• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নীরবতার আড়ালে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনীতি: বাংলাদেশ কোন পথে যাচ্ছে?

Reporter Name / ২৪৭ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক অদৃশ্য এবং বিপজ্জনক মোড়ের মুখোমুখি। প্রকাশ্য সমালোচনা কম, প্রশংসা বা নীরবতা বেশি এটি সাধারণ মানুষের জন্য জটিল ও বিভ্রান্তিকর। যেখানে রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ও নৈতিক স্পষ্টতা সবচেয়ে বেশি জরুরি, সেখানে দেখা যাচ্ছে দফায় দফায় দ্বৈততা, নিস্প্রাণ সমর্থন এবং অস্বাভাবিক সহনশীলতা। এই পরিস্থিতি শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতাকে বাড়াচ্ছে না, বরং রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপরও স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

অদৃশ্য কৌশল, চুপচাপ সমঝোতা এবং পারস্পরিক হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে রাজনীতি ক্রমেই জনমনের চোখে অস্পষ্ট হয়ে উঠছে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলকতা নিশ্চিত করা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের অবস্থান অটল দেখাতে গিয়ে অনাস্থা ও বিভ্রান্তির জাল বুনছে। এতে সাধারণ মানুষ অনিশ্চয়তায় পড়ে, গুজব ও ভুল তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, আর রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়।

যদি আমরা অতীত পর্যবেক্ষণ করি, দেখা যায় অস্বচ্ছ রাজনীতি কখনোই স্থিতিশীলতা এনে দেয় না। বরং তা জন্ম দেয় বিভাজন, অবিশ্বাস এবং কখনো কখনো সহিংসতার সম্ভাবনা। এই ক্রমবর্ধমান বিভাজন এবং অনিশ্চয়তা যদি সঠিকভাবে মোকাবিলা না করা হয়, তবে তা সমাজকে গৃহযুদ্ধের ধারা বা দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

দেশের ভবিষ্যত এখন যে ঝুঁকির মুখে তার মূল কারণ হলো রাজনীতিতে স্বচ্ছতার অভাব, সংলাপের অনুপস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার ক্ষয়। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিকদের ওপর দায়িত্ব আছে এই বিভাজনকে আরও জটিল হতে না দেওয়ার। জনগণকে বিভ্রান্ত করা বা অর্ধসত্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনো রাজনৈতিক শক্তির জন্য ইতিবাচক নয়।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো যদি রাজনৈতিক দলগুলো স্বার্থ বা ক্ষমতার কারণে নীরবতার পেছনে লুকিয়ে থাকে, তাহলে যে সংকট দেখা দিচ্ছে তার পরিণতি ভয়ংকর হতে পারে। ভবিষ্যতে যদি এ ধরনের কৌশল অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশ ক্রমেই রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে ঝুঁকবে। গণতান্ত্রিক চর্চা, সংলাপ এবং আইনশৃঙ্খলার জায়গা ক্রমেই ক্ষুণ্ণ হবে, এবং সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এই মুহূর্তে সময় এসেছে সচেতন হওয়ার। জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার, তথ্য যাচাই করার এবং দায়িত্বশীলভাবে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাতে হবে। রাজনীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের স্থিতিশীলতা, মানুষের কল্যাণ এবং সংলাপের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর। অন্যথায়, নীরবতার এই দেয়াল ভেঙে পড়বে, এবং তার ধাক্কা সামলানো সহজ হবে না।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখন আমাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বিভাজনের পথে চলবে, নাকি সংলাপ ও দায়বদ্ধতার মাধ্যমে স্থিতিশীলতা অর্জন করবে। সতর্ক না হলে, অস্থিরতার এই ধারা ভয়ঙ্কর মোড়ে পৌঁছাবে। আর সেই সময় আর কেউ নিরাপদ থাকবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca