কুষ্টিয়ার দৌলতপুর খাদ্যগুদামে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ অভিযানে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির খাদ্য বিতরণের নথিপত্র যাচাই করে বেশ কিছু অসংগতি পেয়েছে দুদক।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরের দিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)'র কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বুলবুল আহমেদের নেতৃত্বে উপজেলা খাদ্যগুদামে এ অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় খাদ্যগুদামের কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে দুদক।
বুধবার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত দৌলতপুর উপজেলা খাদ্যগুদামে এ অভিযান চালানো করা হয়।
এ অভিযানে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় খাদ্যশস্য বিতরণ ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত নথিপত্র পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বেশ কিছু নথিতে অসংগতি ধরা পড়ে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)'র কুষ্টিয়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বুলবুল আহমেদ জানান, বুধবার দুপুরে আমরা দৌলতপুর খাদ্যগুদামে অভিযান চালায়। অভিযানকালে খাদ্যগুদামের নানা বিষয় নিয়ে তদন্ত করা হয়।
এ সময় বেশ কিছু নথিপত্রে অসংগতি পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।
সম্প্রতি দৌলতপুর উপজেলা খাদ্যগুদামে সরকারি চাল বিতরণ ও সংরক্ষণে অনিয়ম এবং চাল চুরির অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে খাদ্যগুদামের চাল বিতরণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসে।
সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে সোমবার সকালে এক আদেশে ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা সেলিম রেজাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তা আল ওয়াজিউর রহমান জানান, সংবাদ প্রকাশের পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে সেলিম রেজাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।