• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

গোমস্তাপুরে অর্থাভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু তালহার চিকিৎসা ব্যাহত

শফিকুল ইসলাম / ২৪২ Time View
Update : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১

শফিকুল ইসলাম,গোমস্তাপুর:
বিনা খাতুন, বয়স মাত্র ২৭ বছর, স্বপ্ন দেখেছিল একটি সুন্দর সংসারের, কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি । গত ২০১৬ সালে প্রেম করে বিয়ে করেন টাঙ্গাইল জেলার রাসেলকে। পেশার একজন সিএনজি চালক। তবে ভালই চলছিল তাদের সংসার। এই মাঝে ঘরে আসে একটি ফুটফুটে সন্তান। সন্তানকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাটচকপুর উপজেলার রহনপুর পৌর এলাকার উদয়নগর মহল্লায়
বাবা জাকির হোসেনের বাড়ি বেড়াতে আসে বিনা। তার পর থেকে রাসেল আর কোন খোঁজ খবর নেয়নি স্ত্রী ও সন্ত্রানের। বিনা কয়েকবার রাসেলকে ফোন করলেও তার ব্যবহারিত ফোনটি ধরেছে অন্যজন। এ অবস্থায় বিনার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন শিশু সন্তান আবু তালহা।
আবু তালহার মা জানান,শিশুটির বয়স যখন মাত্র দেড় বছর তখন হঠাৎ চোখের ব্যথা শুরু হয়। গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষুধ খাওয়াতে থাকি ; কিন্তু সমস্যাটি বেড়ে যায় কয়েকগুন। বেগতিত দেখে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যাবার পরামর্শ দেয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে। রামেকে চিকিৎসায় ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার। এ রোগের খবর শুনে পরিবারে মাঝে নেমে আসে অন্ধকারের ঘনঘটা। এদিকে চোখের ব্যথা শুরু হয়ে আস্তে আস্তে তা ক্রমশ: বাড়তে থাকে; কিন্তু মা হয়ে থেমে থাকতে পারি না। সন্তানের আর্তনাদ শুনে ভাল চিকিৎসার করার জন্য দ্বারে-দ্বারে,পথে-পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। রোগাক্রান্ত তালহা স্বাভাবিক ভাবে চোখে দেখতে পায় না। ২ মাস আগে তার ডান চোখের মণি নষ্ট হয়ে যায়। ১৫দিন পর অপর চোখটিও নষ্ট হয়ে গেছে। এখন সতার দু’টি চোখ অন্ধ। ব্যথার যন্ত্রণায় সারাক্ষণ চিৎকার দিয়ে কাঁদে। মা হয়ে আর সইতে পারিনা। অর্থ চিকিৎসা ও বন্ধ হয়ে গেছে। তালহার মা বিনা খাতুন জানান, একান্ত বাধ্য হয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশ-বিদেশের বিত্তবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করছি শিশু তালহার জন্য।
সহযোগিতায়: আবু তালহার মামা (জাহান আলী)- ০১৭৪৯৫৩০৪২০ (বিকাশ)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca