• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করব: মির্জা ফয়সল আমিন বগুড়ায় পুলিশের উপর হামলা।। আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, এস আই আহত ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

কর্মসংস্থানসহ হাজারো মানুষকে সেবা দিচ্ছেন এই পুলিশ সদস্য

Reporter Name / ৩০৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

পুলিশ সদস্য আকবর ফেসবুকের কল্যাণে অনেকে সহযোগিতা করার নতুন এক প্লাটফর্ম খুঁজে পেয়েছেন। সেই প্লাটফর্ম খুঁজে পাওয়াদের একজন হলেন আকবর। যিনি কাজ করেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে। ফেসবুকের কল্যাণে তিনি সহযোগিতা করে যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষকে। এমনকি করছেন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও।

কীভাবে তিনি মানুষকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন সেই গল্প শুনিয়েছেন আরটিভি নিউজের কাছে।

তিনি বলেন, পুলিশে যোগদান করার পর পুলিশের একটি ফেসবুক গ্রুপ চালাতাম। যেখানে বিভিন্ন পুলিশিং পরামর্শ প্রদান করা হতো। মানুষ বেশ উপকৃত হতো। এরপর নিজেই চালু করলাম ‘উই আর বাংলাদেশ’ (ওয়াব) নামে সেবামূলক ফেসবুক গ্রুপ। ‘পুলিশের ফেসবুক পেইজ চালানোর সময় উপলব্ধি করতে পারি মানুষের উপকারে ফেসবুক একটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম। সমাজের বিভিন্ন স্তরের, বিভিন্ন মতের ও পেশার মানুষকে এক কাতারে দাঁড় করাতে পারলেই সেবা দেয়া সম্ভব। সেই পরিকল্পনা থেকেই শুরু করেছিলাম ‘উই আর বাংলাদেশ’ (ওয়াব) গ্রুপটির ​কার্যক্রম। আলাপচারিতায় এমনটিই বলছিলেন পুলিশ সদস্য এস এম আকবর। সাক্ষাতকার নিয়েছেন মোশারফ হোসাইন।

বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানায় শৈশব কাটে আকবরের, পুলিশে যোগদান করেন ২০১৩ সালে। তিনি এখন কর্মরত আছেন খুলনায়। এস এম আকবর বলেন, ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যার পরামর্শ ও রক্তদাতার সন্ধান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানিমূলক বিষয়গুলোতে সাহায্য করা, আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেয়া হয়। গ্রুপে পোস্ট করে চিকিৎসা ও সাহায্য পান অনেকে। এমনকি রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষদের ঘর করে দেয়া হয়েছে এই গ্রুপের মাধ্যমেই, এ পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা, ফরিদপুর, চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি জেলায় শতাধিক মানুষকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে ওয়াব। যেকোনো বিষয়ভিত্তিক সমস্যার সমাধানও দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। কোনো বিষয়ে সমাধান পেতে দেরি হলে সে বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নজরে দেওয়ারও চেষ্টা করেন গ্রুপের সদস্যরা। কারো পুলিশি পরামর্শ, ডাক্তার, অ্যাডভোকেট, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের পরামর্শ লাগলে মুহূর্তে পোস্ট করেন আর মুহূর্তে মিলে পরামর্শ। হয়ে যায় সমস্যার সমাধান।

এই ফেসবুক গ্রুপটিতে বেশিরভাগ রক্তের প্রয়োজনের অনুরোধ আসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি, সাইবার ক্রাইম ও সাইবার বুলিং এর শিকার হওয়ার অভিযোগ বেশি আসে। এমনকি বিভিন্ন অনলাইন কেনাকাটায় প্রতারিত হয়ে ‘ওয়াবে’ সাহায্য চান অনেকে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করি। এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার ব্যাগ রক্ত ম্যানেজ করে দিয়েছে উই আর বাংলাদেশ (ওয়াব)।

করোনাকালে প্রায় দুই হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে ফেসবুক ভিত্তিক আকবরের এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সেই সাথে গৃহহীনদের ঘর করে দিয়েছেন তারা। ওয়াব প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ শুরু করেছে, ইতোমধ্যে ৪০জন শারীরিক প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার উপহার দিয়েছে ওয়াব। এছাড়া প্রায় ৩০০এর বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানির শিকার মানুষদের পরামর্শ ও পুলিশের সহায়তায় সহযোগিতা করেছেন।

আকবর বলেন, যেহেতু আমি ওয়াব এর প্রতিষ্ঠাতা তাই বেশিরভাগ কাজগুলোতে আমার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। গ্রুপে সরকারের সব দপ্তরের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, আইনজীবী, সাইবার অভিজ্ঞসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষই আছেন। আমি সবার মধ্যে একটা সমন্বয় আনতে চাই। সকলের সমন্বয়ে একটি আলোকিত বাংলাদেশ উপহার দিতে চাই।

চাকুরির পাশাপাশি সামাজিক কাজ করার বিষয়টি আপনাকে কেন ভাবায়? আকবরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মা-বাবার কাছ থেকে শিখেছি বিশেষ করে মায়ের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমার মা’কে দেখেছি এলাকার অসহায় মানুষদের সাহায্য করতেন তিনি। চাকরিতে এসে বিষয়টি আরো বেশি মনে কড়ানাড়ে। পুলিশের চাকরিটা এমন একটি চাকুরি যেখানে শতসহস্র মানুষের সাথে মেশার সুযোগ থাকে। মানুষের দুঃখ কষ্ট সহজে অনুভব করা যায়। মানুষের সাথে মিশে সেবা দেয়া যায়।

উই আর বাংলাদেশ (ওয়াব) নিয়ে আমার অনেক বড় স্বপ্ন রয়েছে। ওয়াব এর মাধ্যমে একটি ডিজিটাল মাদ্রাসা গড়তে চাই যেখানে কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক সব শিক্ষা থাকবে, সকল সুযোগ সুবিধা পাবে শিক্ষার্থীরা। বয়স্কদের যেন রাস্তায় ঘুমাতে না হয় সেজন্য বৃদ্ধাশ্রম ও পথশিশুদের জন্য আবাসস্থল করতে চাই, সেই সাথে লেখাপড়ার সুযোগ-সুবিধা। হাসপাতাল গড়ার ইচ্ছে আছে যেখানে বিনা পয়সায় বা সামান্য কিছু খরচে চিকিৎসা সেবা পাবে দরিদ্র অসহায় মানুষ। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের আগে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে থাকতে চাই। মানুষের জন্যেই কাজ করে যেতে চাই।

– অতিথি লেখক: মোশারফ হোসাইন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca