আজ বুধবার, ১৫ Jul ২০২০, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে কেশবপুরে ভোটগ্রহণ, বিপুল ভোটে বিজয়ী শাহীন চাকলাদার «» করোনা চলাকালীন সময়ে করোনা প্রতিরোধকারী সফল মহা যোদ্ধার নাম ড. হাসান মাহমুদ এমপি মহোদয় «» কর্ণফুলী জুট মিলে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক কে খাদ্যসামগ্রী দিলেন তথ্যমন্ত্রী «» নতুন অভিযাত্রায় তথ্য মন্ত্রণালয়, নেপথ্যে ড. হাছান মাহমুদ «» সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি’র সাথে বৌদ্ধ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ «» মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতির ঘোষণা স্থগিত «» কৃষিক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য পুরষ্কৃত হলেন গোমস্তাপুরের সফল মধু চাষী মনিরুল «» চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মরদানায় বোমাবাজি, এলাকায় আতঙ্ক
Smiley face

আইনি জটিলতায় আটকে যাচ্ছে সিটি নির্বাচন?

নির্বাচন কমিশন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু একাধিক সূত্র বলছে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতায় আটকে যেতে পারে সিটি নির্বাচন।

বিশেষ করে ৩টি আইনগত প্রশ্নে সিটি নির্বাচন আটকে যেতে পারে। এর মধ্যে প্রথমত; যে নতুন ওয়ার্ডগুলো গঠিত হয়েছিল সেই নতুন ওয়ার্ডগুলোতে আতিকুল ইসলাম যখন মেয়র নির্বাচিত হয় সেই মেয়র নির্বাচনের সময় ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নির্বাচন হয়েছিল। সেই কাউন্সিলরদের মেয়াদ কতদিন হবে? যদিও বলা হচ্ছে আইনে এর ব্যাখ্যা দেওয়াই আছে। সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ যতদিন পর্যন্ত থাকবে ততদিনই তারা কাউন্সিলর হিসেবে থাকেবে। কিন্তু কিছু কিছু আইনজীবি বলছে, এই ওয়ার্ডটা যেহেতু নতুন গঠিত হয়েছে কাজেই এদের মেয়াদ ৫ বছরই থাকা উচিত। এনিয়ে একটা আইনি জটিলতা রয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

দ্বিতীয়ত; ভোটার তালিকায় অনেকের নাম অন্তর্ভূক্ত নেই। কিছু কিছু ওয়ার্ড অন্তর্ভূক্ত হলে ভোটাররা এখনো সিটি কর্পোরেশনের আওতায় ভোট দিতে পারবে কিনা শঙ্কা রয়েছে।

সর্বশেষ হলো যে, কিছু ওয়ার্ড একীভূত হলেও সেই ওয়ার্ডের কিছু অংশ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে একীভূত হয়নি। যার ফলে সেখানে কিছু আইনগত জটিলতা হয়েছে।

একাধিক সূত্র বলছে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের যে তফসিল নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করছে, সেই তফসিলের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আগামী রবিবার বা সোমবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হতে পারে। এরপরেই সিটি নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। তবে বলা হচ্ছে, সরকার এবং বিরোধী দল উভয়ই সিটি নির্বাচনে আগ্রহী। কিন্তু আইনি জটিলতায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচন আটকে যায় কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

Print Friendly, PDF & Email
error: Content is protected !!