নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এক সনাতন ধর্মালম্বী নারীকে শ্লীলতা হানির চেষ্ঠার অভিযোগ উঠেছে এক মুসলিম যুবকের নামে। ভূক্তোভূগি ওই নারী বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনাল-১ এ মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-২৫/২০২৬। ভূক্তোভূগি অলকা রানী(৩৬) নাচোল উপজেলার সাবাইতাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আরজিতে উল্লেখ করেছেন, নাচোল উপজেলার চন্দ্রাইল গ্রামের রুস্তুম আলীর ছেলে আনিকুল ইসলামের(৩৮) সাথে ২০০২ সাল থেকে থেকে গভীর সম্পর্ক ছিলো। ওই সময় থেকে আলকা রানীকে আনিকুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধীর্ঘদিন শারিরিক সম্পর্ক করে অর্থাৎ ধর্ষন করে। পরে অলোকা আনিকুলকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে আনিকুল বলে তুমি হিন্দু আমি মুসলিম এই বিয়ে পরিবার সমাজ মেনে নেবেনা। ফলে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়। অলোকা পরবর্তীতে বিয়ে সাদি করে ২টি সন্তান নিয়ে সুখে শান্তি বসবাস করে আসছে। আনিকুল পরে বিয়ে করে। প্রায় ২ বছর পূর্বে আনিকুল পুনরায় অলোকার সাথে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করলে অলোকা তাতে অস্কৃতি জানায়। অলোকা ২০০২ সাল থেকে সুসম্পর্ক থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে একাধিকবারে আনিকুল ৫(পাঁচ)লক্ষ টাকা প্রদান করে। অলোকা সেই পাওনা টাকার জন্য তাকে চাপ প্রয়োগ করলে আনিকুল বিভিন্নভাবে টালবাহনা করতে থাকে।পরবর্তীতে সুকৌশলে গত ০১/০৫/২০২৬ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার সময় আনিকুল আলোকাকে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে। অলকা টাকা চাইতে গেলে আনিকুল তার ডান হাত দিয়া তার চেপে ধরে বিছানা শুইয়ে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করলে অলোকার চিৎকারে সে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পাওনা টাকা ফেরতসহ ও শ্লীলতা হানির চেষ্টার সুষ্টু বিচার পাবার আশায় অলোকা রানী ২০০০ সালের(সংশোধনী ২০০৩ সালের )নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯(৪)(খ) ধারা আদালতে মামলা করেন। এবিষয়ে অলোকা রানী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন সুষ্টু বিচার পাবার আশায় আদালতে মামলা করেছি। পুলিশ সঠিক তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠালে সুবিচার পাবো। আনিকুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্ঠা করে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার তন্দকারী কর্মকর্তা এসআই রাজু জানান সঠিত তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠাবো।