• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রক্তদান-ই যাদের রক্তে, মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন

Reporter Name / ৪৯৮ Time View
Update : রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

রক্তদান-ই যাদের রক্তে, মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন

মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

“রক্ত দিলে হয়না ক্ষতি, জাগ্রত হয় মানবিক অনুভূতি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন। দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবৎ রোগীদের রক্ত দিয়ে সহযোগীতা করে চলেছেন সংগঠনের রক্তযোদ্ধাগন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার থেকে শুরু করে সাংবাদিক, শিক্ষক,শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী সহ তৃণমূল পর্যায়ের লোকেরাও স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেছেন এই সংগঠনের অনুপ্রেরণায়। যারা রক্ত দিতে ভয় পেতেন তারাও এখন অন্যদের দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে রক্ত দান শুরু করেছেন। বর্তমান সময়ে কোন রোগীর রক্তের প্রয়োজন হলেই এই সংগঠানের মাধ্যমে সহজেই রক্ত পেয়ে যান। ভুক্তভোগী রোগীদের রক্ত যোগাড় করে দেওয়াই যেন ব্রত এই সংগঠনের।
জানা গেছে, এই উপজেলায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের রক্ত যোগাড় করে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ২০১৭ সালের ৪ জুলাই একদল তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত হয় সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন। সদরে মানুষের সেবায় স্বেচ্ছায় রক্তদানের সর্বপ্রথম উদ্যোগ গ্রহন করেন উপজেলার চাকুরীজিবী রাজিব হোসেন ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী অনিক চৌধুরী সহ কয়েকজন তরুণ। প্রথমে তারা অবকাঠামো তৈরী করণের লক্ষ্যে একদল উজ্জীবিত তরুণদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মানুষের মাঝে রক্তদানের আগ্রহ সৃষ্টি করতে থাকে সংগঠনটি। সদরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয় ব্যানার। এরপর উপজেলায় প্রথম শুরু হয় রক্তদানের একটি সংগঠন। অনেকে প্রথম অবস্থায় রক্ত দিতে ভয় পেতেন। কিন্তু রক্তদাতা সংগঠণের অনুপ্রেরণায় এখন অনেকেই স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসছেন। এমনকি অনেক মহিলারাও স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন। সাপাহার রক্তদাতা সংগঠনের মাধ্যমে এই পর্যন্ত স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ। সংগঠনের মোট রক্তদাতা ১হাজার জন। তার মধ্যে নিয়মিত রক্তদাতা রয়েছেন ৫শ’ জনেরও উপর।এই সংগঠনের প্রধান কাজ হলো রক্তশুণ্যতা সহ বিভিন্ন অপারশনে রক্তক্ষরণ হবার পরে যদি কোন রোগীর রক্ত লাগে তা ব্যবস্থা করে দেওয়া। কোন রোগীর রক্তের প্রয়োজন হলেই নিজ উদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়েন সংগঠনের সদস্যগণ। গ্রুপের সাথে মিলে গেলে নিজেরাই দান করেন রক্ত। নয়তো স্বেচ্ছায় রক্তদানে আগ্রহীদের ডেকে নিয়ে রোগীর রক্তের ব্যবস্থা করে দেন তারা।
মেশকাত জাহান নামে এক থ্যালাসেমিয়া রোগীর মা বলেন, আমার বাচ্চাকে প্রতি দুই মাস পর পর রক্ত দিতে হয়। প্রাথমিক অবস্থায় আত্মীয় স্বজনরা রক্ত দিতেন। পরে যখন রক্ত সংকটে ভুগতাম তখন জেলা শহর বা বিভাগীয় শহর রাজশাহী ব্লাড ব্যাংক হতে রক্ত কিনতে হত। আমরা গরীব মানুষ। এত টাকা দিয়ে রক্ত কেনা সম্ভব ছিলোনা। পরে সাপাহার রক্তদাতা সংগঠনের সন্ধান পাই। এখনো পর্যন্ত তারা আমাকে বিনা

পয়সায় রক্ত ব্যবস্থা করে দেন। এছাড়াও কাঁদোস্বরে রক্তদাতা সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
রক্তদাতা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অনিক চৌধুরী বলেন, আমরা এই ছোট্ট শহরে মানবতার সেবায় কাজ করার উদ্যোগ নেই। এই অঞ্চলের অনেক রোগীদের রক্তের প্রয়োজন হলে নানা রকম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হতো। যাতে করে রোগীদের রক্ত ব্যবস্থা করা যায় এজন্য আমরা বিনামূল্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করার লক্ষ্য নিয়ে একটি কমিটি গঠন করি। আমরা নিজেরাও রক্ত দান করি এবং অন্যদের রক্ত দান করতে উদ্বুদ্ধ করি। যার ফলে এই এলাকায় বর্তমানে অনেক রক্তদাতাগন নির্ভয়ে স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন।
সংগঠনের নিয়মিত রক্তদাতা টিটুল জানান, আমি রক্তদাতা সংগঠনের নিয়মিত রক্তদাতা। আমি এই পর্যন্ত ৩০ব্যাগের উপর রক্ত স্বেচ্ছায় দান করেছি। রক্ত দিলে যেমন নিজের শরীর হাল্কা হয় অপরদিকে একজন মানুষও বেঁচে যেতে পারে।
সংগঠনের সাধারন সম্পাদক বনি ইসরাইল বলেন, “আমরা ২০১৭ সালে সংগঠনের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে স্বেচ্ছায় কাজ করছি। আগে রক্তদাতার সংখ্যা অনেক কম ছিলো। যাতে ঘরে ঘরে রক্তদাতা তৈরী করতে পারি এ প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছি।”
সাপাহার রক্তদাতা সংগঠনের সভাপতি নাসরিন জাহান নিতু জানান, আমরা দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছি ।সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং স্বেচ্ছায় রক্ত দান সংগঠন । আমাদের এই সংগঠন সাপাহার উপজেলার কিছু উদ্যোমী তরুণদের হাত ধরে শুভ সূচনা করে। বর্তমানে আমাদের এই সংগঠনের মাধ্যমে অনেক মানুষ রক্ত পেয়ে থাকেন। আমরা রক্তদানের পাশাপাশি নানা ধরণের সামাজিক কর্মকান্ড করে থাকি। যার মধ্যে বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়ন কল্পে নিজ তহবিল থেকে দান, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ইত্যাদি। যাদের দিকনির্দেশনা, অনুপ্রেরণা এবং সহযোগিতাতে সাপাহার রক্তদাতা সংগঠন আজ সামনে পথ চলার সাহস পেয়েছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca