প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
আমি মোঃ মইন ইউ আহমেদ দেলোয়ার, পিতা- মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাং-খেসবা লাইনপাড়া, ডাকঘর ও উপজেলা নাচোল, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। নাচোলে গত ২১ জুন রবিবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকালের বার্তা পত্রিকায় “এহসানুল করিমের বাড়িতে টিন কেটে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামার লুট শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সেটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে, নাচোল উপজেলার লাইন পাড়া গ্রামে এহসানুল করিমের বাড়িতে সঙ্ঘবদ্ধ পরিকল্পিত চুরির ঘটনা ঘটেছে। যা আদৌ সত্য নয়। মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও বানোয়াট। আমি এই সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমার স্ত্রী হাসনারা বেগমকে গত ৩০/০৩/২৬ইং তারিখে আবার প্রতিবেশী তাহিরুল এর ছেলে এহসান (২৫) ও তার শশুর দুরুল, নজরুলের ছেলে আজিজ ও শাজাহানসহ আরো ৪/৫ জন আমার স্ত্রীকে অকথ্যা ভাষা গালিগালাজ করে ও তেড়ে মারতে আসে। আমি হইহুল্লোর চিৎকার শুনে বাড়ি উঠানে বের হলে দেখি তারা অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। আমার স্ত্রী, আমি ও আমার পরিবারের আত্মরক্ষার জন্য বাড়ির ভেতর প্রবেশ করি এবং জরুরি সেবা কল সেন্টার ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাদের উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আমি বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। তারা আদালতে উপস্থিত হয়ে এজাতীয় কর্মকাণ্ড ঘটাবে না বলে বিজ্ঞ আদালতে মুচলেকা দিয়ে রেহাই পায়। ১৭জুন তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার সময় এহসান, আজিজসহ অন্যান্যরা আমাদের খড়ের পালায় আগুন দেই। তাতে আমাদের ধানের খড় ও গমের খড় পুড়ে ছায় হয়ে যায়। সেই সাথে ৬টি আমের গাছ পুড়ে যায় ও ২টি ঝলসে যায়। নাচোল থানায় এবিষয়ে ঘটনার দিনই একটি অভিযোগ দায়ের করি। উক্ত বিবাদীরা মামলার হাত থেকে রেহাই পাবার জন্য তারা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে অর্থ, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র লুট বিষয়ে একটি প্রতিবেদন অখ্যাত মিডিয়া সকালের বার্তায় মনগড়া উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে আমাকে ও আমার পরিবার ফাঁসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। আমি এই মিথ্যা সংবাদ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিক পরিচয় আব্দুল আজিজ প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির প্রতিষ্ঠানের নিকট চাঁদা দাবী করার অভিযোগ রয়েছে। আজিজ দৈনিক খবরের কাগজ পত্রিকার সংবাদ পরিবেশনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা আদায় করে আসছে বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিগত ফ্যাসিস সরকার নেতাদের সাথে আতাত করে বিভিন্ন জঘন্য কাজের লিপ্ত রয়েছে এবং চাঁদা দাবির মতো অপরাধে লিপ্ত রয়েছে। ব্যক্তি জীবনে তিনি নারী কেলেংকারী এর সাথে জড়িত থাকার অপরাধে অর্থদণ্ড প্রদানের নজির রয়েছে। আজিজ তার ভাগ্নে এহসানকে দিয়ে কিশোর গ্যাং গঠন করে জুয়ার কারবার সচল রেখেছে। সেই সাথে মব সৃষ্টি করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মারধর ও থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির করার অভিযোগ রয়েছে। সংবাদের একাংশে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ও ১ভরি অলংকার কাসার থালা কলসসহ বিভিন্ন মালামাল চুরির বিষয়টি লিখা রয়েছে যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। ঘটনার দিন আমি সারাদিন কাজের তাগিদে বাইরে ছিলাম। আমার বাবা ও মাকে মারধর করে ও টাকা ছিনতাই করে। পরে আমার বাবা মাকে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা করায়। আমার বাবা-মা নিরীহ ধর্মপ্রাণ মানুষ এলাকাবাসী তা জানে। আজিজের হুকুমে তার ভাগ্নে এহসানসহ তার নিয়ন্ত্রিত কিশোর গ্যাংটি আমার বাবাকে ঐদিন প্রচন্ড মারধর করে লীলা ফোলা জখম করে। যা স্থানীয় ও প্রত্যক্ষ দর্শীরা দেখেছো ও জানে। ওই ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে যা সত্য নাই। আমি ঘটনা দিন ঘটনার সময় আমার এলাকায় উপস্থিত ছিলাম না। আমি এই প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আজিজ, এহসানসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্ত করে পুলিশ প্রশাসনের নিকট বিচারের জোর দাবি করছি।
প্রতিবাদকারী
মোঃ মইন ইউ আহমেদ দেলোয়ার।