
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। তিনি বলেন, “যারা আগে দিনে একবার তেল নিতেন, এখন তারাই পাম্পে গিয়ে ৪-৫ বার তেল নিচ্ছেন। মূলত সংকটের ভয়ে অপ্রয়োজনীয় মজুদ করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।”
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি ডিজেল ব্যবহৃত হয়। এ কারণে কৃষকদের কথা বিবেচনায় রেখে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজুড়েই এর প্রভাব পড়েছে। এর ফলে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে।”
তিনি দাবি করেন, “বিশ্বে একমাত্র বিএনপি সরকারই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেনি। সরকার সবসময় চেষ্টা করছে যাতে কৃষকসহ সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের সংকটে না পড়ে। তবে আমাদেরও সাশ্রয়ী হতে হবে, নাহলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে।”
এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নগরকান্দা উপজেলা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি), নগরকান্দা উপজেলা ভূমি অফিস, সালথা সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সালথা উপজেলা ভূমি অফিস এবং সালথা বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত একটি পাটের গুদাম পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. মাহমুদুল হাসান, সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাসার আজাদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।