• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজশাহীর বাঘায় রক্ষক যখন ভক্ষকঃআইনি সহায়তা নিয়ে প্রশাসন

Reporter Name / ৩২৮ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২১

বাঘা প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা নদীতে এলাকাবাসী ও কৃষকের অভিযোগে অবশেষে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারী) দুপুরে নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশ পদ্মায় সরেজমিনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেন। একই সাথে আগামি এক দিনের মধ্যে ইজারাদারকে স্থাপনকৃত পাইপ তুলে নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

অভিযোগে জান যায়, পাকুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের লক্ষী নগর পদ্মা নদী এবং কিশোরপুর নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা নিলেও বর্তমানে তিনি অবৈধ ভাবে পাকুড়িয়া এলাকার কামাল দিয়ার মৌজা থেকে বালু তুলছিলেন। এতে করে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং প্রতিকার চেয়ে অভিযোগ করেন।

অথচ এক সময় রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পাশদিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু ও ভরাট উত্তলন এবং জোর পূর্বক ভাবে সরকারী রাস্তার উপর দিয়ে পাইপ দেওয়ার প্রতিবাদে “মানববন্ধন” করেছিলেন রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ। এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে এই মানব বন্ধন করাতে বাহবা পেয়েছিলেন তিনি। হয়েছিলেন এলাকাবাসীর সুখে দুঃখের সাথী।

সেই বাহবাপাওয়া চেয়ারম্যান এখন নিজেই বালু মহলের ইজারাদার। তিনি ভাবছেন না কৃষক ও এলাকাবাসীর ক্ষতির কথা। জেলা প্রশাসক ও খনিজ মন্ত্রণালয় থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি পেয়েছেন রাজাপুর লক্ষী নগর ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কিশোরপুর। কিন্তু অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করছিলো কালিদাসখালি এলাকার কামাল দিয়ার মৌজায়।

স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীরা বলেন, পাকুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম (মেরাজ) সম্প্রতি কৃষি ফসলী জমি ক্ষতি করে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে আসছিল। কালিদাসখালি এলাকায় অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনের ফলে নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ অন্য দিকে শত শত বিঘা ফসলী জমি সহ এলাকার ঘর-বাড়ি ও গাছপালা ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার সম্ভাবনা ।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, আমরা সাধারণ অসহায় কৃষক আর সে প্রভাবশালী নেতা আবার চেয়ারম্যান। তার সাথে আমরা কি পেরে উঠতে পারবো ? এর আগে তার বাবা রাকিব সরকার এই বালু মহল ইজারা নিতো। সে মারা যাবার পর একবার জাতীয় পার্টির রিন্টু সরকার, মহিদুল সরকার ও মামুন হোসেন নিয়েছিলেন। তখন চেয়ারম্যান মেরাজ এলাকা বাসীদের নিয়ে মানব বন্ধন করেছিল। এবার সে ইজারা পেয়েছে তাই কোন মানব বন্ধন নেই। এখন নিজের টা নিয়ে সবাই ব্যস্ত, কেউ সাধারণ অসহায় মানুষের কথা ভাবে না। আর ভাবলে এই ভাবে আমাদের ক্ষতি করে বালু উত্তলন করতে পারতো না। আর তাই এখন তাদের চলমান ও আগামীদিনের ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে পররাষ্ট্র প্রতিমুন্ত্রী বাঘা চারঘাটের মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলমের কাছে আকুল আবেদন জানান এলাকাবাসীরা।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় কৃষক মৌখিক ভাবে একাধিক বার অভিযোগ করেছিলেন বালি মহলের ইজারাদার ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজ এর কাছে। মৌখিক অভিযোগে কোন ফল পাননি কৃষকেরা। রক্ষক যখন ভক্ষক হয় তখন আইনের আশ্রয় ছাড়া কি আর করার আছে এইসকল অসহায় এলাকাবাসীর।

এ জন্য প্রতিকার চেয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সাংসদ সদস্যের নিকট একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারী)দুপুরে সরেজমিন বাঘা থানা পুলিশকে সাথে করে ঘটনা স্থালে যান এবং বালু উত্তোলন বন্ধ করেদেন। একই সাথে আগামি এক দিনের মধ্যে ড্রেজার সহ পাইপ সরিয়ে ফেলারও নির্দেশ প্রদান করেন।

নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, বাঘার পদ্মায় জেলা প্রশাসক ও খনিজ মন্ত্রণালয় থেকে যে স্থানে বালু উত্তোলনের নির্দেশ রয়েছে সেই স্থানটির নাম চক রাজাপুর ইউনিয়নের লক্ষী নগর ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কিশোরপুর। অথচ বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল কালিদাসখালি এলাকার কামাল দিয়ার মৌজায়। এ কারণে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একই সাথে পাইপসহ ড্রেজার সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সহ ঘর-বাড়ী নির্মাণের ক্ষেত্রে বালির প্রয়োজন আছে। এলাকারবাসীর স্বার্থে ইজারাকৃত স্থানে এই মূহুর্তে ভালো বালি না পাওয়ায় অন্য স্থানে তুলছিলাম। বাধা এসেছে এখন থেকে বন্ধ রাখবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca