• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দ্বিতীয়বারের মতো সেভ হোমে আনিসা; আনিসা-রুমনের প্রেমকাহিনী সিনেমাকেও হার মানায়!

Reporter Name / ৫৪০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২

দ্বিতীয়বারের মতো সেভ হোমে আনিসা; আনিসা-রুমনের প্রেমকাহিনী সিনেমাকেও হার মানায়!

 

মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি :

প্রেম মানেনা জাত কিংবা ধর্ম। প্রেমের কবলে পড়ে কেউ ছাড়ে ঘর-বাড়ি কেউবা বাবা-মা। আতকিয়া আনিসার বেলাতেও ঘটেছে এমনটাই। প্রেমিক রুমন হোসেনকে বিয়ে করার পরে তাকে কাছে পাবার জন্য ছেড়েছে ঘর-বাড়ি সহ বাবা-মাকে। কিন্তু বিধি বাম! প্রাপ্ত বয়স্ক হয়েও বয়স না হবার যন্ত্রনা মনে নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো যেতে হয়েছে সেভ হোমে। নওগাঁ সদর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দেয়া বয়সের সনদ অনুসারে প্রেমিক ও প্রেমিকার বিয়ের বয়স হলেও জন্মনিবন্ধন অনুসারে বয়স হয়নি বলে জানা গেছে। তার একমাত্র চাওয়া স্বামী রুমন ও রুমনের পরিবার।

জানা গেছে, আতকিয়া আনিসা। মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মৈনম স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী। অন্যদিকে তার স্বামী রুমন হোসেন সাপাহার উপজেলার লালচাঁন্দা গ্রামের বাসিন্দা ও উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মিনারুল ইসলামের ছেলে। তারা সম্পর্কে আপন খালাতো ভাই-বোন হওয়ায় তাদের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক তৈরী হয়। যা পরবর্তীতে প্রেম-ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয়। নিজেদের ভালোবাসাকে সফল করতে ২০১৯ সালে গাজীপুরে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। এমনকি কাবিননামা পর্যন্ত করেন। পরবর্তী সময়ে যে যার মতো চলাফেরা করতেই থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ঘর সংসার করার উদ্দ্যেশ্য নিয়ে সকলের অগোচরে ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দু’জনে পালিয়ে যায় ।বিষয়টি জানতে পেরে আনিসার বাবা একেএম মাহবুবুল্লাহ্ বাদী হয়ে মান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে আনিসার স্বামী রুমন গ্রেফতার হয়। সেসময় আনিসা তার বাবা-মার কাছে যেতে অস্বীকার করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে সেভ হোমে পাঠান। যে মামলার চার্জশীট বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করে মান্দা থানা পুলিশ। এঘটনার দেড়মাস পরে আতকিয়া আনিসা সেভ হোম থেকে তার বাবার জিম্মায় চলে আসে। পরে রুমন হোসেন তিনমাস পরে আদালত থেকে জামিন পায়। জামিন পাওয়ার পরে তাদের দু’জনের মধ্যে আবারো কথাবার্তা শুরু হয়। যার সূত্র ধরে আনিসা আবারো রুমনের সাথে সংসার করার উদ্দেশ্য নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তারা দু’জনে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিক গিয়ে আইনগত ভাবে আবারো নতুন ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।এসময় আনিসা তার পূর্বের এক্স-রে রিপোর্ট অনুযায়ী বিজ্ঞ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে এফিডেফিটের মাধ্যমে বয়সের প্রমাণ পত্র নেয়।
আনিসা তার এফিডেফিডের মাধ্যমে জানান যে, তার বয়স সাল ২০০৩ সাল হলেও তার বাবা একেএম মাহবুবুল্লাহ রুমন ও তার পরিবারকে ফাঁসানোর জন্য জন্মসাল ২০০৫ সালে তৈরী করে বিজ্ঞ আদালতে প্রদান করে।
এদিকে দ্বিতীয়বার মেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তার বাবা আবারো বাদী হয়ে আদালতে অপহরন মামলা করতে যায়। কিন্তু একবার মামলা চলমান থাকায় বিজ্ঞ আদালত সে মামলা গ্রহন করেননা। পরে সেখান থেকে ফিরে এসে মান্দা থানায় পুনরায় রুমনের পরিবারের সকলকে আসামী করে অপহরন মামলা দায়ের করেন।
মামলার কথা জানতে পেরে আনিসা তার সকল প্রমাণপত্র নিয়ে আদালতে তার স্বামীর কাছে জিম্মা চেয়ে আত্মসমর্পন করেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত কারো জিম্মায় না দিয়ে আবারো দ্বিতীয়বারের মতো সেভ হোমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেন।
আদালতে যাবার পূর্বে আতকিয়া আনিসা সাংবাদিকদের বলেন, দ্বিতীয়বার আদালত তাকে সেভহোমে নিলে সেভহোম থেকে বেরিয়ে স্বামী রুমন হোসেনের সাথে ঘর সংসার করতে চান। রুমনকে ছাড়া বাঁচা সম্ভব নয় তার। ঘনিষ্ট আত্মীয় হওয়ায় তাদের প্রেম দৃঢ় হয়। যা পরবর্তীতে স্বা-মী স্ত্রীতে রূপান্তরিত হয়। আতকিয়া আনিসা পিতামাতার একমাত্র মেয়ে হয়েও ভালোবাসার মানুষের জন্য দ্বিতীয় বার আবারো আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে সেভ হোমে গেছে।
আনিসার বাবা এ কে এম মাহবুবুল্লাহ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, তার মেয়ের বিবাহের বয়স হয়নি। তাকে অপহরণ করা হয়েছে। মেয়ের স্বেচ্ছায় প্রেমের টানে চলে যাবার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার মেয়ে আনিসার বয়স কম তাই এসব বলছে।
রুমনের বাবা মিনারুল ইসলাম বলেন,শ্বশুর বাড়ির জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তিনি সরকারী চাকুরী করেন। তার চাকুরীর ক্ষতি করার জন্য আপন ভায়রা এ কে এম মাহাবুবুল্লাহ বারবার এভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনকে হয়রানী করছেন। সম্পতির বিরোধের ধরে আমার আপন সম্বন্ধী আঃ খালেক আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি করছে। এতদসংক্রান্ত বিষয়ে আমার স্ত্রী রশিদা বাদী হয়ে আদালতে ১০৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মাহফুজুর রহমান বলেন, এক্স-রে রিপোর্ট অনুসারে যে বয়স আসছে সেই বয়সটি আমরা উল্লেখ করে থাকি। এখানে কারো কোনো হাত নেই । আদালত ওই সনদ মানবেন কি না সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয় বলেও তিনি জানান।
মান্দা থানার ইস্পক্টর (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, ওই মেয়ের মামলা সম্পর্কে তদন্ত করে চার্জশীট প্রদান করা হয়েছে। মেয়ের বাবা আবারও অপহরণ মামলা দায়ের করেছে। কারণ সে দ্বিতীয় বার আবারও প্রাপ্ত বয়স না হতে চলে গিয়েছে । মেয়ের বাবা আবারও অপহরন মামলা করলে আমাদের করার কিছু নাই।
মান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিনুর রহমান বলেন,একজন ব্যক্তি যখন একাধিক বার হত্যা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক বার হত্যা মামলা দায়ের করতে হয়। ভিকটিমের বাবা থানায় মামলা করতে আসলে সে মামলা নিতে হবে।
এদিকে একই ঘটনায় একই থানায় দুইবার কিভাবে মামলা হয় এমনটা প্রশ্ন এলাকার অভিজ্ঞ মহলের।

মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: ০১৩০০৭১৭৬৫৪
১৫/০৩/২০২২


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca