• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

১ মার্চ থেকে যোগ হবে নতুন প্যাকেজে অব্যবহৃত ডেটা-টকটাইম 

Reporter Name / ৬৫১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

 ১ মার্চ থেকে যোগ হবে নতুন প্যাকেজে অব্যবহৃত ডেটা-টকটাইম

মোবাইল ডেটা এবং অন্যান্য প্যাকেজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এই পরিবর্তনের ফলে অপারেটরদের অফারের সংখ্যা কমে যাবে এবং গ্রাহকরা তাদের বর্তমান প্যাকেজের অব্যবহৃত ডেটা পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে পেয়ে যাবেন।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) একটি নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, অপারেটরদের বর্তমান কয়েকশ প্যাকেজের সংখ্যা কমিয়ে ৯৫টিতে আনতে হবে।

অধিক প্যাকেজ এবং জটিল শর্তের জাল থেকে গ্রাহকদের স্বস্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অধিক প্যাকেজ থেকে নিজের সুবিধাজনক প্যাকেজটি খুঁজে নেওয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

আগামী মার্চ থেকে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বিটিআরসি ইতোমধ্যে অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘বাজারে অসংখ্য প্যাকেজ রয়েছে যেগুলো বিভ্রান্তি তৈরি করছে। গ্রাহকরা মন্ত্রণালয়, বিটিআরসির কল সেন্টারে এবং গণশুনানির সময় এ বিষয়ে অভিযোগ করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ডেটা প্যাকেজগুলোকে সহজ করার জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে গ্রাহকরা সহজেই তাদের পছন্দসই প্যাকেজ নির্বাচন করতে পারেন।’

প্যাকেজ মাত্র ৩ বিভাগে

নতুন নির্দেশনা অনুসারে, একটি অপারেটর ৩টি বিভাগে ৯৫টি প্যাকেজ দিতে পারবে। এগুলো হলো, নিয়মিত প্যাকেজ, গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজ এবং গবেষণা ও উন্নয়ন প্যাকেজ।

সব ধরনের গ্রাহকের জন্য নিয়মিত প্যাকেজের সংখ্যা হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫০টি। গ্রাহক কেন্দ্রিক বিশেষ প্যাকেজের সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ৩৫টি।

বাকি ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগে আসবে, যাতে অপারেটররা প্যাকেজ এবং পরিবর্তিত গ্রাহক প্রবণতার কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করতে পারে।

প্রতিটি প্যাকেজে ৩, ৭, ১৫ এবং ৩০ দিনের সময়কাল থাকবে।

গ্রামীণফোনের এক্সটারনাল কমিউনিকেশনের প্রধান মো. হাসান বলেন, ‘বিটিআরসির সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করে আমরা প্যাকেজের সংখ্যা কমিয়ে আনা শুরু করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গ্রাহকের চাহিদা বুঝে তাদের সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে প্যাকেজ সরলীকরণ বৈচিত্র্যে বিশ্বাস করি।’

বাংলালিংকের কর্পোরেট কমিউনিকেশনস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটির প্রধান অঙ্কিত সুরেকা বলেন, ‘একটি কমপ্লায়েন্ট কোম্পানি হওয়ায় আমরা বিটিআরসির নিয়ম মেনে চলি এবং সেই অনুযায়ী নতুন নির্দেশনাও অনুসরণ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে, আমরা বিশ্বাস করি, পণ্যের সংখ্যা সীমিত করা উচিত না। কারণ, মানুষ এখন কাস্টমাইজড পণ্য চায়। তাই, গ্রাহকদের নিজেদের পছন্দের জিনিসটি বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া উচিত।’

অব্যবহৃত ডেটা যোগ হবে নতুন প্যাকেজে

বিটিআরসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সময়কাল নির্বিশেষে যেকোনো ডেটা প্যাকেজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ গ্রাহক ক্রয় করলে অব্যবহৃত ডেটা পরের প্যাকেজে যোগ হয়ে যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন গ্রাহক ৩ দিন মেয়াদে ৭ গিগাবাইট (জিবি) ডেটা ও ১০০ মিনিট টকটাইমের প্যাকেজ কিনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করতে না পারেন, তাহলে অব্যবহৃত ডেটা বা টকটাইম মেয়াদ শেষে আর ব্যবহার করতে পারেন না।

কিন্তু ১ মার্চ থেকে গ্রাহকরা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একই প্যাকেজ কিনলে অব্যবহৃত ডেটা এবং টকটাইম নতুন প্যাকেজে স্থানান্তরের সুবিধা পাবেন। ফলে অব্যবহৃত ডেটা ও টকটাইম নতুন ডেটা ও টকটাইমের সঙ্গে যোগ হয়ে যাবে।

শুধু তাই নয়, অন্য তিন ধরনের মেয়াদে নতুন প্যাকেজ কিনলেও অব্যবহৃত ডেটা স্থানান্তর করা যাবে।

কলম্বোভিত্তিক লিরনেএশিয়ার সিনিয়র পলিসি ফেলো আবু সাঈদ খান বলেন, নতুন প্যাকেজ সংখ্যা এখনও বেশি এবং এটি গ্রাহক স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে।

তিনি বলেন, ‘বিটিআরসির দাম এবং প্যাকেজ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত না। কারণ এটা অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক বাজার। এখানে দাম নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত একেবারেই বিপরীতমুখী।’

তিনি আরও বলেন, সব প্যাকেজের মেয়াদ সংযোগের বৈধতার মেয়াদের সমানুপাতিক হওয়া উচিত। অর্থাৎ ৯০ দিন হওয়া উচিত।

অন্যান্য পরিবর্তন

অপারেটরগুলো তাদের প্যাকেজে বোনাস অফার করতে পারবে। তবে, পণ্যের দাম তাদের খরচের চেয়ে কম হতে পারবে না। যদিও তারা সর্বনিম্ন দামে দিতে পারবে।

মোবাইল অপারেটরদের তাদের নিয়মিত প্যাকেজের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

এ ছাড়াও প্রতি মাসে গ্রাহকদের খরচ সম্পর্কে অবহিত করতে বাংলায় এসএমএস পাঠাতে এবং গ্রাহকের অনুরোধ সাপেক্ষে ব্যবহারের তথ্য ইমেল করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে অপারেটরদের।

গ্রাহকদের এক দিনে একটি প্যাকেজ সম্পর্কিত ৩টির বেশি প্রচারমূলক এসএমএস পাঠানো যাবে না।

অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের মহাসচিব এসএম ফরহাদ বলেছেন, অপারেটরদের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের পর নিয়ন্ত্রক প্যাকেজের সংখ্যা নির্ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এই বিষয়ে বিটিআরসির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করি।’

অনুবাদ করেছেন, আব্দুল্লাহ আল আমীন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca