
পঞ্চগড় থেকে ঢাকাগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেসে নাটোর যাচ্ছিল একটি পরিবার। পথিমধ্যে নওগাঁর আত্রাইয়ের আহসানগঞ্জ স্টেশনে তারা নেমে পড়ে নাটোর ষ্টেশন মনে করে। ভুল বুঝতে পেরে তারা আবার ট্রেনে উঠে পড়েন। কিন্তু তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে শিশুটি ওঠার আগেই ট্রেন চলতে শুরু করে। কিংকর্তব্যবিমূঢ় পরিবারটি বুঝতে পারছিল না কি করবে।
পরিবারটির এমন অসহায় অবস্থা দেখে একজন তরুণি সহযাত্রী ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ ফোন করেন ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বুধবার। তিনি জানান পরিবারটি নিম্নবিত্ত এবং অসহায়, আহসানগঞ্জ স্টেশনে ফেলে আসা শিশুটিকে উদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি ৯৯৯ এর কাছে অনুরোধ জানান।
৯৯৯ কলটেকার কনষ্টেবল রুবিনা আক্তার কলটি রিসিভ করেছিলেন। কনষ্টেবল রুবিনা তাৎক্ষণিকভাবে নওগাঁর আত্রাই থানায় বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানায়। ৯৯৯ ডিস্পাচার এস আই রবিউল ইসলাম সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং কলারের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে পুলিশী তৎপরতার আপডেট নিতে থাকেন।
সংবাদ পেয়ে আত্রাই থানা পুলিশের একটি দল অবিলম্বে ঘটনাস্থলে যায় এবং সুরাইয়া খাতুন (৮), পিতা- জাহিদুল
ইসলাম, আখানগর, ঠাকুরগাঁও’ কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে শিশুটির অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে, নাটোর থেকে শিশুটির একজন অভিভাবক আহমেদ বখতিয়ার আত্রাই থানায় গেলে তার জিম্মায় শিশুটিকে বুঝিয়ে দেয়া হয়।
আত্রাই থানার উদ্ধারকারী দলের এস আই শাম মোহাম্মদ ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন।