• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণের দাবি, তিন তেলবাহী জাহাজ নিয়ে ইরানের বার্তা জাপান সাগরে ১০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা নেতানিয়াহুর বুড়িচংয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালাতে গিয়ে ৩ ভুয়া ডিবি পুলিশ আটক মস্কোমুখী ৬১৩ ড্রোন হামলার দাবি রাশিয়ার, খারকিভে পাল্টা আঘাত আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট ‘চুরির’ অভিযোগ, নেতানিয়াহুর দলকে কী জানাল পুলিশ? আত্রাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গুরুত্ব ‘ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগেই হয়তো আজ বিমানবাহিনীতে নেই’: তাহসিফ পেন্টাগনের শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাকারীকে সরালেন হেগসেথ বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে আরও ৫০৮ রুশ বিশেষজ্ঞ পাঠানোর পরিকল্পনা

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে অনলাইন টিকিট নেওয়ার নিয়ম, ফি ও প্রয়োজনীয় তথ্য

Reporter Name / ২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

রাজধানী ঢাকার কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে চান? আগে থেকেই অনলাইনে বহির্বিভাগের (OPD) অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ই-টিকিট নেওয়ার সুযোগ থাকলে হাসপাতালে গিয়ে টিকিটের লাইনে অপেক্ষা করার সময় কমানো সম্ভব। তবে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের নিয়ম, পেমেন্টের পরিমাণ এবং চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা জরুরি।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ঢাকার একটি সরকারি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিতে প্রতিদিন অনেক রোগী আসেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগী, কর্মজীবী মানুষ, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে আসা অভিভাবকদের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা কষ্টকর হতে পারে। এ কারণে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ই-টিকিট নেওয়ার ব্যবস্থা রোগীদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার, অনলাইনে টিকিট বুকিং করা মানেই নির্দিষ্ট চিকিৎসককে দেখানোর সময় সম্পূর্ণ নিশ্চিত হয়ে যাওয়া নয়। বুকিংয়ের সময় হাসপাতাল, বিভাগ, তারিখ এবং সময়ের যে তথ্য দেখানো হয়, সেটিই অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালের নিয়মে পরিবর্তন হলে অনলাইন পোর্টালের নির্দেশনাই অগ্রাধিকার পাবে।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে কি অনলাইনে টিকিট নেওয়া যায়?

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের বর্তমান সরকারি পরিচিতি কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। হাসপাতালটির সরকারি ওয়েবসাইটে হাসপাতাল-সংক্রান্ত তথ্য ও যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে হাসপাতালটির জন্য অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা সরাসরি পোর্টালে গিয়ে যাচাই করা উচিত।

অনলাইন বুকিংয়ের জন্য প্রথমে সরকারি ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট পোর্টাল https://eappointment.dghs.gov.bd ব্যবহার করে দেখুন। সেখানে হাসপাতালের তালিকায় কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল পাওয়া গেলে উপলভ্য বিভাগ, তারিখ ও সময় অনুযায়ী বুকিং করা যেতে পারে।

হাসপাতালের নাম তালিকায় না থাকলে, পোর্টাল কাজ না করলে অথবা কোনো বিভাগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া না গেলে হাসপাতালের তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করে বর্তমান ব্যবস্থা জেনে নিন। সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের যোগাযোগ নম্বর ০২৫৫০৬২৩৮৮ এবং ই-মেইল kurmitolahospital@hospi.dghs.gov.bd।

কুর্মিটোলা হাসপাতালের অনলাইন টিকিট নেওয়ার নিয়ম

অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের পদ্ধতি পোর্টালের সংস্করণ ও হাসপাতালের নির্ধারিত ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হতে পারে।

প্রথমে মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে সরকারি ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর নিবন্ধন বা লগইন করার অপশন থাকলে সেটি নির্বাচন করুন। আগে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা থাকলে নিজের তথ্য দিয়ে লগইন করুন। নতুন ব্যবহারকারী হলে পোর্টালে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।

এরপর হাসপাতাল নির্বাচনের অপশন থেকে কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্বাচন করুন। হাসপাতালের নাম খুঁজে না পেলে কাছাকাছি নাম দেখে অনুমান করে বুকিং করবেন না। হাসপাতালের তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

হাসপাতাল নির্বাচন করার পর চিকিৎসা নেওয়ার বিভাগ বেছে নিন। যেমন, সাধারণ অসুস্থতার জন্য মেডিসিন, হাড় ও জোড়ার সমস্যার জন্য অর্থোপেডিকস, শিশুদের জন্য শিশু বিভাগ কিংবা নারীদের নির্দিষ্ট সমস্যার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ নির্বাচন করতে হতে পারে। তবে সব বিভাগে সব সময় অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নাও পাওয়া যেতে পারে।

এরপর পোর্টালে প্রদর্শিত উপলভ্য তারিখ ও সময় নির্বাচন করুন। কোনো নির্দিষ্ট দিনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট না থাকলে অন্য তারিখ চেষ্টা করুন অথবা হাসপাতালের কাউন্টারে যোগাযোগ করুন। পোর্টালে রোগীর নাম, পরিচয় বা অন্যান্য তথ্য চাওয়া হলে সঠিক তথ্য দিন।

সবশেষে বুকিংয়ের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে পোর্টালে দেখানো পেমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করুন। পেমেন্ট প্রয়োজন হলে সফলভাবে পরিশোধ করার পর ই-টিকিট বা বুকিং নিশ্চিতকরণ পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা দেখুন। টিকিটে দেওয়া রোগীর পরিচিতি, হাসপাতালের নাম, বিভাগ, তারিখ ও সময় মিলিয়ে নিন।

অনলাইন টিকিট কাটতে কী কী তথ্য লাগতে পারে?

অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার সময় পোর্টালের নিয়ম অনুযায়ী কিছু ব্যক্তিগত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য দিতে হতে পারে। যেমন রোগীর নাম, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, পরিচয় যাচাইয়ের তথ্য এবং যে বিভাগে চিকিৎসা নিতে চান তার বিবরণ।

রোগীর নিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা সুবিধাজনক। তবে শিশু বা এমন কোনো রোগীর জন্য বুকিং করা হলে, যিনি নিজে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারেন না, সে ক্ষেত্রে পোর্টালের নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবক বা সহায়তাকারীর তথ্য দেওয়ার সুযোগ আছে কি না, তা যাচাই করতে হবে।

তথ্য দেওয়ার সময় নামের বানান ও অন্যান্য পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য ঠিক রাখুন। ভুল তথ্য দিলে টিকিটের পরিচয় যাচাই বা হাসপাতালের রেকর্ডের সঙ্গে মিল করতে সমস্যা হতে পারে। একই রোগীর জন্য একাধিক অ্যাকাউন্ট বা বুকিং তৈরি করার আগে পোর্টালের নিয়ম দেখে নিন।

কুর্মিটোলা হাসপাতালের অনলাইন টিকিটের দাম কত?

অনলাইন টিকিটের ফি নির্দিষ্টভাবে জানার জন্য বুকিংয়ের সময় সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত অর্থের পরিমাণ দেখতে হবে। হাসপাতালের সরাসরি টিকিটের ফি এবং অনলাইন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে পেমেন্ট গেটওয়ে বা এসএমএস-সংক্রান্ত চার্জ এক হতে নাও পারে।

তাই আগে থেকে নির্দিষ্ট একটি অঙ্ককে বর্তমান অনলাইন টিকিটের নিশ্চিত মূল্য হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। পেমেন্ট করার আগে মোট কত টাকা দিতে হবে, কী কী চার্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং পেমেন্ট সফল হলে কীভাবে টিকিট পাওয়া যাবে—এসব তথ্য যাচাই করুন।

কোনো ব্যক্তি বা অনানুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট যদি সরকারি টিকিটের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, তাহলে সরাসরি সরকারি পোর্টাল বা হাসপাতালের তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হোন। টিকিট বুকিংয়ের নামে অচেনা ব্যক্তিকে টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকুন।

অনলাইন টিকিট পাওয়ার পর কী করবেন?

অনলাইনে বুকিং সম্পন্ন হলে ই-টিকিট বা নিশ্চিতকরণ বার্তা ভালোভাবে সংরক্ষণ করুন। টিকিটে ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার সুবিধা থাকলে সেটি ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে টিকিটের একটি প্রিন্ট কপি সঙ্গে রাখুন এবং মোবাইলেও সংরক্ষণ করুন।

হাসপাতালে যাওয়ার আগে টিকিটে উল্লেখিত তারিখ, সময় ও বিভাগ আবার পরীক্ষা করুন। নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে পৌঁছানো ভালো, কারণ হাসপাতালে গিয়ে পরিচয় যাচাই, বিভাগ খুঁজে নেওয়া বা অন্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সময় লাগতে পারে।

প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন বা রোগীর পরিচয় নিশ্চিত করার অন্য গ্রহণযোগ্য নথি সঙ্গে রাখুন। আগের চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন, পরীক্ষার রিপোর্ট, ওষুধের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র সঙ্গে নিলে চিকিৎসককে রোগীর অবস্থা বুঝতে সুবিধা হবে।

অনলাইন টিকিট থাকলেও হাসপাতালের কর্মীদের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। টিকিটে উল্লেখিত সময়ের সঙ্গে চিকিৎসকের বাস্তব সময়সূচির পার্থক্য থাকলে হাসপাতালের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী অপেক্ষা করতে হতে পারে।

অনলাইনে টিকিট না পেলে কী করবেন?

কোনো বিভাগে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট না পাওয়া মানেই ওই বিভাগে চিকিৎসা বন্ধ—এমন নয়। অনলাইনে নির্দিষ্ট দিনের স্লট পূর্ণ হয়ে যেতে পারে, পোর্টালে সাময়িক সমস্যা হতে পারে অথবা সংশ্লিষ্ট বিভাগে অনলাইন বুকিংয়ের সুযোগ নাও থাকতে পারে।

এমন হলে প্রথমে অন্য উপলভ্য তারিখ পরীক্ষা করুন। পোর্টালে ত্রুটি দেখালে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন। একই সমস্যা থাকলে হাসপাতালের সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া যোগাযোগ নম্বরে ফোন করে বর্তমান নিয়ম জেনে নিন।

অনলাইনে বুকিং না হলে সরাসরি বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টারে টিকিট নেওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না, সেটিও হাসপাতাল থেকে নিশ্চিত করুন। কাউন্টারের সময়সূচি, টিকিটের প্রাপ্যতা এবং কোন বিভাগে কখন রোগী দেখা হয়, তা জেনে তারপর যাত্রা করা ভালো।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ঠিকানা ও যোগাযোগ

কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ঢাকার কুর্মিটোলা এলাকায় অবস্থিত। হাসপাতালে যাওয়ার আগে সঠিক প্রবেশপথ, বিভাগ এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা সম্পর্কে জেনে নিলে সময় বাঁচতে পারে।

হাসপাতালের সরকারি ওয়েবসাইট https://kgh.dhaka.gov.bd/ থেকে যোগাযোগ ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য দেখা যেতে পারে। সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালের তথ্যকেন্দ্রের নম্বর ০২৫৫০৬২৩৮৮ এবং যোগাযোগের ই-মেইল kurmitolahospital@hospi.dghs.gov.bd।

হাসপাতালে যাওয়ার আগে ফোন করে বহির্বিভাগের সময়, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যক্রম এবং অনলাইন টিকিটের বর্তমান নিয়ম নিশ্চিত করা বিশেষভাবে উপকারী। বিশেষ করে দূর থেকে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এই যাচাই অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত কমাতে পারে।

অনলাইন টিকিট ও জরুরি চিকিৎসা এক বিষয় নয়

অনলাইন ই-টিকিট মূলত পরিকল্পিত বহির্বিভাগের চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য। গুরুতর অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, শ্বাসকষ্ট, বুকে তীব্র ব্যথা, অচেতন হয়ে যাওয়া বা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে অনলাইন টিকিটের জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত নিকটস্থ জরুরি বিভাগে যান বা প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে হাসপাতালের নিজস্ব নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

সব মিলিয়ে

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার আগে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ই-টিকিটের সুযোগ যাচাই করলে সময় ও ভোগান্তি কমতে পারে। সরকারি ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট পোর্টালে হাসপাতালটি নির্বাচন করা যাচ্ছে কি না, উপলভ্য বিভাগ ও সময় কোনগুলো এবং মোট ফি কত—এসব নিশ্চিত করে বুকিং সম্পন্ন করুন।

টিকিট পাওয়ার পর সেটি সংরক্ষণ করুন, নির্ধারিত সময়ের আগে হাসপাতালে পৌঁছান এবং আগের প্রেসক্রিপশন ও প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন। অনলাইন টিকিট না পাওয়া গেলে বা পোর্টালে সমস্যা হলে হাসপাতালের তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করে সঠিক নির্দেশনা নিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca