• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তিতাসে ৫৯২ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প, গ্যাস নিয়ে মিলতে পারে বড় সুখবর একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, বড় চমক কোন খাতে? সেন্টমার্টিন ভ্রমণে সুখবর, কাল থেকে কোন জাহাজ কখন ছাড়বে? পোরশায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা। ব্যবসায়ী মানিক হত্যা মামলায় বাবা ও দুই ছেলের যাবজ্জীবন এআইয়ের চাপে ক্যানভায় বড় ছাঁটাই, ১২০০ কর্মীর সামনে অনিশ্চয়তা সেন্টমার্টিনে অগ্নিনিরাপত্তায় কোস্ট গার্ডের যৌথ মহড়া নতুন এনআইডি পেয়েই বিপাকে প্রবাসী, তাঁর নামে ১৮টি সিম নিবন্ধন ঢাবিতে ৯ মাসের বিনা মূল্যের রুশ ভাষা কোর্স চালুর উদ্যোগ দৌলতপুর খাদ্যগুদামে দুদকের অভিযান, নথিতে মিলল অসংগতি

ব্যবসায়ী মানিক হত্যা মামলায় বাবা ও দুই ছেলের যাবজ্জীবন

Reporter Name / ২০ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

সাধন সাহা জয়,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ব্যবসায়ী মানিক মিয়া হত্যা মামলায় বাবা ও তাঁর দুই ছেলেকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক অসীম কুমার দে এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন কসবা উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামের মোতাহার মিয়া এবং তাঁর দুই ছেলে মনির মিয়া ও কামাল মিয়া। রায় ঘোষণার সময় কামাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর দুই আসামি মোতাহার মিয়া ও মনির মিয়া পলাতক রয়েছেন।

মামলার অপর ছয় আসামি হলেন রুবেল মিয়া, শরীফ মিয়া, মনোয়ারা বেগম, মোছা. জিয়াসমিন ও খাদিজা বেগমসহ আরও একজন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত খালাসের আদেশ দেন।

মামলার এজাহার ও অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, নিহত মানিক মিয়া কসবার নিমবাড়ি এলাকার একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। প্রতিবেশী মনির মিয়ার সঙ্গে তাঁর টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে প্রায়ই বাকবিতণ্ডা হতো।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রাতে টাকার বিষয়ে আলোচনার কথা বলে মানিক মিয়াকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে গেলে মনির মিয়াসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা মানিকের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হেলেনা আক্তার বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের নভেম্বরে পুলিশ নয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অপর দুইজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাঁদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

দীর্ঘ সাত বছর ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি মামলার অপর ছয় আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী সারওয়ার-ই-আলম বলেন, তাঁরা আশা করেছিলেন সব আসামি বেকসুর খালাস পাবেন। এ রায়ে তাঁরা সংক্ষুব্ধ। তাই উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফখরুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাদীপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। যাঁদের সাজা দেওয়া হয়েছে, তাঁরাই হত্যাকাণ্ডে আঘাত করেছিলেন। আদালতের রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca