• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করব: মির্জা ফয়সল আমিন বগুড়ায় পুলিশের উপর হামলা।। আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, এস আই আহত ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

নাগেশ্বরীতে করোনায় ঝরে গেছে মাধ্যমিক স্তরের ১ হাজার ১৩১ জন শিক্ষার্থী

Reporter Name / ৫১০ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আরিফুল ইসলাম জয়
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে দরিদ্রতা ও দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ঝরে গেছে ৫৯ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৩৮ মাদ্রাসার ১ হাজার ১৩১ জন শিক্ষার্থী। এদের অনেকেই বই খাতা রেখে বাড়িতে থেকেই দরিদ্র বাবা-মাকে সহযোগিতা করতে শ্রম বিক্রি করেছে দুই হাতে। আবার কোন পরিবার অতি দরিদ্রতায় অর্থাভাবে সন্তানের পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়ে তারা যেখানে থাকেন সেখানে নিয়ে গিয়ে কাজে দিয়েছেন তাদের।

দেশে করোনার সংক্রমন ছড়িয়ে পড়ায় গত বছরের ১৫ মার্চ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতির অবনতিতে ওই বছর কোনভাবেই স্কুল খোলা সম্ভব না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। শিক্ষার্থীরা অটোপাশ পেয়ে ভর্তি হয় পরের ক্লাসে। এরপর কেটে যায় এ বছরের আরো প্রায় সাড়ে ৮ মাস। অবশেষে দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় পরে ১২ সেপ্টেম্বর খোলে সারাদেশের ন্যায় নাগেশ্বরীর ১৯৫ প্রাথমিক, ৫৯ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৩৮টি মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সতর্কতায় শুরু হয় সামাজিক দুরত্বসহ বেশকিছু নিয়ম মেনে স্বল্প পরিসরে শ্রেনি পাঠদান। কিন্তু শ্রেনিকক্ষে ফেরেনি বেশকিছু শিক্ষার্থী। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যানুযায়ী ঝরে গেছে মাধ্যমিক স্তরের স্কুল ও মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেনির ১ হাজার ১৩১ জন শিক্ষার্থী।

এ দিকে অপ্রাপ্ত বয়সে হাতে মেহেদী রাঙ্গিয়ে বধু বেশে বিয়ের পিড়িতে বসেছে ৫৭৭ জন স্কুল ছাত্রী। যা উদ্বেগের বিষয়। শিক্ষকরা হোম ভিজিট করে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শ্রেনিকক্ষে ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ধারনা করা হচ্ছে তারপরেও অনেক শিক্ষার্থীদের ফেরানো সম্ভব হবে না। বালাটারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.আমিনুল ইসলাম বলেন, স্কুল খোলার পর দেখেন সব কয়টি শ্রেনিতে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকছে কিছু শিক্ষার্থী। তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কথা বলে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। তারমধ্যে ৭ম শ্রেনির ছাত্র নাজমুল ইসলামকে বাড়ি গিয়ে খুজে পাওয়া যায়নি। তার বাবা মশিউরের সাথে মুঠোফোনে কথা বলেও কোন আশাব্যাঞ্জক তথ্য মেলেনি। তিনি ঢাকায় যেখানে কাজ করেন সেখানে তার ছেলে নাজমুলকে নিয়ে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে কাজে দিয়েছেন। প্রায় একই রকম কথা বলেন অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান। অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী জানিয়েছে এরজন্য দায়ী করোনা সৃষ্ট অভাব ও দারিদ্রতা।

সরেজমিন দেখা গেছে, সুবলপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেনিতে পড়ালেখা করত ৫৭ জন শিক্ষার্থী। করোনাকালীন বন্ধ শেষে স্কুল খুললেও ২২ জন ছাত্রের কেউই ফেরেনি। ৪র্থ শ্রেনির ২৫ জন ছেলের মধ্যে ২৩ জন ও ৩৬ মেয়ের মধ্যেও ২৩ জন আসেনা। অভাব, দারিদ্রতায় এদের কেউ এখন কৃষি শ্রমিক, কেউ কাজ নিয়েছেন অন্যের দোকানে। ওই স্কুলের ৫ম শ্রেনির ছাত্র অলির বাবা ওয়াদুদ হোসেন বলেন, আমরা গরীব মানুষ। করোনায় কর্মহীন হয়ে এখন আরো দরিদ্র। তাই অভাবের সংসারে সহযোগিতা করতে ছেলেকে বুঝিয়ে পড়ালেখা বাদ দিয়ে ঢাকায় একটি কাপড়ের দোকানে কাজে দিয়েছি।

একই এলাকার আর একজন অভিভাবক সুভাষ চন্দ্র শীল জানান, ভাগ্নে সাধীন শীল তার বাড়িতে থেকেই পড়ালেখা করত। করোনায় উপার্জন কমে যাওয়ায় তাকে ঢাকায় কাজে পাঠিয়েছেন। কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন এরশাদুল হক, সবুর আলীসহ ঝরেপড়াদের অনেকেই। পড়ালেখা ছেড়ে পরিবারের প্রয়োজনে এখন অটোরিক্সা চালাচ্ছে কেদার ইউনিয়নের খামার কেদারের গরীব বাবা নূরুজ্জামানের ছেলে কচাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনির ছাত্র মইন। একই চিত্র প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। সুবলপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন মোট শিক্ষার্থীর ৬০ ভাগ নিয়মিত আসছেন। বাকীদের ফেরাতে হোম ভিজিট করা হচ্ছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.কামরুল ইসলাম জানান, আমরা মনিটরিং করছি। প্রধান শিক্ষকদের বলা হয়েছে হোম ভিজিট করে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে যাতে বিদ্যালয়ে ফেরানো যায়। যারা একেবারেই ঝরে গেছে তাদের বিষয়ে সঠিক কারন অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে। নিয়মিত শিক্ষার্থী উপস্থিতি তথ্য নেয়া হচ্ছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর বিষয়ে কোন তথ্য দিতে পারেনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ইসাহাক আলী জানান, বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সঠিক সংখ্যা নিরুপন করা সম্ভব হচ্ছে না। তার আগে যারা বিদ্যালয়ে আসছে না তাদেরকে সম্পুর্নভাবে ঝরে পরার তালিকায় রাখা একটু কষ্টকর। আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। নেয়া হচ্ছে দৈনদ্দিন শিক্ষার্থী উপস্থিতির তালিকা। যারা বিদ্যালয়ে আসছে না তাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন শিক্ষকরা। তাদের বুঝিয়ে বিদ্যালয়ে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নুর আহমেদ মাছুম জানান, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শ্রেনিকক্ষে ফেরাতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক স্যারসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিজিট করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। শিক্ষকরা যেন হোম ভিজিট করে তাদের সাথে কথা বলে ফেরানোর চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে তারাও যেন বন্ধু-বান্ধবদের বাড়ি গিয়ে তাদের বুজিয়ে বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca