• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী

Reporter Name / ২০ Time View
Update : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে, বসবাস ঢাকার আশুলিয়ায়। নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, জীবনে কখনও ঠাকুরগাঁওয়ে আসেননি। জেলাটিতে নেই আত্মীয়স্বজন কিংবা পরিচিতজনও। অথচ সেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য আব্দুল আলীম নিজামী। তার নির্বাচনি প্রতীক বটগাছ।

জেলায় দলটির সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল, সক্রিয় নেতাকর্মীও হাতে গোনা। সীমিত আর্থিক সামর্থ্য নিয়ে চারটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় মাইক লাগিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন নিজামী। ভোটারদের হাতে তুলে দিচ্ছেন লিফলেট। এভাবেই নিজের ঘোষিত আট দফা কর্মসূচির পক্ষে জনসমর্থন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর)সঙ্গে কথা হয় নিজামীর। নিজের জন্মস্থান চট্টগ্রাম কিংবা বসবাসের এলাকা ঢাকার পরিবর্তে ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচন করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের যেখানেই উপনির্বাচন হবে, সেখানেই অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হলে এখানে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

নিজামীর কর্মসূচির অন্যতম প্রধান বিষয় ধর্মীয় অবমাননা ও কটূক্তি বন্ধে শক্তিশালী আইন প্রণয়ন। তার ভাষ্য, এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করলেও সংসদের বাইরে থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া কঠিন। তাই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে নিজের কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

নির্বাচনি মাঠে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় নিজামীর প্রচার সীমিত। বিশেষ করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে তার প্রচারণা তেমন দৃশ্যমান নয়। নিজামী বলেন, আর্থিক সামর্থ্য সীমিত হওয়ায় বড় পরিসরে প্রচার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। চারটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় মাইক লাগিয়ে প্রচার করছেন। তবে বিস্তৃত নির্বাচনি এলাকার সব ভোটারের কাছে এভাবে পৌঁছানো কঠিন। এ কারণে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমেও ভোটারদের কাছে নিজের বক্তব্য তুলে ধরছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে দলের সাংগঠনিক অবস্থা সম্পর্কে নিজামী বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের সক্রিয় নেতাকর্মী এখানে প্রায় নেই বললেই চলে। তবে ১৯৮৭ সাল থেকে দলটির প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ্জী হুজুরের অনুসারী একজন প্রবীণ ব্যক্তিকে পাশে পেয়েছেন তিনি। প্রচারণার মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ স্বেচ্ছায় তার পক্ষে কাজ করছেন বলেও দাবি করেন এই প্রার্থী।

ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানতে চাইলে নিজামী বলেন, তার কর্মসূচি শুধু এই আসনের জন্য নয়, সারা দেশের মানুষের জন্য। একজন সংসদ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখা। এলাকার উন্নয়ন বরাদ্দ পাওয়ার জন্য সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া নয়, উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি। তবে নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়িঘর তৈরি করে নিয়মিত অবস্থানের পরিকল্পনার কথাও জানান নিজামী।

ভোটারদের কাছে নিজের আট দফা কর্মসূচি তুলে ধরছেন এই প্রার্থী। এর মধ্যে ধর্মীয় অবমাননা ও কটূক্তি বন্ধে শক্তিশালী আইন প্রণয়ন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রসঙ্গে ২০০৩ সালে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাধনপুরে হিন্দু শীল পরিবারের ১১ সদস্যকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করেন নিজামী। তার দাবি, মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ায় চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগেই অনেক আসামির মৃত্যু হয়েছে।

এ ধরনের ঘটনায় মামলা দায়ের থেকে শুরু করে তদন্ত, বিচার, আপিল ও রায় কার্যকরের পুরো প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে শেষ করার ব্যবস্থা করতে চান তিনি। নিজামীর মতে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা গেলে এ ধরনের সহিংসতা কমানো সম্ভব। নির্বাচনে জয়ী হয়ে জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন আলীম নিজামী। ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটাররা তাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাবেন বলে আশা তার।

মুসলিম ভোটারদের ঈমানের তাগিদে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিজামী। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের আইনি সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদেরও বটগাছ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে আগামী ২৯ অক্টোবর। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া পাঁচ প্রার্থী হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ),ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca