• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও শিবগঞ্জ উপজেলায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত, ত্রাণ নিয়ে ছুটে গেলেন ডিসি

Reporter Name / ২২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১

ডি এম কপোত নবী,নিজস্ব প্রতিবেদক,চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা, পাগলা ও পদ্মা নদীতে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শিবগঞ্জ উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নের ১৭টি ওয়ার্ডের প্রায় ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় জীবনযাপন করছে। তাদের সহায়তায় কাজ করছে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সদর উপজেলার আলাতুলি, চরবাগডাঙ্গা, দেবীনগর, নারায়নপুর, তড়পার ঘাট, হড়মা এলাকা, হাকিমপুরসহ বিভিন্ন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবার খবর পাওয়া গেছে। তবে সদর উপজেলায় কত হাজার পরিবার পানিবন্দী এ মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না। কারণ দূর্গম এলাকাগুলোতে নৌকা ছাড়া যাওয়া সম্ভব নয়। তবে সদরের ৪/৫ ইউনিয়নে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার পরিবার ও গবাদিপশু পানিবন্দী অবস্থায় আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে গত কয়েকদিন থেকে বন্যা দূর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে। বুধবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ ও শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল রাব্বী, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, পাঁকা ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তার আগে ফেরদৌসী ইসলাম জেসী এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

শিবগঞ্জে পানি বন্দি ৪০০ পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, সাবান, চিনি, সেমাই চিড়াসহ প্রায় ১৩ কেজির একটি শুকনা খাবারের প্যাকেট ও ৬ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।

মঙ্গলবার ও সোমবার সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বী , উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস বন্য কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং দুই দিনে ৪০০ পরিবারকে একই পরিমান শুকনা খাবার প্রদান করেন।

বন্যার পানিতে তলিযে যাওযার মধ্যে পাকা ইউনিয়নের ৯টি দুর্লভপুর ইউনিয়নের ২টি, উজিরপুর ইউনিয়নের ২টি, ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের ২টি, মনাকষা ইউনিয়নের ১টি ও ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের ১টি মোট ১৭টি ওয়ার্ড।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বী বলেন, বন্যা কবলিত এলাকার প্রতিটি পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরন অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীর প্রকৌশলী ময়েজ উদ্দিন জানান পদ্মা নদীতে পানি বিপদ সীমার ৩২ সেন্টিমিটার নীচে রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে ভারতে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। দুই একদিনের মধ্যে পদ্মা নদীতে পানি কমতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
amazing-link-zeus.ca