• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করব: মির্জা ফয়সল আমিন বগুড়ায় পুলিশের উপর হামলা।। আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, এস আই আহত ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

চট্টগ্রাম নগরীতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণহানি! উত্তপ্ত লালখান বাজার

Reporter Name / ৪৩২ Time View
Update : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২

চট্টগ্রাম নগরীতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণহানি! উত্তপ্ত লালখান বাজার

তহিদুল ইসলাম রাসেল, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃ

দিন দিন অস্থির হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম নগরীর ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ড। পাহাড় বেষ্টিত ওয়ার্ডটিকে ঘিরে জমজমাট মাদক ব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ সংঘটন যেন মামুলি ব্যাপার। রয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের একচ্ছত্র আধিপত্য। কব্জির জোর, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, চাঁদার ভাগ-বাটোয়ারা, জমি দখলের টাকা নিয়ে প্রায়ই দেখা যায় মারামারি-কাটাকাটি। এসব মারামারি এতোটাই ভয়াবহ যে, এলাকার সাধারণ মানুষের আশঙ্কা; যেকোনো মুহূর্তেই ঘটতে পারে প্রাণহানির মতো ঘটনা।

এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ প্রশাসনও এক প্রকার নিরুপায়। রাজনৈতিক অস্থিরতা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এতোটাই বেশি ঘটে, পুলিশ প্রশাসন এক দলকে নিবৃত করতে গেলে অন্য দল আরেক দলের সাথে মারামারি, সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ প্রশাসনকে সর্বদা সতর্ক অবস্থানে থাকতে হয়।

পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, টাংকিপাহাড়, পোড়া কলোনি, মতিঝর্ণা এলাকায় প্রতি রাতেই বসে মাদক ও জুয়ার আসর। ইস্পাহানি মোড়ে চাঁদাবাজি এবং টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন দোকানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।

এসব টাকা কিংবা চাঁদা কাদের দিতে হয় জানতে চাইলে স্থানীয়রা ভয়ে মুখ খোলেনি।

হাই লেভেল রোডের বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা রবিউল আলম বলেন, লালখান বাজার এখন আর আগের লালখান বাজার নেই। মাঝে মাঝে মনে হয় বেলাল (ওয়ার্ড কাউন্সিলর) আর মাসুম এই ওয়ার্ডের সরকার। প্রতিনিয়ত তাদের দুই গ্রুপের ছেলেরা মারামারিতে জড়াচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে মাসুম গ্রুপের ছেলেরা বেলাল গ্রুপের সোহেলকে ছুরি মেরে দেয়। গতকাল রাতে দুই গ্রুপ আবার মারামারিতে জড়ায়। দুইটা গ্রুপ মনে হয় লাশ চায়।

তিনি আরও বলেন, আমরা চিন্তিত আছি কোন দিন দুইটা গ্রুপ খুনাখুনির ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। কোনো গ্রুপ ভালো না। উভয় গ্রুপ চাঁদাবাজি, দখলবাজিতে নিমজ্জিত। আমরা সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

গত ১২ মার্চ (শনিবার) লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) দিদারুল আলম মাসুম গ্রুপের হামলায় কাউন্সিলর বেলাল গ্রুপের অনুসারী সোহেল গুরুতর আহত হন। ঘটনার দিন দুপুরে ভিক্টিম সোহেল তার বন্ধুর অসুস্থ বোনকে দেখতে লালখান বাজারের মমতা ক্লিনিকে যান। ক্লিনিক থেকে ফেরার পথে আল আমিনের নেতৃত্বে ডেকচি শরীফ, ডেকচি সুমনসহ তার বন্ধুরা তার ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আল আমিন সেহেলের পেটে ও মাথায় ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা সবাই দিদারুল আলম মাসুমের অনুসারী বলে জানা যায়। এ ঘটনায় আল আমিন নামে মাসুমের এক অনুসারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র ৯ দিনের মাথায় আবারও মারামারি, সংঘর্ষে জড়ায় মাসুম গ্রুপ ও বেলাল গ্রুপ। রবিবার (২০ মার্চ) রাতে মতির্ঝণা মাছ বাজার এলাকায় ছাত্রলীগ নেতা সুদীপ্ত হত্যা মামলার আসামি জাহিদের সাথে একই এলাকার কাউন্সিলর বেলাল সমর্থিত আলমগীরের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে আলমগীর তার দলবল নিয়ে জাহিদের মা হোসনে আরা বেগম (৫০), ভাতিজা মাহিম (১২) ও মো. মাহাদী হাসানকে (১৯) মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। বর্তমানে মাহাদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মাহাদীর বাবা লালখান বাজার ইউনিট আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কবির হোসেন মহানগর নিউজকে বলেন, আলমগীর, জাকির, মুন্না, জুয়েল, এমরান, আবু কালামসহ আরও অনেকে এসে আমার বাসায় হামলা চালায়। তারা কাউন্সিলর বেলাল গ্রুপের রাজনীতি করে।
আমি একটা ফার্মেসি চালাতাম। সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকালীন সময়ে আলমগীর আমার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আলমগীরের নেতৃত্বে আমার দোকানে ভাংচুর চালায়। এ বিষয়ে আমি খুলশী থানায় অভিযোগ দায়ের করি। এটা নিয়েও তারা ক্ষুব্ধ ছিল।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সজীব, সুজন, দিদার নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা তিনজনই কাউন্সিলর বেলালের অনুসারি। সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

অপরাধের সাথে নিজ দলের কর্মীদের সম্পৃক্ততা উঠে আসলে তাদের পাশে থাকবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মো. বেলাল। তিনি বলেন, একটি ঘটনা ঘটলে যেকোনো গ্রুপের অনুসারিদের নাম উঠে আসে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, কেউ যদি আমার মিটিং মিছিলে এসে কিংবা আমার পরিচয় দিয়ে অপরাধ করে তাহলে কালবিলম্ব না করে ব্যবস্থা সাথে সাথেই ব্যবস্থা নিন। আমি লালখান বাজার ওয়ার্ডে কোনো আধিপত্যের রাজনীতি চাই না। আমি চাই শান্তি। ওয়ার্ডের মানুষের শান্তি। অপরাধিরা যদি আমার অনুসারিও হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca