• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করব: মির্জা ফয়সল আমিন বগুড়ায় পুলিশের উপর হামলা।। আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, এস আই আহত ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

মিথ্যা ভিত্তিহীন প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আলমগীর সরকার

Reporter Name / ২৬৪ Time View
Update : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১

বাগমারা প্রতিনিধিঃ

গোয়ালকান্দি ইউপির নৌকার মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ও শহীদ পরিবারের সন্তান আলমগীর সরকারকে নিয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন মনগোড়া বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
জানান।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৩ নং গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে আসন্ন ৫ই জানুয়ারী ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনিত আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি,মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ও দুই দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী আলমগীর সরকার।

আলমগীর সরকার গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে বিজয় হয়েছিলেন।আবারও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। আলমগীর সরকার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ইউনিয়নবাসী মনে শান্তি ফিরে পেয়েছেন। ইতোমধ্যে দলীয় প্রতীক নৌকা মার্কা পাওয়ার পর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন।সকল ভেদাভেদ ভুলে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চত করতে সবাইকে অক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।
আলমগীর সরকার আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার দাদা মৃত রেফাজ উদ্দিন সরকার মুক্তি যোদ্ধা ও ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আলমগীর সরকার এর পিতা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার সরকার।তিনিও গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ বার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা জব্বার সরকারের বড় ছেলে শহীদ জাহাঙ্গীর আলম সরকার তিনিও গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে দুই দুই বার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় ২০১০ সালের ৮ই ডিসেম্বর প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করা হয়। তার পরও জনগনের পাশে আছে এই শহীদ পরিবার।

গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও নৌকা মনোনীত প্রার্থী আলমগীর সরকার বলেন,আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান।
২০১৩ সাল হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।
আওয়ামী লীগ ও গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের জনগনের পাশে থাকার জন্য বড় ভাই সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ জাহাঙ্গীর সরকার কে প্রকাশ্যে সর্বহারারা জবাই করে হত্যা করে। তারপরও আমার পরিবার জনগনের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। জনগণের ভালোবাসায় গত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী করেছেন।
এ জয় আমার একার নয়,
এ জয় ছিলো গোয়ালকান্দি বাসির স্বাধীনতার পক্ষের জয়।আওয়ামী লীগের জয়,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার জয়।
ছাত্র জীবন থেকেই আমিও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আবারও আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।আবারও বিপুল ভোটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ যে ভাবে এগিয়ে চলেছে সেই ধারা অব্যাহত রেখে ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে কাজ করতে পারি সেই আহবান জানাই। বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান ছাড়া এলাকার উন্নয়ন সম্ভব না। এলাকার উন্নয়ন চাইলে নৌকার বিজয় ঘটাতে হবে। দলমত নির্বিশেষে এলাকার স্বার্থে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকার বিজয়ে কাজ করতে হবে।

গত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুল বশত গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে জিএমবি কে নৌকা প্রতীক দেন।পরে তদন্ত করে জিএমবি প্রমানিত হওয়ায় তাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত চিটিতে মনোনয়ন বাদ দিয়ে শহীদ পরিবারের সন্তান আলমগীর সরকার কে নৌকা প্রতীক দেন।এবং বিপুল ভোটে জয়ী হোন। গত নির্বাচন হত আলমগীর সরকার কে জিএমবির সাথে যুক্ত থাকার এক ধরনের অপ্রচার চালানো হচ্ছে।

আমাকে নিয়ে বিভিন্ন অনলাইনে যে মিথ্যা ও ভিত্তি হীন সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে তা মিথ্যা ও ভিত্তি হীন। আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।সেই সাথে সাংবাদিক জাতির বিবেক সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে সংবাদ প্রাকাশের আহবান জানাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca