পাঁকা ইউপি উপনির্বাচন নিয়ে অপপ্রচারে কান না দেয়ার আহ্বান নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের

প্রকাশিত: ৬:৪০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২০

গত ১০ অক্টোবর শনিবার দিনব্যাপী সুষ্ঠ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন। এতে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে বিপুল সংখ্যক জনসমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ নেতা ও সতন্ত্র প্রার্থী মো. জালাল উদ্দীন। উপ-নির্বাচনে তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩২৮০ ভোট পেয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২৭১০ ভোট। এছাড়াও আরেক সতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকে ১৮৭০ ভোট ও আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ১৩৯৪ ভোট পেয়েছেন। তবে ভোটের পর হতেই নির্বাচনে পরাজিত হয়ে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা অপপ্রচার নিয়ে ব্যস্ত একটি কুচক্রী মহল। জনগণের প্রতি এসব মিথ্যা গুজব, অপপ্রচারে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পাঁকা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দীন। তিনি জানান, জনগণ যেই প্রার্থীকে যোগ্য মনে করেছেন, তাকেই ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনটি সম্পূর্ণভাবে জনগণের প্রত্যক্ষ রায়। এখানে জনগণ আমাকে যোগ্য ও সঠিক মনে করেছেন, তাই দলমত নির্বিশেষে ভোট দিয়েছেন। ভোটে পরাজিত হয়ে অর্থ দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার মিথ্যা অভিযোগ করছেন। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এনিয়ে নানা রকম মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে আমাকে।
তিনি আরো বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তারপরও দলীয় নেতৃবৃন্দ আমাকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে আমি সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়। এতে জনগণের রায়ে বিপুল পরিমান জনসমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতিতে জনগণ র্নিদ্বিধায় ও কোন প্রকার প্রভাবমুক্ত থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তারপরও পরাজিত হয়ে অনেকেই আমার আয়ের উৎস নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। যা শুধুমাত্র নির্বাচনে জয়ী হতে না পেরে আমার সাফল্যে ইর্ষান্নিত হয়ে এবং এসব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট, হয়রানিমূলক ও মানহানিকর।

Smiley face