আজ সোমবার, ০১ Jun ২০২০, ১২:২৭ অপরাহ্ন
Smiley face

সোনামসজিদে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য পাচারঃ

নিজস্ব প্রতিবেদক,চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পানামা ইয়ার্ডের ভেতর দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য পাচারের সময় আটকালো কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২ মাস আগে ভারত থেকে ২টি চালানে প্রায় ৫৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা মূল্যের সাইকেলের পার্টস আমদানি করে মেসার্স বি.এইচ টেড্রিং অ্যান্ড কো., আরামবাগ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এ পণ্যটি ছাড় করানোর জন্য গত ২৩ মার্চ কাগজপত্র দাখিল করেন আমিন ট্রেড এজেন্সি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে পণ্য ছাড়ে বিলম্ব হয়।কিন্তু গত ১৮ মে সকাল সাড়ে ১১ টার সময় উক্ত আমদানীকৃত পন্যের প্রায় ৩২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা রাজস্ব ফাঁিক দিয়ে পাচার হবার সময় সোনামসজিদে দায়িত্বরত কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী কমিশনার সুনন্দন দাস, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শাহজাহান ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহমুদ আল হোসাইন খান ওই পণ্য আটকে দেন।
এ বিষয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী কমিশনার সুনন্দন দাস জানান, পণ্যগুলো রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছিল। তাই সেগুলো আটকে দেয়া হয়। পরে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহমুদ আল হোসাইন খান বাদী হয়ে ২টি বিভাগীয় মামলা দায়ের করেন। আটকে রাখা সাইকেলের পার্টসগুলি পানামা পোর্ট লিংক লি. এর কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি মহপরিচালক শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্দ অধিদফতর এবং সহকারী পরিচালক কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরকে অবহিত করা হয়েছে। আটকে রাখা পণ্যের ব্যাপারে পানামা পোর্ট লিংক লি. এর ডেপুটি ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, প্রায় ২ মাস আগে ভারত থেকে সাইকেলের পার্টসগুলি পানামা ইয়ার্ডের ভেতরে রাখা হয়। সেগুলি যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে ছাড় করোনের ব্যবস্থা করা হয় গত ১৮ মে। এ পরীক্ষার সময় কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের ২ জন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কিছু পণ্য ট্রাকে লোড হবার পর অজ্ঞাত কারণে পণ্যগুলি আটকে দেয় গোয়েন্দা বিভাগ। পরে পুনরায় সেগুলো গুদামে রাখা হয়।এ পণ্যের বি/ই দাখিল করি আমীন ট্রেড এজেন্সীর মালিক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রুহুল আমীন জানান, পরীক্ষা ও শুল্কায়ন করার পর সোনালী ব্যাংক সোনা মসজিদ শাখায় জমা দেয়ার পরই পণ্য ছাড় হয়েছিল। এদিকে আমদানীকারক মেসার্স বি. এইচ টেড্রিং অ্যান্ড কো. এর মালিক বাবুল হাসনাত দুরুল জানান, বৈধভাবে আমদানীকৃত পণ্য ১৮ মে রাজস্ব পরিশোধ করেই পণ্য ছাড় করা হয়েছিল। কিন্তু গোয়েন্দা বিভাগ সন্দেহজনকভাবে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ তুলে পণ্য আটকে দেয়।তিনি বিভাগীয় কাস্টমস এর কাছে বিষয়টিতদন্তসাপেক্ষে জরুরি ভিত্তিতে পণ্যগুলো ছাড় করানোর দাবি জানান।
মোঃকামাল হোসেন
২৩.০৫.২০

Print Friendly, PDF & Email
error: Content is protected !!