
সোহানুল হক পারভেজ রাজশাহী: আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক ধারায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রতি আহবান জানিয়েছেন তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক দুই দুই বারের পাঁচন্দর ইউপির সফল চেয়ারম্যান ও দুই দুই বারের সাবেক মুন্ডুমালা পৌরসভার সফল মেয়র, শতবর্ষী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান গোলাম রাব্বানী।
তিনি আরো বলেন, চলমান করোনা সংকটে অসহায়, দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ালেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি সঠিক সম্মান প্রদর্শন এবং তার আত্মা শান্তি পাবে।
আজ রোববার (১৫ ই আগস্ট)সকাল ১১টার দিকে তানোর পৌরসভা ক্যাম্পাসে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও
জাতীয় শোক দিবসে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল এসব কথা বলেন তিনি।
তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীর সভাপতিত্বে ও তানোর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন খান।এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবর উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃআজিজ,তানোর পৌরসভার মেয়র ও তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল হক,মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র ও মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান,জেলা পরিষদ সদস্য আঃসালাম,তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল সরকার পাপুল,তানোর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি জাইদুর রহমান,সাধারন সম্পাদক আরব আলী,কাঁমারগা ইউপি চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন, পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক দ্বিজেন কর্মকার,তানোর উপজেলা আওয়ামীলীগের নির্বাহী সদস্য মুনীরুজ্জামান,তালন্দ ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলাম,সরনজাই ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সাদাৎ,তানোর পৌর যুবলীগের সভাপতি রাজিব সরকার হিরো,সাধারন সম্পাদক ওহাব সরদার প্রমুখ।
এ সময় তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল ১৫ ই আগস্ট।
নির্মমতার দিক থেকে এমন রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের নজির পৃথিবীতে আর নেই। তিনি আরো বলেন, জগতে অন্যান্য হত্যাকাণ্ডে নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়নি। টার্গেট করা হয়নি অবলা নারীকে, অন্তঃসত্ত্বা নারীকে।সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুই নন, তার সহধর্মিণী মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম মুজিবসহ নৃশংসভাবে নিহত হন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
এই নৃশিংতম হত্যাকান্ডের কুশীলব ছিল তাদের অপমৃত্যু হয়েছে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনি, ক্ষমা করবে না।