• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন প্রকল্পের টেন্ডার আগামী মাসে সরকার দেবে ২‌‌১ হাজার ২৭৭ কোটি ও বিপিসির তহবিল থেকে ১৪ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার যোগান

Reporter Name / ১৬০ Time View
Update : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :

সরকার এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) যৌথ বিনিয়োগে প্রস্তাবিত ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন প্রকল্পের টেন্ডার আহ্বান হচ্ছে আগামী মাসে। বিদেশি ঋণের জন্য অপেক্ষা করে গত ১৫ বছরে প্রকল্পটির ব্যয় তিন গুণের বেশি বেড়ে যাওয়ার পর সরকার ও বিপিসি যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়। ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সমপ্রসারণের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকা (৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা)। এর মধ্যে সরকার ২১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা এবং বিপিসি নিজস্ব তহবিল থেকে ১৪ হাজার ১৮৭ কোটি টাকার যোগান দেবে। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন করেছে। গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ইআরএল পরিদর্শন শেষে আগামী মাসে টেন্ডার আহ্বানের কথা জানিয়েছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুধু জ্বালানি তেল পরিশোধন কিংবা আর্থিক সাশ্রয় নয়, এই প্রকল্প দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে। নতুন রিফাইনারির ডিজাইনে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ক্রুডই নয়, অন্যান্য দেশের ক্রুডও পরিশোধন করার ব্যবস্থা থাকবে।

সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে বছরে ৭০ লাখ টনের বেশি জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর সামান্য অংশ পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে বিপিসির। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টনের মতো ক্রুড অয়েল পরিশোধন করতে পারে। এই ক্রুডের পুরোটাই আমদানি করতে হয় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য থেকে।
ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য ১৫ লাখ টন ক্রুড আমদানি করা হলেও বাকি ৫৫ লাখ টনের বেশি তেল পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করতে হয়। পরিশোধিত তেলের দাম ক্রুড অয়েলের তুলনায় অনেক বেশি। দেশের পরিশোধন সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করতে বাধ্য হয় সরকার। এজন্য প্রতিবছর কোটি কোটি ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ক্রুড হিসেবে আমদানি করে দেশে পরিশোধন করা গেলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতো। কিন্তু ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব না হওয়ায় দেশে ক্রুড অয়েল আমদানি বাড়ানো যাচ্ছে না।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ১৯৬৮ সালে নির্মিত ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১০ সালে গ্রহণ করা হয় ইস্টার্ন রিফাইনারি দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণ প্রকল্প। বছরে ৩০ লাখ টন জ্বালানি তেল পরিশোধনের ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্টার্ন রিফাইনারি–২ নামে নতুন একটি রিফাইনারি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ওই সময় প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা। পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারির ২শ একর জায়গার এক পাশে ৭০ একর জায়গায় দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ বছর ধরে ঢিমেতালে চলা প্রকল্পটির ব্যয় ইতোমধ্যে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা ছুঁয়েছে। অবশ্য পরবর্তীতে সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় সাড়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

প্রকল্পটি নিয়ে অনেকদিন ধরে আলোচনা চলছে। নানাভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করে আসছিল বিপিসি। তারা সরকার থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণসুবিধা নিয়ে প্রকল্পটি করতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত হয় দেশের আলোচিত শিল্পগ্রুপ এস আলম। তারা প্রকল্পটিতে অর্থায়নের প্রস্তাব দেয়। ‘ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট–২’ শীর্ষক প্রকল্পটি ইআরএল এবং এস আলম গ্রুপের সাথে এমওইউ স্বাক্ষর করা হয়। এস আলম গ্রুপের পক্ষ থেকে ৩০ লাখ টনের পরিবর্তে ৫০ লাখ টন ক্রুড পরিশোধন ধারণক্ষমতা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এস আলম গ্রুপের সাথে যৌথভাবে ইস্টার্ন রিফাইনারি নির্মাণের ব্যাপারে নানা প্রক্রিয়া চালানো হয়। প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তুত করে দেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ে। মন্ত্রণালয় থেকে ফাইল পাঠানো হয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে। ওখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে সৃষ্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতন হলে ইস্টার্ন রিফাইনারি দ্বিতীয় ইউনিটের সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সরকার এস আলমের সাথে করা চুক্তি বাতিল করে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সমপ্রসারণ (ইআরএল–২)’ নামের এই প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাব পাঠাতে বলে। যা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন থেকে প্রকল্পটি নিয়ে বেশ কিছু অবজারভেশন দেয়। সেগুলো পুনরায় সংশোধন করা হয়। এতে প্রকল্প ব্যয় ৪৩ হাজার কোটি টাকা থেকে কমে ৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি ১৪ লাখ টাকায় নেমে আসে। এর মধ্যে সরকার ২১ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা এবং বিপিসি নিজস্ব তহবিল থেকে ১৪ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা যোগান দেয়ার আশ্বাস দেয় এবং একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সমপ্রসারণে নতুন ২০টি প্রসেসিং ইউনিট স্থাপন করা হবে। এতে ইউরো–৫ মানের জ্বালানি তেল উৎপাদিত হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত হওয়ার পর প্রকল্পটি নিয়ে আবারো অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। কিন্তু গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ইআরএল পরিদর্শন করতে এসে নতুন আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আগামী মাসের মধ্যে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের দ্বিতীয় ইউনিটের (ইআরএল–২) জন্য দরপত্র আহ্বান করা হবে। ২০২৯ সালের শুরুর দিকে এর পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, এটি চালু হলে দেশের অভ্যন্তরে অপরিশোধিত তেল শোধনের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং জ্বালানি আমদানির উৎসগুলোতেও বৈচিত্র্য আসবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সমপ্রসারণের ফলে বাংলাদেশ আরও বেশি সংখ্যক দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে পারবে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও আঞ্চলিক সংকটের ঝুঁকি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

উল্লেখ্য, ইস্টার্ন রিফাইনারি আমদানিকৃত ক্রুড অয়েল পরিশোধন করে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, বিটুমিন, এলপিজি, জেট ফুয়েলসহ ১৭ ধরনের পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট উৎপাদন করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca