• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গ্রুপিং লবিং আর দ্বন্দ্ব প্রকট- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাংবাদিক সমাজ অতীত বর্তমান

Reporter Name / ১৯২ Time View
Update : বুধবার, ২ জুন, ২০২১

সারা বাংলাদেশ প্রবীণ, মৃত সিনিয়র সাংবাদিকদের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। দেশে মৃত ও জীবীত সাংবাদিক পরিবারের হাতে এসব টাকা প্রদান করা হয়েছে। অথচ ভাবতে ঘেন্না আর কষ্ট হয় যে, এখানকার সাংবাদিক নেতাদের চোখে তাদের থেকে বড় সাংবাদিক জেলায় নেই। তারাই সবকিছু। এ সব সাংবাদিক নেতারা আবার বিরাট বিরাট শিল্পপতির পকেট এডভাইজার। কেউকেউ তো প্রকাশ্যেই তাদের নিয়ে নামিদাবি গাড়িতে চড়ে একসাথে প্রোগ্রামে থাকে।

জেলায় সাংবাদিক মরহুম নাজাত কাকু, মরহুম সুইট ভাই, মরহুম বুলবুল কাকু, টুকু চাচা, মিজান চাচা, বাদল চাচা, সালাউদ্দিন ভাই, মরহুম স্বপন ভাই, জীবীত তালেবুন নবী, তসলিম কাকু, জবদুল কাকু, নাসিম কাকা, মাসুম ভাই, রঞ্জু চাচা, রফিক, ভাই, কামাল ভাই, জোনাব আলী চাচা, মন্টু কাকু, সাজু চাচা, শিশির ভাই, ভোলাহাটে কবির চাচা, শিবগঞ্জে কামাল চাচা, শফিকুল চাচা, সাজিদ ভাইসহ প্রবীণ সাংবাদিক থাকলেও তাদের ভাগ্যে আটানা পয়সাও আসেনি। কেন??

কোন সাংবাদিক নেতাকে লিস্ট করা হলো যে একজনও পেল না সাংবাদিক চাঁপাইনবাবগঞ্জে। ধিক্কার তাদের প্রতি যারা সিনিয়রদের বাদ দিয়ে নিজেদের সাংবাদিক নেতা ভাবেন। বড়দের সম্মান না করলে কেউ কোনদিন বড় হতে পারে না।

জেলায় সিনিয়র সাংবাদিক আছে এটা তারা মনে হয় মানে না। যদি মানত তাহলে ঠিকই লিস্ট যেত কিন্তু যায়নি। সাংবাদিক নেতারা তো একাই একশ। ওরা আবার প্রবীণ বা যাদের কাছে শিখে আজ যারা বড়বড় নেতা সাংবাদিক তারাই সব। আর তারাই আবার বিশাল বিশাল সিন্ডিকেট বিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

আমি কপোত নবী ৮০’র দশক থেকে এখন পর্যন্ত চারিপাশে সাংবাদিক বৃত্ত বা তার ভেতরেই বড় হয়েছি। খুব কাছ থেকে দেখে আসছি সাংবাদিকতা। শিখেছি জেনেছি একটুএকটু করে। অতএব প্রবীণ ও সিনিয়রদের যারা মূল্যায়ন করে না সে সব সাংবাদিক নেতাকে ঘৃণা ভরে বয়কট করলাম কেয়ামত পর্যন্ত।

আপনারা আর যায় হন গণমাধ্যম নেতা হবার যোগ্যতা তো দূরের কথা সাংবাদিক বলতে আমার বাঁধে। তাই বলে যে অসম্মান বা তাদের সাথে বেয়াদবি করি মোটেও না। কারণ সে শিক্ষা আমার সাংবাদিক মহল দেয়নি।

পরিশেষে অনুরোধ সিনিয়রদের পিঠে ছুরি মেরে কেউ বড় হতে পারেনি আপনারাও পারবেন না। অনেকে বলবেন ঐ সব সাংবাদিকের নাম বলেন। আমি বলি শহরে তদন্ত করেন নাম বলতে হবে না জেনে যাবেন। এ জাতটির সদস্য আমিও। তাই কষ্ট লাগে আমারও।

মনে রাখবেন পৃথিবীর কোথাও রেকর্ড নেই, অহংকার করে, ভাব দেখিয়ে, বড়বড় হর্তাকর্তা ও প্রশাসনের সঙ্গে উঠাবসা করে কেউই টিকে থাকতে পারেনি। এক জাতি, এক সংগঠন ও শক্তিশালী করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাব নামে একটাই প্রেসক্লাব করা হোক। যেখানে সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর, রহনপুর, ভোলাহাট মোটকথা ৩টি আসনের এক প্রেসক্লাব। আর তাই আমিও সদ্য সোনামসজিদ স্থল বন্দর প্রেসক্লাব ও পদ থেকে অব্যহতি দিয়েছি।

এতে যেমন থাকবে না কোন গ্রুপিং লবিং, থাকবে না কোন অযোগ্য সভাপতি সেক্রেটারি। মেরুদন্ড মজবুত হবে অধীক। জানি এটা স্বপ্নেও হবার নয়। তবু নিজ প্রস্তাব দিতে কোন বাঁধা নেই। আল্লাহ আপনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিকদের উপর রহমত বর্ষিত করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca