• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পেয়ে স্বপ্ন বুনছেন গৃহহীন

Reporter Name / ৪২৩ Time View
Update : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১

ঝালকাঠিতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্বপ্নের পেয়ে খুশীতে আত্মহারা ভুমিহীন পরিবার

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র ও ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে দেওয়া ঘর নির্মাণে অনিয়মের বিষয় নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় শুরু হলেও ঝালকাঠির রাজাপুরের ৩৭০ ভূমিহীন পরিবার ওইসব ঘর পেয়ে তারা এখন মহাখুশীতে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের চোখে এখন নতুন জীবনের স্বপ্ন।

যদিও প্রথম দিকে নির্মাণকালীন সময়ে কয়েকটি ঘরে কিছু সাধারণ ত্রুটি দেখা দিলেও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষনিকভাবে ওই সব ঘরের ত্রুটিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামত করে দেওয়া হয়। আর এরপর থেকেই এ উপজেলায় ঘরের ত্রুটির বিষয়ে উপকারভোগীদের কাছ থেকে আর কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আশ্রায়ণ প্রকল্পের বসবাসকারীদের সুবিধার জন্য রয়েছে বিশুদ্ধ পানির গভীর নলকূপ, প্রতিটি ঘরে আছে বিদ্যুৎ। এক কথায় বলতে গেলে এখানকার- ৩৭০ ভুমিহীন পরিবারই প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া ওইসব ঘর পেয়ে তারা এখন পরিবার নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবেই জীবন যাপন করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় গৃহহীনদের জন্য প্রথম ধাপে ৩৩৩ বসতঘর করে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাক। প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ২২ ফুট ৪ ইঞ্চি ও প্রস্থ ১৯ ফুট ৬ ইঞ্চি। ঘরগুলো মেঝে পাকা, সামনে খোলা বারান্দা, পাশে ইট উপরে টিন দিয়ে নির্মিত হয়েছে। ভিতরে রয়েছে রান্না ঘর ও টয়লেটের ব্যবস্থা।

দ্বিতীয় ধাপে ৩৭ বসতঘর করে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যকেটির ঘরের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৯০হাজার টাকা। দ্বিতীয় ধাপের প্রকল্পের প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ২২ ফুট ৮ ইঞ্চি, ও ১৯ ফুট ৬ ইঞ্চি। ঘরগুলো মেঝে পাকা, সামনে খোলা বারান্দা, পাশে ইট উপরে টিন দিয়ে নির্মিত হয়েছে। ভিতরে রয়েছে রান্না ঘর ও টয়লেটের ব্যবস্থা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী পলি (২৫) বেগম বলেন, কোনও রকম একটি ঝুপড়ি ঘরের মধ্যে বাস করতেন। টাকাপয়সার অভাবে ঘর করতে পারেননি। বর্ষা ও শীতে অনেক কষ্ট পেতেন। এখন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঘরে থাকবেন। এখানে বিদ্যুৎ পাইছি, খাবার বিশুদ্ধ পানি পাইছি। এখন
আর কষ্ট হবে না।

ভুমিহীন বাদশা (৩০) বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের মতো কাজ করেছেন। নিজের মতো করে পরিবার নিয়ে ঘরে থাকি–এর চেয়ে খুশি আর কী হতে পারে। আগে আমার অনেক কষ্টে দিন কাটতো এখন অনেক সুখে আছি। তার চোখেমুখে হাসির ঝিলিক।

আশ্রয়ণ প্রকল্পে উপকারভোগী দেলোয়ার হোসেন দিলু (৬৫) বলেন,আগে মোর কোনো ঘর আলহে না। এখন সরকার মোর জন্য ঘর বানাইয়া দিছে। মুই এই ঘরেতে থাকি। মোরা এহানে যারা থাকি সবাই খুব খুশি, এই আনন্দ মুই বোঝাতে পারমু না। মুই শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।

ওষোত ব্রম্ম (৫০) বলেন, আগে মুই রাজাপুরে ভাড়া বাসায় থাকতাম, মোর ঘর আলহে না। মুই ছোট একটা দোকানে মেকারের কাজ করি টাকা যা পাই হে ঘর ভাড়া দিলে ঠিক মতো খাইতে পারি না, এজন্য খুবই সমস্যাতে আলহাম। বিনা টাকায় প্রধানমন্ত্রী মোরে ঘর করে দেওয়ায় সে সমস্যা দূর হইছে।

রাজাপুর উপজেলার ছয় ইউনিয়নে যাদের জমি ও ঘর নেই, এমন ৩৭০ পরিবারের মাধ্যে এসব ঘর বিতরণ করা হয়েছে। ঘর পেয়ে খুশি এলাকার অসহায় মানুষেরা। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন জানান, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প ২ এর আওতায় রাজাপুর উপজেলায় সারা দেশের ন্যায় প্রথম পর্যায় ৩৩৩টি ঘরের ঘর প্রতি বরাদ্দ ছিল এক লাখ ৭১ হাজার টাকা এর মধ্যে মাটি ভরাটের কোনো বরাদ্দ ছিল না এবং দ্বিতীয় পর্যায় ৩৭টি ঘরের ঘর প্রতি বরাদ্দ ছিল এক লাখ ৯০হাজার টাকা।এর মধ্যে মাটি ভরাটের জন্য কিছু বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায় সর্বমোট ৩৭০টি গৃহের মাঝে ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে আমরা রাত-দিন আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির মাধ্যমে গৃহহীনদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে গৃহনির্মাণ প্রায় শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কেবল কয়েকটি ঘরের রং করণ বাকী আছে। এর ফলে সমাজের অবহেলিত মানুষগুলোর সামাজিক মূল্যায়ন বৃদ্ধিসহ প্রাত্যহিক জীবনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca