• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​টিকা কেনার পদ্ধতির মাশুল দিচ্ছে শিশুরা ​,হামে দেড় মাসে প্রায় ৩০০ মৃত্যু l অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি পরিবর্তন ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় টিকা সংকটের অভিযোগ

Reporter Name / ২১০ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

​সারা দেশে গত দেড় মাসে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা প্রায় তিনশ ছুঁইছুঁই। মৃতদের বেশিরভাগই কোমলমতি শিশু। দেশে প্রায় নির্মূল হয়ে যাওয়া হামে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুতে এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের টিকা কেনা সংক্রান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত। একসময় বাংলাদেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমান পরিস্থিতি দেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার এক ভিন্ন ও সংকটাপন্ন চিত্র সামনে এনেছে।
​সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচি নিয়মিত না হওয়া এবং টিকা কেনার প্রচলিত পদ্ধতিতে হঠাৎ পরিবর্তনের কারণেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
​চার বছর ধরে নেই বড় ক্যাম্পেইন
​তথ্যমতে, ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন স্থগিত করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি চার বছর অন্তর এই ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৪ বা ২০২৫ সালে তা আর আলোর মুখ দেখেনি। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ক্যাম্পেইন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীকালে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলেও এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব ছিল।
​সেক্টর কর্মসূচি থেকে প্রস্থান ও সংকট
​১৯৯৮ সাল থেকে চলে আসা ‘স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি’ (এইচপিএনএসপি) থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেরিয়ে আসে অন্তর্বর্তী সরকার। অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ২০২৪ সাল থেকেই পিসিভি, আইপিভি, পেন্টা ভ্যালেন্ট ও এমআরসহ শিশুদের প্রায় সব টিকার সংকট দেখা দেয়।
​সূত্র জানায়, দাতা সংস্থাগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পভিত্তিক কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন সরকার। কিন্তু এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি ছিল দীর্ঘ ও জটিল, যা টিকা সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায়।
​অর্থ ছাড়ের দীর্ঘসূত্রতা
​অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৫ সালের আগস্টে টিকা কেনার প্রক্রিয়া শুরু হলেও চূড়ান্ত অর্থ ছাড় হতে সময় লাগে প্রায় পাঁচ মাস। সরাসরি ক্রয়ের (ডিপিএম) মাধ্যমে ইউনিসেফ থেকে টিকা কেনার অনুমোদন দিলেও অর্থ বিভাগ থেকে অনুমোদন মিলতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি হয়ে যায়। এই দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতার সরাসরি প্রভাব পড়ে মাঠ পর্যায়ের টিকাদানে।
​ইউনিসেফের সতর্কতা ও সায়েন্সের প্রতিবেদন
​যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ‘সায়েন্স’-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউনিসেফ বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের (গ্যাভি) মাধ্যমে টিকা কেনা স্থগিত করে উন্মুক্ত দরপত্রের পথে হাঁটতে চেয়েছিল। ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স তখন সতর্ক করেছিলেন যে, উন্মুক্ত দরপত্রে টিকা পেতে সময় লাগবে, যা মহামারির ঝুঁকি বাড়াবে। তিনি তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে এই সিদ্ধান্ত না নিতে অনুরোধ করেছিলেন।
​বর্তমান সরকারের ভাষ্য
​হামের এই ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলা ও অদূরদর্শী সিদ্ধান্তকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “কিছু মানুষের গাফিলতির কারণে টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব শিশুস্বাস্থ্যে পড়েছে।” বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনও টিকার মজুত সংকটের জন্য পূর্ববর্তী প্রশাসনের নীতিগত ভুলকে দায়ী করেছেন।
​তবে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান দাবি করেছেন, টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন করা হয়নি, বরং আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই কাজ করা হয়েছিল।
​বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন
​জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. নিজাম উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, “এই সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা বাড়তে বাড়তে ১০-২০ লাখে পৌঁছেছে। এটি কোনো রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং ম্যানেজমেন্ট ইনফিশিয়েন্সি বা ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা।” তিনি মনে করেন, হাম নির্মূলে ৯৫ শতাংশ কাভারেজ প্রয়োজন হলেও বাংলাদেশে তা কখনোই ৮০ শতাংশের উপরে যায়নি, যা হার্ড ইমিউনিটি তৈরিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca