• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নওগাঁকে আমের রাজধানী বলায় ব্যারিস্টার সুমনকে কড়া প্রতিবাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাসীর

Reporter Name / ৬৯৭ Time View
Update : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩

 

নিউজ ডেস্কঃ


আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সারা দেশ ও বিদেশে আমের সুখ্যাতি রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের। চাঁপাইনবাবগঞ্জকে বলা হয় আমের রাজ্য আর কানসাটকে বলা হয় এশিয়ার সর্ববৃহৎ আমের বাজার। সেখানে রয়েছে ২০০ বছরের বেশি সময়ের বাগান।

এদিকে ব্যারিস্টার সুমন নওগাঁয় ফুটবল খেলতে গিয়ে একটি ছোট আমবাগান থেকে ধারণ করা ৫ মিনিট ৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেন। কয়কদিন আগে পোস্ট করা ভিডিওতে তিনি রাজশাহী ছাড়িয়ে নওগাঁয় বেশি আম উৎপাদন হয় এবং নওগাঁকে ‘আমের রাজধানী’ বলে উল্লেখ করেন। আর এ মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

ওই ভিডিওতে সুমনকে আরও বলতে শোনা যায়, নওগাঁকে অনুসরণ করে তাঁর নিজ এলাকা হবিগঞ্জের চুনারুঘাটকেও আমের রাজধানী বানাতে চান। এখানে তিনি এক কৃষকের সাক্ষাৎকার নেন। সাক্ষাৎকার নেওয়া ব্যক্তিও বলেন, নওগাঁয় ২০-২৫ বছর ধরে আম চাষ হচ্ছে।

ব্যারিস্টার সুমনের পোস্ট করা ভিডিওটির মন্তব্যের ঘরে মো. পারভেজ আলম নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘জন্মগত ইতিহাস বলে আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ, আপনি কোথায় পেলেন নওগাঁ, আল্লাহ ভালো জানেন।’

মূসা মিয়া নামে আরেক ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘এমন বিকৃত মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমের রাজধানী—এটা আপনাকে মানতেই হবে।’

বাবর বাবু নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘আমরা সবাই জানি আমের স্বর্গ বা রাজধানী হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অতিরিক্ত তেল মারতে গিয়ে ইতিহাস বিকৃত করা ঠিক না। আপনি একবার চাঁপাই আসুন।’ আব্দুল আহাদ নামের একজন লেখেন, ‘নানিবাড়ির গল্প আম্মাকে না শোনানোই ভালো।’

শাখাওয়াত জামিল দোলন লিখেছেন, ‘আপনি ব্যারিস্টার সুমন, আপনাকে বলছি, আরও বেশি করে আপনাকে লেখাপড়া করা দরকার। আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ নয়। ভুল তথ্যের জন্য আপনাকে ক্ষমা চাওয়া উচিত।’

আরও পড়ুনঃ-চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত

শামিম শাহরিয়ার নামে একজন লিখেছেন, ‘এইতো কদিন আগে নওগাঁর লোকজন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আমের আঁটি কুড়িয়ে নিয়ে গেল। এত তাড়াতাড়ি রাজধানী হয়ে গেছে?’

মো. ফরহাদ আলী লিখেছেন, ‘আমের রাজ্য-রাজধানী দুটোই চাঁপাইনবাবগঞ্জ। মাফ চেয়ে আরেকটা ভিডিও বানান।’

আল আমিন নামে একজন লিখেছেন, ‘আপনি শিক্ষিত মানুষ, অশিক্ষিত মানুষের মতো আচরণ কেন করলেন সুমন ভাই।’

মোতালেব খান নামে একজন লিখেছেন, ‘ভাই গালি দেওয়া ছেড়ে দিয়েছি। ক্যাপশন চেঞ্জ না করলে আগের রূপ ধারণ করব।’

মোতাহারুল ইসলাম নামে আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভুল তথ্যের জন্য আপনার নামে মামলা দেওয়া দরকার। সারা জীবন জানলাম আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ।’

বেটার চাঁপাইনবাবগঞ্জ হেল্পলাইন নামের একটি পেজ থেকে মন্তব্যে লেখা হয়েছে, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর পক্ষে থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নওগাঁকে আমের রাজধানী বলার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে পোস্ট দিন। নতুবা আপনার বিরুদ্ধে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসী অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তীব্র জনমত গড়ে তুলব ইনশা আল্লাহ।’

ওই ভিডিওটিতে ৪০ হাজারের বেশি লাইক, ৩ হাজারের বেশি কমেন্ট ও ১ হাজারের বেশি শেয়ারসহ ৫ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ-চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা নদীতে ডুবে মারা গেছে এক শিশুর মৃত্যু

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি বছর ৩৭ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। এ বছর আমের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ২৫ হাজার টন। গত বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৭ হাজার ১৬৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। গত মৌসুমে জেলায় আম উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার টন। ২০২১ সালে জেলায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে আড়াই লাখ টন এবং তার আগের বছর ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৪৫ হাজার টন আম উৎপাদন হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সঠিক ইতিহাস না জেনে নওগাঁ কে আমের রাজধানী বলায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। ব্যারিষ্টার সুমনকে কড়া জবাব ও প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে কমেন্ট বক্স।

এম.এস.হোসেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca