• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নিজের আঁকা ছবি বিদ্যালয়কে উপহার দিল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মুনহা নিজেদের তৈরি স্পিন ফাঁদেই আটকে গেল বাংলাদেশ এক প্রজ্ঞাপনে বদলি পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা জিপিএ-৫ পেলেই টেলিটকের ‘আগামী’ সিমে প্রথম রিচার্জে মিলবে ৫ জিবি ডাটা, ১০০ মিনিট ও ১০০ এসএমএস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদ্রাসা আখ্যা দিলেন বিএনপি নেতা ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে কী করবেন? রিয়াদকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা, সৌদির দুই অঞ্চলে ভূপাতিত আরও দুটি চাকরি থেকে বরখাস্ত ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন-অর-রশিদ নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ছক বিরোধীদের সৌদি আরব ছাড়তে মার্কিন সরকারি কর্মীদের নির্দেশ

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে কী করবেন?

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে অনেকেই বুঝতে পারেন না প্রথমে কোথায় যেতে হবে, থানায় জিডি করতে হবে কি না, ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের জন্য কত টাকা ফি দিতে হবে কিংবা অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব কি না। কেউ কেউ আবার লাইসেন্সের ফটোকপি বা মোবাইলে থাকা ছবি দেখিয়ে গাড়ি চালানো যাবে কি না, তা নিয়েও দ্বিধায় পড়েন। তবে চিন্তার কারণ নেই। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে হারিয়ে যাওয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরিবর্তে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়।

ড্রাইভিং লাইসেন্স শুধু একজন চালকের পরিচয়পত্র নয়; এটি নির্দিষ্ট শ্রেণির মোটরযান চালানোর আইনগত অনুমতিপত্র। তাই লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ এবং বিআরটিএর সার্ভিস পোর্টাল অথবা সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করাই হলো সঠিক পদ্ধতি।

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত সেবা প্রদান করে বিআরটিএ। এই সংস্থার মাধ্যমে নতুন লাইসেন্স, লাইসেন্স নবায়ন, সংশোধন এবং ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়। বর্তমানে বিআরটিএর অনলাইন সার্ভিস পোর্টালেও ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ও ফি পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সেবা নিতে আগের মতো বারবার অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে প্রথমে কী করবেন?

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথম কাজ হলো শান্ত থাকা এবং লাইসেন্সটি কোথায় হারিয়েছে, কখন হারিয়েছে এবং কীভাবে হারিয়েছে, তা যতটা সম্ভব মনে করার চেষ্টা করা। বাস, রিকশা, অফিস, বাজার, গাড়ি কিংবা অন্য কোনো স্থানে লাইসেন্স হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট জায়গায় খোঁজ নিতে পারেন। তবে খোঁজাখুঁজির কারণে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে দেরি করা উচিত নয়।

লাইসেন্স হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করুন। জিডিতে আপনার নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, ড্রাইভিং লাইসেন্সের নম্বর জানা থাকলে সেটি, লাইসেন্সের ধরন এবং হারানোর সম্ভাব্য সময় ও স্থান উল্লেখ করা ভালো। লাইসেন্স নম্বর মনে না থাকলে সেটি না জানার বিষয়টি পুলিশকে জানাতে পারেন। পুরোনো লাইসেন্সের ফটোকপি, ছবি, এসএমএস, বিআরটিএর আবেদনসংক্রান্ত কাগজ কিংবা অনলাইন অ্যাকাউন্টে থাকা তথ্য থাকলে সেগুলো সঙ্গে রাখুন।

জিডি করার সময় তথ্য যেন সঠিক হয়, সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন। অনুমান করে ভুল তারিখ, স্থান বা লাইসেন্স নম্বর উল্লেখ করবেন না। কোনো তথ্য নিশ্চিতভাবে জানা না থাকলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো ভালো। জিডি সম্পন্ন হলে এর কপি বা জিডি নম্বর সংগ্রহ করে নিরাপদে রাখুন। পরবর্তী সময়ে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদনে এই নথি প্রয়োজন হতে পারে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারালে জিডি করা কি বাধ্যতামূলক?

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে জিডির কপি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় নথি। বিআরটিএর প্রকাশিত ডুপ্লিকেট লাইসেন্সসংক্রান্ত নির্দেশনায় জিডির কপির পাশাপাশি ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্সের কথাও উল্লেখ রয়েছে। তাই লাইসেন্স হারানোর পর জিডি না করে সরাসরি ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন করতে গেলে আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

জিডি করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো হারানো লাইসেন্সের তথ্য সরকারি নথিতে সংরক্ষণ করা। কারণ হারানো লাইসেন্সটি অন্য কারও হাতে চলে গেলে সেটি অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকতে পারে। জিডি থাকলে আপনি কখন এবং কী পরিস্থিতিতে লাইসেন্স হারানোর বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছিলেন, তার একটি প্রমাণ থাকবে।

তবে মনে রাখতে হবে, জিডি করলেই ডুপ্লিকেট লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় না। এটি আবেদন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মাত্র। এরপর বিআরটিএর নির্ধারিত নিয়মে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে এবং প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে।

ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স কী এবং কেন প্রয়োজন?

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনে ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্সের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বিআরটিএর প্রকাশিত নির্দেশনায় জিডির কপির সঙ্গে ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ট্রাফিক-সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হতে পারে।

অনেক আবেদনকারী ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স কোথা থেকে সংগ্রহ করবেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। এ ক্ষেত্রে আপনার লাইসেন্সের তথ্য, সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিস এবং স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশের প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী করণীয় জানতে হবে। আপনার এলাকায় কোন ট্রাফিক বিভাগ থেকে এই ছাড়পত্র বা ক্লিয়ারেন্স নিতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া সবচেয়ে ভালো।

ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহের সময় লাইসেন্সের নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং জিডির কপি সঙ্গে রাখুন। কোনো ট্রাফিক মামলা বা বকেয়া সংক্রান্ত বিষয় থাকলে সেটি কীভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নিন। তবে সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের মামলা বা জটিলতা থাকবে, এমন নয়। আপনার লাইসেন্সের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে?

হারানো লাইসেন্সের পরিবর্তে ডুপ্লিকেট লাইসেন্স পেতে বিআরটিএর নির্ধারিত কাগজপত্র জমা দিতে হয়। বিআরটিএর প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী সাধারণভাবে প্রয়োজনীয় নথিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. নির্ধারিত ফরমে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন।

২. ড্রাইভিং লাইসেন্স হারানোর বিষয়ে থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) কপি।

৩. প্রয়োজনীয় ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স।

৪. নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার রসিদ।

৫. সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

এ ছাড়া আবেদনকারীর পরিচয় ও পুরোনো লাইসেন্সের তথ্য যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, লাইসেন্স নম্বর, পুরোনো লাইসেন্সের ফটোকপি বা ছবি এবং বিআরটিএর কাছে থাকা পূর্ববর্তী রেকর্ডের তথ্য প্রয়োজন হতে পারে। অনলাইনে আবেদন করলে পোর্টালে যে নথিগুলো আপলোড করতে বলা হবে, সেগুলো নির্ধারিত ফরম্যাট ও আকারে প্রস্তুত রাখুন।

সব আবেদনকারীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন এক রকম নাও হতে পারে। যেমন, লাইসেন্সের তথ্য অনলাইনে পাওয়া না গেলে, নাম বা জন্মতারিখে অমিল থাকলে কিংবা পুরোনো লাইসেন্সের রেকর্ড যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে বিআরটিএ অতিরিক্ত নথি চাইতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিস বা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের নির্দেশনা দেখে নেওয়া উচিত।

অনলাইনে ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করার নিয়ম

বর্তমানে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিভিন্ন সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়। ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের সেবাও এই পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমে বিআরটিএর নির্ধারিত সার্ভিস পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে।

বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের ঠিকানা: https://bsp.brta.gov.bd/

প্রথমে পোর্টালে প্রবেশ করে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। আগে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা না থাকলে পোর্টালের নির্দেশনা অনুসারে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় সচল মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পর ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত সেবাগুলোর মধ্যে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন অপশন খুঁজে নিন।

এরপর আবেদন ফরমে চাওয়া তথ্য পূরণ করতে হবে। আপনার নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং পুরোনো ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য যথাসম্ভব নির্ভুলভাবে লিখুন। লাইসেন্স নম্বর জানা থাকলে সেটি উল্লেখ করুন। নম্বর জানা না থাকলে পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচয় ও লাইসেন্সের রেকর্ড শনাক্ত করার ব্যবস্থা অনুসরণ করুন।

এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে বা পরিষ্কার ছবি তুলে আপলোড করুন। জিডির কপি, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স, ছবি এবং অন্যান্য চাওয়া নথি যেন স্পষ্টভাবে পড়া যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। অস্পষ্ট ছবি, অসম্পূর্ণ কাগজপত্র কিংবা ভুল তথ্যের কারণে আবেদন যাচাইয়ে সমস্যা হতে পারে।

সব তথ্য পূরণ ও নথি সংযুক্ত করার পর আবেদনটি ভালোভাবে যাচাই করুন। বিশেষ করে নাম, জন্মতারিখ, লাইসেন্স নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের মধ্যে কোনো অসংগতি আছে কি না দেখুন। এরপর পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন জমা দিন এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন। আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া আবেদন নম্বর, পেমেন্ট রসিদ ও অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন।

অনলাইন পোর্টালে কোনো নির্দিষ্ট অপশন খুঁজে না পেলে অথবা আবেদন জমা দিতে সমস্যা হলে অনুমান করে অন্য কোনো সেবা নির্বাচন করবেন না। বিআরটিএর সহায়তা নম্বর বা সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসের মাধ্যমে সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন।

সরাসরি বিআরটিএ অফিসে গিয়ে আবেদন করা যাবে কি?

অনলাইনে আবেদন করতে সমস্যা হলে অথবা আপনার লাইসেন্সের তথ্য অনলাইনে পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। সাধারণত যে সার্কেল অফিসের মাধ্যমে আপনার মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছিল, সেই অফিসে যোগাযোগ করলে লাইসেন্সের পুরোনো রেকর্ড যাচাই করা সহজ হতে পারে।

অফিসে যাওয়ার আগে জিডির কপি, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স, জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরোনো লাইসেন্সের ফটোকপি বা ছবি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি গুছিয়ে নিন। সেখানে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের নির্ধারিত আবেদন ফরম ও জমা দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন। কোনো কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আপনাকে তা জানাতে পারবেন।

সরাসরি অফিসে আবেদন করতে গেলে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—সব কাজ একই দিনে সম্পন্ন হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। নথি যাচাই, লাইসেন্সের রেকর্ড খুঁজে বের করা, ফি পরিশোধ এবং কার্ড প্রস্তুতের মতো বিভিন্ন ধাপ থাকতে পারে। তাই অফিসে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিশ্চিত করা ভালো।

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি কত?

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি সম্পর্কে আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায়ই বিভ্রান্তি দেখা যায়। কারণ বিভিন্ন ওয়েবসাইট, পুরোনো সংবাদ বা অনলাইন পোস্টে ভিন্ন ভিন্ন টাকার অঙ্ক উল্লেখ থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিআরটিএর নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য এবং আবেদন করার সময় সার্ভিস পোর্টালে প্রদর্শিত নির্ধারিত ফি অনুসরণ করা উচিত।

বিআরটিএর প্রকাশিত ডুপ্লিকেট লাইসেন্সসংক্রান্ত নির্দেশনায় হাই সিকিউরিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৬৩৩ টাকা ফি উল্লেখ রয়েছে। তবে ফি পরিবর্তিত হতে পারে বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তাই এই অঙ্ককে সব সময়ের জন্য অপরিবর্তনীয় ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। আবেদন জমা দেওয়ার আগে পোর্টালে প্রদর্শিত ফি যাচাই করুন।

আপনার আবেদন যদি পুরোনো কোনো রেকর্ড, বিশেষ ধরনের লাইসেন্স, অতিরিক্ত যাচাই বা অন্য কোনো প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আলাদা প্রক্রিয়ায় পড়ে, তাহলে ফি বা প্রয়োজনীয় নথির বিষয়েও পার্থক্য থাকতে পারে। কোনো ব্যক্তি বা দালালের কথায় নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা দেবেন না। ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে বিআরটিএর অনুমোদিত পদ্ধতি অনুসরণ করুন এবং অবশ্যই রসিদ সংরক্ষণ করুন।

ডুপ্লিকেট লাইসেন্স পেতে কত দিন সময় লাগে?

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পেতে কত দিন লাগবে, তা নির্ভর করে আবেদন যাচাই, পুরোনো লাইসেন্সের তথ্য শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সঠিকতা এবং স্মার্ট কার্ড প্রস্তুতের ওপর। সব আবেদনকারীর জন্য নির্দিষ্ট একটি সময়সীমা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

কিছু ক্ষেত্রে আবেদনকারীর তথ্য ও কাগজপত্র ঠিক থাকলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত এগোতে পারে। আবার লাইসেন্সের পুরোনো রেকর্ড খুঁজে পেতে সমস্যা হলে, তথ্যের মধ্যে অমিল থাকলে অথবা অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে বেশি সময় লাগতে পারে। তাই ২০ বা ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে লাইসেন্স পাওয়া নিশ্চিত—এমন দাবি করা ঠিক নয়।

আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন নম্বর ও পেমেন্টের তথ্য সংরক্ষণ করুন। পোর্টালে আবেদন স্ট্যাটাস দেখার সুযোগ থাকলে সেটি নিয়মিত যাচাই করুন। বিআরটিএ থেকে এসএমএস বা অন্য কোনো মাধ্যমে তথ্য জানানো হলে নির্দেশনা অনুসরণ করুন। দীর্ঘদিন কোনো অগ্রগতি না হলে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করুন।

ডুপ্লিকেট লাইসেন্স পাওয়ার আগ পর্যন্ত গাড়ি চালানো যাবে কি?

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকেই মনে করেন, লাইসেন্স হারিয়ে গেলেও জিডির কপি, লাইসেন্সের ফটোকপি কিংবা মোবাইলে থাকা ছবি দেখিয়ে গাড়ি চালানো যাবে। কিন্তু জিডি বা আবেদন রসিদ নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিকল্প নয়। একইভাবে লাইসেন্সের ছবি বা ফটোকপি থাকলেই সেটি মূল লাইসেন্সের সমান আইনগত অনুমতি হিসেবে গণ্য হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

সড়ক পরিবহণ আইন অনুযায়ী বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া পাবলিক প্লেসে মোটরযান চালানো নিষিদ্ধ। আইনের ৪ ধারায় এ বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে এবং ৬৬ ধারায় এর শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। ধারা ৪ ও ৫-এর বিধান লঙ্ঘন করলে অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড, অনধিক ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

তাই লাইসেন্স হারিয়ে গেলে ডুপ্লিকেট লাইসেন্স হাতে না পাওয়া পর্যন্ত গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ সিদ্ধান্ত। শুধু জিডি, আবেদন রসিদ বা লাইসেন্সের স্ক্রিনশট সঙ্গে রেখে রাস্তায় বের হলে আইনি জটিলতা এড়ানো যাবে—এমন ধারণা করা উচিত নয়। এ বিষয়ে আইনগত ব্যাখ্যা জানতে সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ দেখে নিতে পারেন।

লাইসেন্স নম্বর জানা না থাকলে কী করবেন?

অনেক চালক লাইসেন্সের নম্বর মুখস্থ রাখেন না। ফলে লাইসেন্স হারিয়ে গেলে নম্বর দিতে না পারায় তাঁরা সমস্যায় পড়েন। তবে নম্বর জানা না থাকলেই যে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে না, এমন নয়। আপনার পরিচয় এবং পূর্বে ইস্যু করা লাইসেন্সের রেকর্ড শনাক্ত করার জন্য বিআরটিএর সহায়তা নিতে হবে।

প্রথমে পুরোনো লাইসেন্সের কোনো ফটোকপি, স্ক্যান করা ছবি, মোবাইলের গ্যালারি, ই-মেইল, এসএমএস বা পূর্বের আবেদনসংক্রান্ত কাগজপত্র খুঁজে দেখুন। অনেক সময় লাইসেন্সের ছবি বা নম্বর কোনো পুরোনো ফাইলে সংরক্ষিত থাকে। এগুলো না পেলে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করুন।

আপনার নাম, জন্মতারিখ, পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং লাইসেন্স করার আনুমানিক সময় জানালে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রেকর্ড শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। তবে রেকর্ড পাওয়া বা শনাক্ত করার পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট অফিসের যাচাই প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।

লাইসেন্স হারানোর পর কেউ অপব্যবহার করলে কী করবেন?

ড্রাইভিং লাইসেন্সে ব্যক্তিগত পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য থাকে। তাই হারিয়ে যাওয়া লাইসেন্স অন্য কারও হাতে পড়লে সেটি অপব্যবহারের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ কারণেই দ্রুত জিডি করা জরুরি। জিডিতে লাইসেন্স হারানোর তথ্য উল্লেখ থাকলে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে আপনি বিষয়টি আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন, তার প্রমাণ দেখাতে পারবেন।

যদি জানতে পারেন কেউ আপনার হারানো লাইসেন্স ব্যবহার করছে, জালিয়াতির চেষ্টা করছে কিংবা আপনার পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অনিয়ম করেছে, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করুন। আগে করা জিডির কপি, নতুন কোনো প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরিস্থিতি অনুযায়ী নতুন করে অভিযোগ বা প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

এ ছাড়া ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন করার সময় পুরোনো লাইসেন্স হারানোর বিষয়টি সঠিকভাবে উল্লেখ করুন। কোনো তথ্য গোপন করবেন না। লাইসেন্স ফিরে পেলে বা পরে খুঁজে পেলে সেটিও বিআরটিএকে জানানো উচিত, যাতে একই ব্যক্তির নামে একাধিক কার্ড নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।

পুরোনো লাইসেন্স পরে খুঁজে পেলে কী করবেন?

অনেক সময় জিডি করার পর বা ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন জমা দেওয়ার পর পুরোনো লাইসেন্সটি পাওয়া যায়। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সিদ্ধান্তে পুরোনো ও নতুন—দুটি লাইসেন্স ব্যবহার করা ঠিক হবে না। আপনার আবেদন কোন পর্যায়ে আছে এবং ডুপ্লিকেট কার্ড ইস্যু হয়েছে কি না, তা আগে যাচাই করুন।

ডুপ্লিকেট লাইসেন্স ইস্যু হয়ে গেলে পুরোনো কার্ডের ব্যবহার নিয়ে বিআরটিএর নির্দেশনা অনুসরণ করুন। পুরোনো কার্ডটি পাওয়া গেছে—এ তথ্য সংশ্লিষ্ট অফিসকে জানান। কোনো কার্ড বাতিল, জমা বা অন্য কোনো ব্যবস্থা প্রয়োজন হলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করুন। এতে ভবিষ্যতে পরিচয় যাচাই বা আইনগত জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমবে।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারানো ঠেকাতে যেসব সতর্কতা মেনে চলবেন

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে নতুন করে আবেদন করতে সময়, অর্থ ও পরিশ্রম লাগে। তাই আগে থেকেই কিছু সতর্কতা মেনে চললে এ ধরনের সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

লাইসেন্স পাওয়ার পর এর সামনে ও পেছনের অংশের পরিষ্কার ছবি তুলে নিজের মোবাইলে সংরক্ষণ করুন। চাইলে নিরাপদ কোনো ক্লাউড স্টোরেজ বা ব্যক্তিগত ই-মেইলেও ব্যাকআপ রাখতে পারেন। তবে এসব ডিজিটাল কপি মূল লাইসেন্সের বিকল্প নয়; এগুলো মূলত নম্বর ও তথ্য পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে।

লাইসেন্স সব সময় নির্দিষ্ট একটি নিরাপদ স্থানে রাখুন। গাড়ি চালানোর সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখার জন্য আলাদা ফোল্ডার বা ওয়ালেট ব্যবহার করতে পারেন। লাইসেন্স এমন জায়গায় রাখবেন না, যেখান থেকে সহজে পড়ে যেতে পারে বা অন্য কাগজপত্রের সঙ্গে মিশে হারিয়ে যেতে পারে।

কোনো অফিস, দোকান বা প্রতিষ্ঠানে পরিচয় যাচাইয়ের জন্য লাইসেন্স জমা দিলে কাজ শেষে সেটি ফেরত নিয়েছেন কি না, নিশ্চিত হন। ভ্রমণের সময়ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একসঙ্গে গুছিয়ে রাখুন। লাইসেন্সের নম্বর আলাদা করে লিখে রাখলে হারিয়ে যাওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়ায় সুবিধা হতে পারে।

ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্ন

প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্স হারালে কি নতুন করে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে হবে?

সাধারণভাবে হারানো লাইসেন্সের পরিবর্তে ডুপ্লিকেট কার্ডের আবেদন করা হয়; এটি নতুন লাইসেন্সের আবেদন নয়। তবে আপনার লাইসেন্সের অবস্থা, রেকর্ড বা অন্য কোনো বিশেষ জটিলতা থাকলে বিআরটিএ অতিরিক্ত যাচাই করতে পারে। আপনার ক্ষেত্রে কোনো পরীক্ষা বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়া প্রয়োজন কি না, তা সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে নিশ্চিত করুন।

প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে হারানোর জন্য ডুপ্লিকেট আবেদন করা যাবে?

মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সের ক্ষেত্রে শুধু ডুপ্লিকেট কার্ডের আবেদন যথেষ্ট কি না, তা লাইসেন্সের অবস্থা ও বিআরটিএর নিয়মের ওপর নির্ভর করবে। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স এবং নবায়ন দুটি আলাদা সেবা। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জেনে নিন, আগে নবায়ন করতে হবে নাকি অন্য কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

প্রশ্ন: লাইসেন্স হারালে কি শুধু ফটোকপি দিয়ে আবেদন করা যাবে?

ফটোকপি বা ছবি পুরোনো লাইসেন্সের তথ্য শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে। তবে এটি জিডি, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স বা বিআরটিএর নির্ধারিত অন্য নথির বিকল্প নয়। পোর্টালে বা অফিসে যে কাগজপত্র চাওয়া হবে, সেগুলো জমা দিতে হবে।

প্রশ্ন: ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন করার পর কি আবেদন নম্বর দিয়ে খোঁজ নেওয়া যাবে?

আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া আবেদন নম্বর ও পেমেন্ট রসিদ সংরক্ষণ করুন। পোর্টালে স্ট্যাটাস দেখার সুবিধা থাকলে সেটি ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে আবেদন নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করুন।

প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্স হারানোর পর জিডি না করলে কী সমস্যা হতে পারে?

বিআরটিএর প্রকাশিত ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের নির্দেশনায় জিডির কপি প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। তাই জিডি না থাকলে আবেদন প্রক্রিয়ায় বাধা বা বিলম্ব হতে পারে। লাইসেন্স হারানোর পর দ্রুত জিডি করাই ভালো।

প্রশ্ন: ডুপ্লিকেট লাইসেন্স কি আগের লাইসেন্সের মতোই বৈধ?

বিআরটিএর নিয়ম মেনে ইস্যু করা ডুপ্লিকেট লাইসেন্সই হারানো লাইসেন্সের পরিবর্তে ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য নথি। তবে কার্ড হাতে পাওয়ার পর নাম, লাইসেন্স নম্বর, যানবাহনের শ্রেণি এবং অন্যান্য তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে নিন। কোনো ভুল থাকলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট অফিসে জানান।

প্রশ্ন: ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের জন্য কোথায় যোগাযোগ করব?

প্রথমে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে আবেদন ও সেবার তথ্য দেখুন। অনলাইনে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য বিআরটিএর সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যোগাযোগের তথ্য ব্যবহার করুন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্রুত জিডি করা, ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করা এবং বিআরটিএর নির্ধারিত নিয়মে ডুপ্লিকেট লাইসেন্সের আবেদন করা। পুরোনো লাইসেন্সের নম্বর বা ছবি থাকলে তা সংরক্ষণ করুন এবং আবেদন করার সময় সব তথ্য নির্ভুলভাবে দিন। ফি ও প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হতে পারে বলে পুরোনো অনলাইন পোস্টের পরিবর্তে বিআরটিএর বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করুন। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স হাতে না পাওয়া পর্যন্ত গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকুন। এতে অপ্রয়োজনীয় আইনি জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca