• বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আগুনমুখা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ড্রেজারের পাঁচ শ্রমিককে তিন মাসের জেল, একজনকে জরিমানা রাজসম্মান-ধন সব ছেড়ে ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে রংপুর জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বিক্রি হওয়া শিশুকে ফেরত পেল পরিবার নাচোলে বিদ্যুৎ এর ৪০০/১৩২ কেভির সাবস্টেশন নির্মানের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, প্রতিকার চেয়ে ইউএনও বরাবার আবেদন গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ নাচোলে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান : জরিমানা ৮১ হাজার টাকা। নোয়াখালীতে অবৈধ সিএনজি-রিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করায় ২ আনসার সদস্যকে ছুরিকাঘাত করেছে চাঁদাবাজরা গোমস্তাপুরে চেয়ারম্যান পদে ২ জন ও সদস্য পদে ১৫ জনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার  গোমস্তাপুর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত



সাপাহারে আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবী আমচাষীদের

Reporter Name / ৩৩ Time View
Update : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১



মনিরুল ইসলাম, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি: ইতিমধ্যে নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা খ্যাতি লাভ করেছে আমের রাজধানী হিসেবে। দেশের সর্ববৃহৎ আমের হাট বসে এ উপজেলায়। কৃষি নির্ভরশীল এ উপজেলায় বেশিরভাগ কৃষক এখন আম চাষে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় আম চাষে অধিক লাভবান হবার ফলে এ অঞ্চলে দিনের পর দিন বাড়ছে আম চাষের প্রবণতা। কিন্তু এ অঞ্চলে আম সংরক্ষণাাগার ও আম গবেষণা কেন্দ্র না থাকার ফলে বিপাকে পড়ছেন আমচাষীরা। যার ফলে আম সংরক্ষণাগার ও আম গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের জোর দাবী স্থানীয় আমচাষীদের।
সুত্রানুযায়ী জানা গেছে এ উপজেলায় চলতি বছরে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। যাতে করে আম গাছের বিভিন্ন রোগ বালাই ও পোকা মাকড়ের সংক্রমন কমবেশি লেগেই থাকে। যার ফলে প্রতিষেধক হিসেবে বিভিন্ন কোম্পানীর বালাইনাশক স্প্রে করছেন চাষীরা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পুরো দস্তর নজরদারী রাখার ফলে অনেকাংশেই বিপদমুক্ত থাকেন এলাকার আমচাষীরা। কিন্তু আমের বিভিন্ন রোগ বালাই নির্ণয়ের জন্য নেই কোন গবেষণাগার।আম সম্পৃক্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোন গবেষক থাকতেন তাহলে তাদের পরামর্শক্রমে আরো সুষ্ঠ ভাবে আমের যত্ন করতে পারতেন কৃষকেরা বলে দাবী করছেন একাধিক আমচাষী।
স্থানীয় আমচাষী বাপ্পী এ প্রতেবেদককে জানান, আমরা আম চাষ করছি অনেকটা নিজেদের অভিজ্ঞতার উপর। যখন বেশি প্রয়োজন হয় তখন আমরা কৃষি কর্মকর্তার স্বরণাপন্ন হই। তাপরেও যদি এ অঞ্চলে একটি আম গবেষণাগার কেন্দ্র থাকতো তাহলে হয়তো আমরা আরো ভালো ফলাফল পেতাম।
আমচাষী আনোয়ার জানান, অনেক সময় প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে আম ঝরে যায়। যে আমটা আমরা বিক্রি করতে পারিনা। আবার বিক্রি করতে পারলেও একেবারে পানির দরে বিক্রি করতে হয়। অনেক সময় প্রতিমন ঝরা আম বিক্রয় করতে হয় ৩০/৪০ টাকায়। কিন্তু ওই ঝরা আমটা যদি সংরক্ষণ করা সম্ভব হতো তাহলে কৃষক সেই কাঁচা আমটা সঠিক মূল্যে বিক্রি করতে পারতো।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কল্যাণ চৌধুরী বলেন, “ এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে। আমাদের সাপাহার উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে সেখানে আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হবে”।
এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহাজান হোসেন মন্ডল বলেন, “ আমাদের সাপাহার উপজেলায় যাতে আম সংরক্ষণাগার ও গবেষণাগার স্থাপন করা হয় এ বিষয়ে মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলবো”।
সর্বপোরী সাপাহার উপজেলায় আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হোক এটি বর্তমানে স্থানীয় আমচাষীদের প্রাণের দাবী।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category