
জুরিখ ও বাসেলে সহিংসতায় গাড়ি ও নগর অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত, ব্যাহত গণপরিবহন
সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেল শহরে অনুমতি ছাড়া আয়োজিত বিক্ষোভ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া আতশবাজি, পাথর ও বোতলের জবাবে পুলিশ জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করেছে। দুই শহরের ঘটনায় গাড়ি, ট্রামস্টপসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাসেলে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে গণপরিবহন চলাচল।
পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, জুরিখে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেশি হয়েছে শহরের সরু সড়কগুলোতে। এ সময় কয়েকটি বাড়ির জানালা ও ট্রামস্টপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জুইংলিশট্রাসে এলাকায় একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা কী কারণে কর্মসূচি পালন করেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের হাতে কোনো ব্যানার বা প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়নি। রাত দেড়টার দিকে জুরিখের বিক্ষোভ শেষ হয়। তবে এতে মোট কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।
অন্যদিকে শনিবার রাতে বাসেল শহরের কেন্দ্রস্থলে প্রায় ১৫০ জনের একটি দল বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় সাময়িকভাবে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়।
শহর পুলিশের লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, অনুমতি ছাড়া আয়োজিত বিক্ষোভটি একপর্যায়ে সহিংস হয়ে ওঠে। রাত ৯টার দিকে ক্লারাপ্লাৎস এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। সেখানে বক্তব্য দেওয়ার পর অংশগ্রহণকারীরা মিছিল বের করেন।
পরে সেন্ট জোহান্সপ্লাৎস এলাকায় বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড তৈরি করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। পুলিশি হস্তক্ষেপের পর দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ জানায়, এরপর বিক্ষোভকারীরা সেন্ট জোহান্স পার্কের দিকে চলে যান। মিছিলের পুরো পথজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জুরিখ ও বাসেল—দুই শহরের ঘটনাতেই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়। তবে বিক্ষোভের কারণ এবং মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি