• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ধৈর্যের পরীক্ষায় সফল সাদমান, বাংলাদেশের লড়াকু শুরু মেট্রোরেল প্রকল্পে আড়াই লাখ কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা, কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ভিডিও প্রকাশ করলেন রাশেদ খাঁন রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ নতুন মোটরসাইকেল ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করলে কী কী সুবিধা? আসিফ আকবরের গাড়িতে গুলি,সিএনজির নম্বরই শনাক্ত করতে পারছে না এআই ক্যামেরা! আত্রাইয়ে ৬৮ গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল, বাড়বে মাঠপর্যায়ের তৎপরতা ভোট গণনায় এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল, বিরোধী জোটের সামনে কঠিন সমীকরণ নবম পে স্কেলে সিনিয়রদের টপকে বড় অঙ্কের বেতন জুনিয়রদের স্টার সিনেপ্লেক্স অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম, মূল্য, শো টাইম ও বুকিং

১৫০ কিলোমিটার বেগে উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

Reporter Name / ২১ Time View
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে ঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ভারতের মৌসম ভবনের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের কাকিনাড়ার কাছাকাছি পুদুচেরির ইয়ানাম এলাকায় ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঝড়টির কেন্দ্রস্থল বাপটলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল এবং ইয়ানামের দক্ষিণের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রায় চার ঘণ্টা লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশ, ইয়ানাম ও দক্ষিণ ওড়িশার কিছু এলাকায় ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। ঝোড়ো বাতাসে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ইয়ানামের কাছে জাতীয় সড়কে বেশ কয়েকটি গাছ উপড়ে পড়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে।

ঝড়ের কারণে অন্ধ্র প্রদেশের তিনটি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বেশ কিছু ফ্লাইট। পাশাপাশি ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য দুই হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে এসব কেন্দ্রে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। গর্ভবতী নারীদেরও চিকিৎসাকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গেও। কলকাতাসহ বিভিন্ন জেলায় রাত থেকে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়েছে। বুধবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এসব জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে।

বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির কারণে ধস নামার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী শনিবার পাহাড় ও সংলগ্ন পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলসংলগ্ন সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য মৎস্যজীবীদের সতর্ক করা হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca