• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‎সুন্দরবনে অবমুক্ত বাঘিনীর রহস্যময় অন্তর্ধান: ৪০টি ক্যামেরায় মিলছে না অস্তিত্ব ‎ ‎ নাচোলে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন নাচোলে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত নাচোল উপজেলা আ,লীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আটক ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পেলেন ইউপি সদস্য নাচোলে মাদক, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং বিষয়ক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মোবাইল অ্যাপসে মুরগির খামার নিয়ন্ত্রণ নাচোলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে নাচোলে নতুন কুড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর দেশ সেরা শামিমকে সংবর্ধনা নাচোলে ডাসকো’র উদ্যোগে ৩২তম আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত

সাপাহারে আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবী আমচাষীদের

Reporter Name / ৩২৪ Time View
Update : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১

মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: ইতিমধ্যে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা খ্যাতি লাভ করেছে আমের রাজধানী হিসেবে। দেশের সর্ববৃহৎ আমের হাট বসে এ উপজেলায়। কৃষি নির্ভরশীল এ উপজেলায় বেশিরভাগ কৃষক এখন আম চাষে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় আম চাষে অধিক লাভবান হবার ফলে এ অঞ্চলে দিনের পর দিন বাড়ছে আম চাষের প্রবণতা। কিন্তু এ অঞ্চলে আম সংরক্ষণাাগার ও আম গবেষণা কেন্দ্র না থাকার ফলে বিপাকে পড়ছেন আমচাষীরা। যার ফলে আম সংরক্ষণাগার ও আম গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের জোর দাবী স্থানীয় আমচাষীদের।
সুত্রানুযায়ী জানা গেছে এ উপজেলায় চলতি বছরে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। যাতে করে আম গাছের বিভিন্ন রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের সংক্রমন কমবেশি লেগেই থাকে। যার ফলে প্রতিষেধক হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানীর বালাইনাশক স্প্রে করছেন চাষীরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পুরো দস্তর নজরদারী রাখার ফলে অনেকাংশেই বিপদমুক্ত থাকেন এলাকার আমচাষীরা। কিন্তু আমের বিভিন্ন রোগ বালাই নির্ণয়ের জন্য নেই কোন গবেষণাগার।আম সম্পৃক্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোন গবেষক থাকতেন তাহলে তাদের পরামর্শক্রমে আরো সুষ্ঠ ভাবে আমের যত্ন করতে পারতেন কৃষকেরা বলে দাবী করছেন একাধিক আমচাষী।
স্থানীয় আমচাষী বাপ্পী এ প্রতেবেদককে জানান, আমরা আম চাষ করছি অনেকটা নিজেদের অভিজ্ঞতার উপর। যখন বেশি প্রয়োজন হয় তখন আমরা কৃষি কর্মকর্তার স্বরণাপন্ন হই। তাপরেও যদি এ অঞ্চলে একটি আম গবেষণাগার কেন্দ্র থাকতো তাহলে হয়তো আমরা আরো ভালো ফলাফল পেতাম।
আমচাষী আনোয়ার জানান, অনেক সময় প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে আম ঝরে যায়। যে আমটা আমরা বিক্রি করতে পারিনা। আবার বিক্রি করতে পারলেও একেবারে পানির দরে বিক্রি করতে হয়। অনেক সময় প্রতিমন ঝরা আম বিক্রয় করতে হয় ৩০/৪০ টাকায়। কিন্তু ওই ঝরা আমটা যদি সংরক্ষণ করা সম্ভব হতো তাহলে কৃষক সেই কাঁচা আমটা সঠিক মূল্যে বিক্রি করতে পারতো।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কল্যাণ চৌধুরী বলেন, “ এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে। আমাদের সাপাহার উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে সেখানে আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হবে”।
এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহাজান হোসেন মন্ডল বলেন, “ আমাদের সাপাহার উপজেলায় যাতে আম সংরক্ষণাগার ও গবেষণাগার স্থাপন করা হয় এ বিষয়ে মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলবো”।
সর্বপোরী সাপাহার উপজেলায় আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হোক এটি বর্তমানে স্থানীয় আমচাষীদের প্রাণের দাবী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca