, সভাপতি আসাদুল্লাহ, সম্পাদক শাকিল ৭দশক পর নাচোলে ইলামিত্র সংগ্রহশালার উদ্বোধণ

ঘাটাইলে ফসলি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে ইটভাটা

Reporter Name / ২৪০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ঘাটাইলে ফসলি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে ইটভাটা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দো—ফসলি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে স্থানীয় ইটভাটাগুলো। এতে করে দিন দিন কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমান। ব্যাহত হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আবাদি জমিতে ভেক্যু বসিয়ে
মাটি কেটে নেয়া হচ্ছে ইটভাটাগুলোতে। মাটি ভর্তি ট্রাক অবাধ চলাচলের কারণে একদিকে নষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ সড়ক। অপরদিকে ধুলোবালিতে পরিবেশ বিপর্যস্ত হয়ে সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট সহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

প্রশাসনের তদারকি না থাকায় বেপরোয়া হয়ে পড়ছে এসব মাটি ব্যবসায়িরা। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সাধুর গলগন্ডা গ্রামের মিন্টু, বসুবাড়ী গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন, বীরচারী চান্দে পাড়া গ্রামের সুমন,মনির, তেলে গলগন্ডা গ্রামের সুমন মিয়া, দেওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার খোরশেদ আলম খসরু, শোলাকী পাড়া গ্রামের কদ্দুছ, তালতলা গ্রামের আঃ রহিম, গারো বাজার গ্রামের আলামিন সহ প্রায় অর্ধশতাধিক মাটি ব্যবসায়ী
উপজেলার বিভিন্ন দো-ফসলি জমিতে অবৈধ ভাবে ভেক্যু বসিয়ে দেদারছে মাটি সরবরাহ করছে ইটভাটায়। ফলে প্রতিনিয়ত আবাদি জমির পরিমান কমে যাচ্ছে, ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। মাটি ব্যবসায়ীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

এ ব্যাপারে তেলে গলগন্ডা গ্রামের সুমন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই মাটির ব্যবসা করে থাকি। দিঘলকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন মিয়া রাস্তাঘাটের বেহাল দশার বিষয়ে

জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ রাস্তাটি আমি চেয়ারম্যান থাকাকালিন সময়ে করেছিলাম। রাস্তাঘাট নষ্টের ব্যাপারে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। গলগন্ডা গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, দো—ফসলি জমির মাটি কাটায় এবং গাড়ি চলাচলের কারণে রাস্তাঘাটে সঠিকভাবে চলাচল করতে পারিনা। নামাযের সময় মসজিদে মুসুল্লিদের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটায় এ মাটিবাহী গাড়ি।
ধলাপাড়া গ্রামের শফিক উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ এ মাটি ব্যবসায়িরা পাহাড় কেটে ইটভাটাগুলোতে মাটি বিক্রি করে আসছে। এলাকায় কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয়।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ—পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, দো-ফসলি জমিতে মাটি কাটতে জেলা প্রশাসকের অনুমতি লাগবে। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত যারা মাটি কাটে তারা অবৈধ। পরবতীর্তে
ইটভাটাগুলোতে মোবাইল কোর্টের পাশাপাশি মাটি কাটার বিষয়টি নজর দেয়া হবে। ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তদন্ত সাপেক্ষে মাটি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া
হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category




error: Content is protected !!
error: Content is protected !!