• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

হত্যাকাণ্ডের শহর চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাঁচাবে কে?

Reporter Name / ৩০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৩

নিউজ ডেস্কঃ


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে একসময় সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের পর বিবৃতি এসেছিল “পুলিশ মানুষের বেডরুম পাহারা দেবে নাকি?” এবারে সেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বহীনতায় লাশের নগরীতে রূপ নিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আর বিবৃতিতে বলা হয়েছে এসব নাকি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।  অথচ দেশের মানুষ আজ এই জেলা শহর চাঁপাইনবাবগঞ্জের বুকে দেখছে নারায়নগঞ্জের সেই নির্মমতার চিত্র। বিগত দিনের সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২০১৩-১৪ সালে রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সহিংসতা রোধে ব্যর্থ সেসময়ের পুলিশ প্রশাসন এক প্রতিবেদনে এখানকার মানুষকে প্রকৃতিগতভাবে সহিংস বলে উল্লেখ করেছিল। অথচ পরবর্তীতে সেই পুলিশ প্রশাসনের প্রচেষ্টায় রাজনৈতিক সহিংসতা রোধ করা গেছে এবং আগের চিত্রায়ন ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কয়েক বছরের ব্যবধানে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিকতায় চির ধরেছে বলেই হয়তো রাজনৈতিক সেই সহিংসতাকে ম্লাণ করে দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবারো ঘটে চলেছে একের পর এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড।
বিশেষত গত ১৯ তারিখে সংঘটিত খায়রুল আলম জেম হত্যাকাণ্ড জনমনে একইসাথে ব্যাপক ক্ষোভ ও ভীতির সঞ্চার করেছে। যখন একজন মাঠ থেকে উঠে আসা জনপ্রিয় সাবেক কাউন্সিলর রোযা অবস্থায় ইফতার কিনতে গিয়ে শহরের গুরুত্বপয়েন্টে প্রকাশ্য দিবালোকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তখন আসলেই ল এন্ড অর্ডারের চরম অবনতি জনতার সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিগত কাউন্সিলে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী যুবলীগ নেতা জেম বেশ কিছুদিন থেকেই জীবননাশের আশঙ্কায় বিভিন্ন মহলে পরিত্রাণের আশায় বারবার যোগাযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে শেষমেশ ফেসবুক লাইভে নিজের অসহায়ত্ব তুলে ধরেন এবং ৩ দিনের ব্যবধানে নিহত হন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন চরম অবনতির দ্বায়ভার পুলিশ প্রশাসন কোনভাবেই এড়াতে পারে না। কেননা হত্যার হুমকির বিষয়ে অবগত হয়েও পুলিশের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা এবং সাম্প্রতিক সময়ে হত্যাকাণ্ডগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ঈদের দিনে আবারো একজন কিশোরকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা এবং অপর জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করে এক ব্যক্তিকে ফিল্মি কায়দায় হত্যা করা হয়েছে। খোদ জেলা পুলিশের ব্রিফিংয়ে গত দুই সপ্তাহে ছয়টি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা উঠে এসেছে। এর মধ্যে চারটি সংঘটিত হয় ঈদের ছুটিতে। হত্যাকাণ্ডগুলো- গত ৯ এপ্রিল সদর উপজেলার কালীনগর এলাকায় মনিরুলকে কুপিয়ে হত্যা, গত ১৩ এপ্রিল শিবগঞ্জ উপজেলার নয়ালাভাঙ্গা ইউপি সদস্য মো. আলমকে কুপিয়ে হত্যা, গত ১৯ এপ্রিল সদর উপজেলার ঝিলিম ইউপিতে মিথুন ওরফে কৃষ্ণ বর্মণ নামে অটোরিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যা, একই দিন খাইরুল আলম জেমকে কুপিয়ে হত্যা, ২২ এপ্রিল সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের জনতার হাটে মো. জিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ককটেল হামলা চালিয়ে হত্যা এবং একই দিন কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে ফাহাদ নামের এক কিশোরকে হত্যার ঘটনা।
এতগুলো হত্যাকাণ্ডের পরও বলতে গেলে আমরা সকলেই নীরব-নির্বাক। জেম হত্যাকাণ্ড ও এর আগে পরের ঘটনাগুলো আমাদের নাগরিক দ্বায়িত্ববোধের দরজায় কড়া নাড়তে ব্যর্থ হয়েছে। কেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এমন অবনতি ঘটেছে তা আপামর জনসাধারণের কাছে ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অথচ একসময়ের আলোকিত এই শহরে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এখনো সেভাবে কেউ এগিয়ে আসেনি? আমাদের আজকের এই নীরব দর্শকের ভূমিকা জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা ও জাতীয় চার নেতাকে জেলে হত্যার পরবর্তী সময়ে আমাদের নির্লজ্জ নির্লিপ্ততাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে অথচ আমরা নির্বিকার।
এম.এস.হোসেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca