• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

সুনামগঞ্জে সাংবাদিক নামধারী চদ্দবেশী নেতাদের ভুয়া সংবাদে বিভ্রান্তিতে জনগন

Reporter Name / ৩২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১

সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জ জেলায় দিন দিন বাড়ছে সাংবাদিকের সংখ্যা? কিছু অপেশাদার অনভিজ্ঞতা নিয়ে সাংবাদিক মহলে প্রবেশ করছে চদ্দবেশে বিভিন্ন সরকার বিরোধী সংগঠনের নেতা কর্মীরা। আর এদের সামান্য টাকার বিনিময়ে নিজেদের অনৈতিক সার্থ হাসিলের জন্য আশ্রয় সাধরে গ্রহন করছেন কিছু সম্পাদক নামধারী প্রিন্ট ও অন লাইন পত্রিকার সাংবাদিকরা।
যার কারনে দিন দিন সাংবাদিক সমাজ এখন কলঙ্কিত হচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলায়। সূশীল সমাজের কাছে এখন সাংবাদিকরা গেলে সাংবাদিক নাম শুনলেই ভয়ে ক্ষেপে উঠেন তারা। লোক সমাজে প্রতিনিয়ত গঠে চলেছে সাংবাদিক নামধারী অ-সাংবাদিকদের চাদাঁবাজি ও অনৈতিক কর্মকান্ড। ফলে বিভ্রান্তিতে রয়েছেন প্রশাসন সহ বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাসহ সাধারণ মানুষজনেরা। অন্য দিকে মুলধারার সাংবাদিক পেশার গনমাধ্যম কর্মীরা পড়ছেন নানান প্রশ্নের সমুখে। সাংবাদিক সমাজ হয়ে উঠছে এখন ক্ষমতার আরেক নাম? রাজনৈতিক নেতাকর্মী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা এখন প্রশাসনের কাছে ক্ষমতা কাটানোর জন্য কিছু সার্থলোভী সম্পাদককে টাকা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে পরিচয়পত্র কার্ড।
আর এসব পরিচয়পত্র কার্ড গলায় ঝুলিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাদাঁবাজি যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। এছাড়াও সাংবাদিক সামাজে চদ্দবেশে প্রবেশ করছে মাদকাসক্ত ও দেশ বিরোধী চক্রের আমলারা । এদেরকে আশ্রয় দিচ্ছে সম্পাদক নামধারী কিছু অর্থলোভী সম্পাদকরা । যারা অনৈতিক ভাবে সাংবাদিকতা করে অল্পদিনে বনে যাচ্ছেন কোটি পতি? বানাচ্ছেন বিশাল বাড়ি ও লাখ টাকার গাড়ি। সাংবাদিকতা করে অল্পদিনে কি ভাবে লাখ পতি হওয়া যায় এমন প্রশ্ন এখন সমাজে রিতিমত চলছে প্রতিনিয়ত? সাংবাদিকতা হচ্ছে মহান পেশা যে পেশাকে মানুষ সম্মানের চোখে দেখে সম্মান করবে কিন্তু সুনামগঞ্জ জেলা এখন সাংবাদিক পেশা যেন এক ভয়ঙ্কর পেশায় রুপ ধারন করছে? সাংবাদিক নাম শুনলেই মানুষ এখন ভয় পায় এবং ঘৃণার চোখে দেখে? কিছু দিন পর দেখা যায় চাদাঁবাজি করতে গিয়ে মাতাল অবস্থায় সাংবাদিক নামধারী কিছু অসাংবাদিকদের জনগন আটকিয়ে গণ পিঠুনি দেয় আর সাংবাদিক নামের সম্মান বজায় রাখতে কিছু অসাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক সমাজ মানব বন্ধন আন্দোলন করে অসাংবাদিকদের ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে দেন।
অন্য দিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিপাকে পড়ে সাংবাদিক সমাজের সম্মান অক্ষুন্য রাখতে অসাংবাদিকদের সহযোগিতা করেন তেমনটি চলছে বর্তমানে? প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতায় দেখা যায় সাংবাদিক নামধারী অসাংবাদিকদের তথ্যবিহীন সংবাদ প্রকাশের ধু¤্রজাল যার কারনে হয়রানির শিকার হচ্ছে জনগনসহ কিছু সরকারী অফিস ও নিরপরাধ কর্মকর্তারা। পত্রিকার পাতায় দেখা যায় আগের দিন নিউজ পরেরদিন প্রতিবাদ। এ যেন এক নতুন ব্যবসা শুরু হয়েছে? ঐ সমস্ত অসাংবাদিকতা থেকে সাংবাদিক সমাজকে বেড়িয়ে আসতে হবে? অন্যতায় এভাবে চলতে থাকলে দিন দিন সাংবাদিক সমাজ যেমন কলঙ্কিত হচ্ছে তেমনি সাংবাদিকতার মহান পেশা একদিন ধংশ হয়ে দেশ ও জনগনের অকল্যাণ বয়ে আনবে। কয়েক মাস সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে জানা যায় কিছু সাংবাদিক নামধারী অসাংবাদিকদের অনৈতিক কর্মকান্ডের ইতিহাত। অনেক জায়গায় গিয়ে লজ্জায় অনেক সাংবাদিকদের মাথা নিছু হয়ে ফিরে আসতে হয় ঐ সমস্ত অসাংবাদিকদের কারনে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী সহ জন প্রতিনিধিরা জানান ইদানিং নাকি কিছু নতুন সাংবাদিক বিভিন্ন অফিসে গিয়ে উল্টা পাল্টা প্রশ্ন করে তাদের বিরুদ্ধে একটি জাতীয় পত্রিকায় মিথ্যা নিউজ করে জনগনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে চলেছে প্রতিনিয়ত। অনেকে জানান কয়েক মাস আগে সুনামগঞ্জ শহরে কলেজে রাস্তাঘাটে যাদের দেখেছেন কিছু দিন পরপর সরকার বিরোধী আন্দেলন করে ছাত্রদের নিয়ে নিয়মিত রাজপথে ¯োøগান দিয়ে জনগনের মাঝে এবং প্রশাসনের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ছিল তারা এখন সাংবাদিক হয়েছে। কয়লা ধুয়ে যেমন ময়লা যায়না তাদের বেলায় ও ঘটে চলেছে এখন তেমনটি? এক ক্ষতিপয় সাংবাদিকের হাতধরে সাংবাদিকতার কার্ড গলায় ঝুলিয়ে দেশ ও জাতির মধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে জনগনের মাঝে ভিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাদের এখন নিত্য দিনের পেশা হয়ে দাড়িয়েছে। নাম প্রকাশে অনুচ্ছিক একাধীক ভুক্তভোগী যানান কিছু দিন আগে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে এক ক্ষতিপয় সাংবাদিক নামধারী ছাত্র ইউনিয়নের এক চিহ্নিত নেতা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সদর হাসপাতালে তার এক আতœীয়কে নিয়ে চিকিৎসার জন্য গেলে অধীক রোগী থাকায় থাকে রোগীদের একটি বেড (সিট) দিতে না পাড়ায় সে নার্সদের সাথে অসাধআচরণ করে এবং কি ভাবে চাকুরী করে দেখে নিবে বলে সাংবাদিকতার দাপট কাটিয়ে আসে। পরের দিন একটি জাতীয় পত্রিকায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে মিথ্যা কাল্পনিক নিউজ করে। যা সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এছাড়াও আর ও যানা যায় দীর্ঘদিন যাদু কাটা নদী বন্ধ থাকার পর সরকার শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে কর্মহীন শ্রমিকদের জন্য যাদুকাটা নদী ইজারাদারের মাধ্যমে খুলে দিয়েছেন সেখানে গিয়ে শ্রমিক বিরোধী চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে হাজারো শ্রমিকদের ভাগ্যে কুড়াল মারার ফন্দি করে করোনা কোভিড-১৯কে পুজিঁকরে করোনার দোহাই দিয়ে (ভারতের নাগরিকরা এসে বাংলাদেশে কাজ করে এমন একটি মিথ্যা কাল্পনিক বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে)যা সাধারণ মানুষসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঝে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে চলেছে। কিছু দিন আগে আদালত বিভ্রান্তিকর নিউজের জন্য সুনামগঞ্জ কয়েকজন সাংবাদিককে তলব করেছেন বলেও জানা যায় এবং সেই সমস্ত বিভ্রান্তিকর সাংবাদিকদের মাঝে সেও আছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করে। এভাবে চলতে থাকলে সাংবাদিক সমাজ ধংশ হয়ে যাবে এমনটি যানা যায় মুল ধারার সাংবাদিকদের কাছ থেকে। এদেরকে খুজে বের করে সাংবাদিক সমাজ থেকে বিতাড়িত না করলে দেশ ও সামাজের উন্নয়ন কাজে বারবার বাধাগ্রস্ত হবে এমনটাই সমালোচনা করছেন সূশীল সমাজ ও প্রকৃত সাংবাদিক মহল । প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন এমটি দাবী ভোক্তভোগী মানুষের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca