• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা,মামলা এবং নির্যাতনের ঘটনায় বিএমএসএফের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ

Shadesh Mahato / ২৩৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

 

ঢাকা শুক্রবার ১৬ জুলাই ২০২১: বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিগত নয় বছরে বাংলাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানি, হামলা, মামলার ঘটনাসমূহ নিয়ে বিএমএসএফ এর তথ্য, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে সাংবাদিক নির্যাতন রোধকল্পে করনীয় সংক্রান্ত বিষয়ে জরুরি ৫ দফা সুপারিশমালাও সংযুক্ত রয়েছে।
১৫ জুলাই বিকেল ৫ টায় বিএমএসএফ এর সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশ করেন এবং আজ ১৬ জুলাই তা গণমাধ্যমে পাঠান।
প্রতিবেদনে বিগত ৯ বছরে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,মামলা এবং নির্যাতনের ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বিগত বছর ছাড়াও চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছয় মাসে শুধু সংবাদ প্রকাশের কারণেই সারাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও আইসিটি এ্যাক্টে ১৫২ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার কথা উল্লেখ রয়েছে এবং একই সময়ে হামলাসহ নানা অমানবিকতায় আরো ১৭৩ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। ২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৭০টি মামলার মধ্যে ৭২টি মামলাই হয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। ইদানিংকালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীগণ কর্তৃক মামলা করার প্রবণতা অত্যধিক ভাবে বেড়েছে। ওই বছর আহত হন ২৯৬ জন সাংবাদিক।

প্রতিবেদনটিতে দাবী করা হয়,২০২০ সালে ১৬০০ সাংবাদিক চাকুরি হারিয়েছেন। অপরদিকে; পেশার অনিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা অনিশ্চিত থাকা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্যতায় নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষাকল্পে মেধাবী সাড়ে চারশ’ সাংবাদিক স্বেচ্ছায় পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। তারা কেউ ভিন্ন পেশায় মনোনিবেশ করেছেন, কেউবা ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কোনভাবেই তারা আর সাংবাদিকতায় ফিরে আসতে রাজি নন। এটা এই পেশার জন্য কতোটা উদ্বেগজনক, কতোটা কষ্টের তা বোধকরি ব্যাখ্যারও প্রয়োজন পড়ে না। ধারাবাহিক নির্যাতনের কারণেও কেউ কেউ সাংবাদিকতা ছেড়ে দিচ্ছেন। কেউ বলছেন আর নিউজ করবেন না। কেউবা ঝুঁকির আশঙ্কায় অপরাধে জড়িতদের নাম পরিচয় বাদ দিয়ে ও প্রকৃত সত্য ঘটনা এড়িয়ে দায়সারা গোছের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

এক বছরেই নির্যাতিত ২৪৭ সাংবাদিক
২০২০ সালে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা, সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২৯৬ জন সাংবাদিক। আর এতে প্রাণ হারিয়েছেন দুজন। মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এর দেওয়া আরেক প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ‘করোনাকালেও মত প্রকাশের অধিকার খর্ব করে দমন-পীড়ন বেড়েছে। বিশেষ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও গ্রেফতার বৃদ্ধি পেয়েছে। আসকের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটের তথ্য মতে ২০২০ সালে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ৭২টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হয়রানিমূলক মামলা দেয়া হয়েছে।

দেশের ১৬টি স্থান সাংবাদিকদের জন্য ভয়ঙ্কর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে। এতে বলা হয়,
দেশের ৯ জেলার ১৬টি পয়েন্ট সাংবাদিকদের জন্য ‘ভয়ঙ্কর’ হয়ে উঠেছে। এসব স্থানে দফায় দফায় সাংবাদিক নীপিড়ন, নির্যাতন, মামলা হয়রানি এমনকি হত্যাকান্ডও ঘটেছে। বিপজ্জনক স্থানসমূহে ক্ষমতাসীন দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, চিহ্নিত অপরাধী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমনকি বিরোধী দলের নেতা কর্মিরাও সাংবাদিকদের উপর হামলা চালাতে দ্বিধা করছেন না। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, দলীয় চরম কোন্দলে জর্জরিত নেতারা সাংবাদিকদেরও পক্ষে বিপক্ষে ঠেলে দেন এবং পরস্পর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিনত করেন। সারাদেশেই কমবেশি সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির ঘটনা ঘটলেও সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে হুমকিপূর্ণ এলাকাগুলো হচ্ছে, পাবনা, জামালপুর, কুষ্টিয়া, কক্সবাজার, নোয়াখালী, ঢাকার সাভার ও ধামরাই, গাজীপুর সদর ও টঙ্গী, নারায়নগঞ্জের সদর, সোনারগাঁও ও রুপগঞ্জ, ঝালকাঠি জেলার সদর ও রাজাপুর। এছাড়া খোদ রাজধানীতেও উত্তরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী এলাকা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণকালে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

বিএমএসএফ এর তথ্য, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ বিভাগের কর্তৃক প্রণীত গবেষণা প্রতিবেদনের বিষয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহমত পোষন করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

পর্যবেক্ষন প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করেছেন বিএমএসএফের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাঈদুর রহমান রিমন ও তথ্য, গবেষনা ও প্রশিক্ষণ বিভাগের সম্পাদক আবুল হাসান বেলাল। প্রতিবেদনটি সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে বলে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca