• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণের দাবি, তিন তেলবাহী জাহাজ নিয়ে ইরানের বার্তা জাপান সাগরে ১০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই ক্ষমতায় থাকার সম্ভাবনা নেতানিয়াহুর বুড়িচংয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালাতে গিয়ে ৩ ভুয়া ডিবি পুলিশ আটক মস্কোমুখী ৬১৩ ড্রোন হামলার দাবি রাশিয়ার, খারকিভে পাল্টা আঘাত আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট ‘চুরির’ অভিযোগ, নেতানিয়াহুর দলকে কী জানাল পুলিশ? আত্রাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গুরুত্ব ‘ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগেই হয়তো আজ বিমানবাহিনীতে নেই’: তাহসিফ পেন্টাগনের শীর্ষ সামরিক পরিকল্পনাকারীকে সরালেন হেগসেথ বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে আরও ৫০৮ রুশ বিশেষজ্ঞ পাঠানোর পরিকল্পনা

জাপান সাগরে ১০ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া, বাড়ছে উত্তেজনা

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই জাপান সাগরের দিকে প্রায় ১০টি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দেশটির পূর্ব উপকূল থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় ওনসান এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও অন্তত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জাপানি সংবাদ সংস্থা কিওডো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে গিয়ে পড়ে।

দুই কোরিয়ার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগে সীমান্ত বিরোধ নিরসনে দক্ষিণ কোরিয়া আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের এই সামরিক পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী ভারী সামরিক উপস্থিতিসম্পন্ন এলাকা বা অসামরিকীকরণ অঞ্চলে (ডিমিলিটারাইজড জোন—ডিএমজেড) একটি মাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনাসদস্য গুরুতর আহত হন। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ শুরু হয়।

চলতি মাসের শুরুর দিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাতিসংঘের যৌথ তদন্তে বলা হয়, উত্তর কোরিয়া এক বছরেরও বেশি সময় আগে ওই এলাকায় মাইন পুঁতে রেখেছিল। এ ঘটনার জন্য পিয়ংইয়ংয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় সিউল। তবে উত্তর কোরিয়া তদন্তের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে।

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো এক চিঠিতে উত্তর কোরিয়া উল্টো দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরণের ঘটনাটি সাজানোর অভিযোগ তোলে। জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি কিম সং চিঠিতে দাবি করেন, সন্দেহজনক মাইন বিস্ফোরণের দায় পিয়ংইয়ংয়ের ওপর চাপিয়ে দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া উসকানিমূলক আচরণ করছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের আচরণ উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি।

কিম সং আরও সতর্ক করে বলেন, উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে দেশটি। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার অভিযোগকে কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনার দায় এড়ানোর চেষ্টা বলেও উল্লেখ করেন।

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ নিয়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এবং উত্তর কোরিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনায় কোরীয় উপদ্বীপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে উত্তর কোরিয়ার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা এ ঘটনার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধের সরাসরি যোগসূত্র সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca