• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেও চিকিৎসা বঞ্চিত চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী

Reporter Name / ১৭৯৪ Time View
Update : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১

সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ। নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে চলছে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে নিয়মিত অফিস করেন না চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্টাফরা। রোগীদের সাথে র্দুব্যবহার, ক্লিনিক ভবন পরিষ্কার না করা, রোগীদের ওষুধপত্র না দিয়ে ফেরত পাঠানোসহ নানা অনিয়মের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে।

চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে ২০০৯ সালে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না ইউনিয়নবাসী। ফলে বাধ্য হয়েই ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে যেতে হয় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে। পদ্মা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকার এসব মানুষের আয় সামান্য হওয়ায় অনেকেই এতো দূরে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারেন না। ফলে অসুস্থ ও অপুষ্টির কারনে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এই এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য।

চরবাগডাঙ্গা কোটাপাড়া এলাকার ইউপি সদস্য এনামুল হকের ছেলে মো. জুয়েল বলেন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ক্লিনিকে অনেক লোকের ভিড় দেখি। কিন্তু অনেকেই ওষুধ পায় না। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে দেখি। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই খালি হাতে ফিরে যায়। কারন ওষুধপত্র ঠিকমতো দেয়া হয় না। এমনকি এখানকার উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ইনচার্জ ডা. মো. আনোয়ারুল হক ও এমএলএস (পিয়ন) মো. ওবাইদুজ্জামান ঠিকমতো অফিস করেন না।

পঞ্চাশোর্ধ রহিমা বেগম জানান, লাইনে দাঁড়িয়ে ওষুধ নিতে গিয়ে ঘুরিয়ে পাঠায়। বলে বাইরে কিনে নাও। সরকারি ক্লিনিকে যদি ওষুধ না পায় তাহলে সরকার এটা কেন তৈরি করেছে? আমার তে মনে হয় তারা থাকার পরেও ওষুধ দেয় না। এখানকার ডাক্তার ও স্টাফরা খুবই খারাপ ব্যবহার করে।

স্থানীয় গৃহবধূ জমিলা বেগম বলেন, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ওষুধ না থাকলে বুঝিয়ে বললেই হয়। কিন্তু তারা রোগীদের সাথে চাকরের মতো আরচণ করে। ডাক্তারকে ঠিকমতো দেখাতে পারিনা। মুখে শুনেই ফার্মাসিস্ট দু-একটা ওষুধ দেয়। ডাক্তার অফিসে ঠিক মতো আসে না। আর বেলা ১১টায় আসলেও দুপুর ১টায় বাসায় চলে যায়। এতে দুপুর পর হঠাৎ কেউ কোন রোগে আক্রান্ত হলে আর উপায় থাকে না। ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নিয়ে যেতে হয় সদর হাসপাতালে।

তিনি আরো বলেন, যদি যেকোন ব্যাপারে হাসপাতাল নিয়ে যেতে হয়, তাহলে এতো টাকা দিয়ে সরকার বিল্ডিং আর এতোগুলো মানুষ রেখেছে কেন? তাদের কি কোন কাজ নেই? নাকি সরকারি চাকুরি বলে এভাবে দায়িত্বে অবহেলা করে তারা। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, এই এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্লিনিকের কোন পরিবেশ নেই চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে। রোগী পরীক্ষার টেবিলে ঝাড়ু ও ময়লা পরিষ্কার করার জিনিসপত্র। ময়লা আর্বজনায় পরিপূর্ণ চারদিক। এবিষয়ে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট মো.আব্দুল মোমিন বলেন, এখানকার এমএলএস (পিয়ন) ঠিকমতো অফিসে আসেন না। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ওষুধ না দেয়া ও ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তিনি জানান, সরকারি ওষুধের যে বরাদ্দ তাতে ১৫-২০ দিন যায়। তাতেই এই সমস্যা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।

শনিবার বেলা ১১টায় চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে সেখানকার ইনচার্জ ডা. আনোয়ারুল হককে পাওয়া যায়নি। ফার্মাসিস্ট আব্দুল মোমিন জানান, আনোয়ারুল হক অফিসের কাজে শহরে গেছেন। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সকল অভিযোগের বিষয়ে ইনচার্জ ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, আমি নিয়মিত অফিস করি এবং এখানে কোন অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা হয় না। সঠিকভাবে সকল রোগীকে ওষুধ দেয়া হয়।

এবিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুস সালাম জানান, এমএলএস-এর ব্যাপারে এমন অভিযোগ ছিল। তবে ইনচার্জের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca