
বাগমারা প্রতিনিধিঃ
তথ্য অধিকার আইন মানেন না রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মমিন। জানাযায়, চলতি অর্থবছরের ২২শে আগষ্ট সরকারী বিধি মোতাবেক তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর বিধিমালা বিধি ৩এর আলোকে নিয়ম অনুযায়ী তথ্য ফরমে বাগমারা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের উপ সহকারী প্রকৌশলী বরাবর বর্তমান সরকারের উন্নয়ণ মূলক কর্মকান্ডের তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয় কিন্তু তথ্য চাওয়ার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও আইনের কোন তোয়াক্কা করছেন না তিনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঠিকাদার জানান, প্রকৌশলী সাহেব চান না সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজের বিষয়ে সাধারণ মানুষ জানুক। আর তিনি যদি তথ্য দেন তাহলে,বর্তমান সরকার উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য যে বরাদ্দ দিয়েছে তা যে সঠিক ভাবে ব্যবহার হচ্ছে না সেটা উর্ধতন কর্মকর্তারা জেনে যাবেন।
তথ্য না দেওয়ার বিষয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মমিনের নিকট জানতে চাওয়া হলে বরা বরের ন্যায় জানান, সমস্ত তথ্য কম্পিউটারে সেভ করা আছে। যেকোন মূহুর্তে প্রিন্ট করে দিয়ে দেয়া যাবে।
পাঁচ মাস পেরিয়ে যাবার পরও তথ্য না দেওয়ার কারন জানতে একাধিকবার রাজশাহী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রোকনুজ্জামানের অফিসের ল্যান্ড নাম্বার সহ মুঠোফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি কিন্তু উক্ত এই দপ্তরের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস এম শামীম আহম্মেদ বলেন, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তথ্য অধিকার আইনে তথ্য দিতে বাধ্য কিন্তু কেন এতোদিনেও তথ্য দেয়া হয়নি বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন,তথ্য চাওয়ার পরও যদি কোন দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী তথ্য না দেন, তাহলে মনে করবেন কাজে কোন অনিয়ম হয়েছে। তাদেরকে অবশ্যই নিয়ম মোতাবেক তথ্য দিতে বাধ্য করবেন আর তাতেও যদি না পান তাহলে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করার কথা বলেন।