নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সিএ (কনফিডেন্সিয়াল অ্যাসিস্টেন্ট) উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি সহ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নাচোলে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন রবিউল।
জানাগেছে,গত ২০২৪-২৫অর্থ বছরে রাজস্ব তহবিলের আওতায় উপজেলার ফতেপুর ইউপির আলিশাপুর দাখিল মাদ্রাসা সংস্কারে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।পিআইসি কমিটির মাধ্যমে উক্ত কাজ করার কথা থাকলেও রবিউল ইসলাম ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিজেই উক্ত কাজ দায়সারাভাবে করে বেশির ভাগ অর্থ লোপাট করেছেন।
কমিটির সভাপতি ফতেপুর ইউপির সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ইশমাত আরা বলেন, আলিশাপুর দাখিল মাদ্রাসা সংস্কারে পিআইসি প্রকল্পের সভাপতি আমাকে করা হয়েছে,অথচ সে প্রকল্প সম্পর্কে আমি অবগত নয়।কাজ আদৌ হয়েছে কিনা তা আমি বলতে পারবো না।
এদিকে রবিবার সকালে মাদ্রাসায় সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে নিম্নমানের ৫/৬বান্ডিল ডেউটিন দিয়ে অর্থাৎ ৩০থেকে ৪০ হাজার টাকার কাজ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
অপরদিকে,ইলামিত্র সংগ্রহশালা সংস্কারে ২০০৫-২৬অর্থবছরে এডিপি থেকে ২লক্ষ ৫০হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।চলতি মাসে ইলামিত্র সংগ্রহশালার নামমাত্র ৫০হাজার টাকার রং করণ কাজ করেই রবিউল ইসলাম ১ লক্ষ ২০হাজার টাকা আত্মসাত করেন।ইউএনওর নাম ব্যবহার করে পিআইসির মাধ্যমে উক্ত কাজ দায়সারাভাবে করে অর্থ লোপাট করেছেন রবিউল এমনটাই দাবি নাম না প্রকাশে এক প্রকৌশলীর।
এবিষয়ে নাচোল ইউএনওর সিএ রবিউল ইসলাম বলেন,এসব কাজ পিআইসির মাধ্যমে করা হয়েছে, আমি তদারকি করেছি।তবে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তিনি জড়িত নয় বলে জানান।
এবিষয়ে নাচোল ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. সুলতানা রাজিয়া বলেন,অভিযোগ গুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।