
শেখ জোবায়ের আল জামান, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার বাকাল,আলিপুর হাটখোলা–কালীগঞ্জ সড়কে চলছে নির্মাণকাজ, আর সেই কাজই এখন পরিণত হয়েছে জনদুর্ভোগের এক নির্মম প্রতিচ্ছবিতে। এক পাশে ঢালাইয়ের কাজ চললেও অন্য পাশজুড়ে তৈরি হয়েছে বিশাল বিশাল গর্ত যেন মৃত্যু ফাঁদ! প্রতিদিন এই সড়কে আটকে পড়ছে শত শত বাস, মিনিবাস, ট্রাক, মাহেন্দ্র, ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও সিএনজি। ঢাকা গামী পরিবহনগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকছে, আর যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছে।
বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা পড়ছেন সীমাহীন কষ্টে। স্কুলগামী বাচ্চারা সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না, রোগী বহনকারী যানবাহনও আটকে যাচ্ছে একই দুর্ভোগে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর যে, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সবচেয়ে ক্ষোভের বিষয় এত ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেও সংশ্লিষ্ট সড়ক বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারের চরম উদাসীনতা! সামান্য কিছু আধলা ইট বা খোয়া ফেললেই রাস্তা অস্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব, কিন্তু সেই ন্যূনতম উদ্যোগটুকুও নিচ্ছে না ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। যেন সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ তাদের কাছে কোনো বিষয়ই নয়!
স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে গর্ত ভরাট করে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে হবে, না হলে যে কোনো সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
এভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে জনদুর্ভোগের কারখানায় পরিণত করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি নইলে জনরোষ যে কোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে।
এবং যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে এজন্য সচেতন ব্যক্তিবর্গ দ্রুত কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।