শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য সেবা আগের তুলনায় এগিয়ে

Rubel Rubel

Islam

প্রকাশিত: ৯:২৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২, ২০২০

আল মামুন,ঝিকরগাছা,প্রতিনিধি:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ’মুজিববর্ষ’ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য খাতকে এগিয়ে নেয়ার অঙ্গিকারে যশোরের শার্শায় নাভারণ-বুরুজবাগান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্বাস্থ্য সেবায় হয়ে উঠেছে প্রাণবন্ত। ফিরে পেয়েছে তার স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত মান। স্বাস্থ্য সেবার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলেও অতীতের স্বাস্থ্য সেবার তুলনায় বর্তমান স্বাস্থ্য সেবার মান ও পরিবেশ অনেক ভাল। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছাড়াও স্বাস্থ্য সেবার জন্য বর্তমানে এখানে ৫ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন হোমিও মেডিকেল অফিসার, ৬জন সহকারি সার্জন, ১ জন সহকারি ডেন্টাল সার্জন, ৪ জন কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার , ২৩ জন সিনিয়ার ষ্টাফনার্স ও ৪ জন মিডওয়াইফ আছে যা স্বাস্থ্য সেবার জন্য এখানে যথেষ্ট নয়। রুগীসেবার মান বাড়ানোর জন্য ইতিমধ্যে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু করা হয়েছে। কুষ্ঠ রুগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জিন এক্সপার্ট মেশিন বসিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এক্স-রে বিভাগে পুরাতন মেশিন থাকা সত্বেও নতুন উন্নত এক্স-রে মেশিন সংযোজন করে চিকিৎসা সেবার কাজ বিরামহীন চলছে। রুগীদের জটিল রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আল্ট্রাসনো মেশিন আনা হয়েছে যা রুগী সেবার জন্য প্রক্রীয়াধীন। সরকারীভাবে বরাদ্দকৃত ওষুধের পরিমাণ অনুযায়ি রুগীদের মাঝে সরবরাহ করা হয়। তবে সার্বক্ষনিক চিকিৎকের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। বর্তমানে বৈশি^ক মহামারিতেও চিকিৎসা সেবার কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি এখানে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রুগীদের জন্য প্রয়োজনমত আইসোলেশন ও করেন্টাইন বিভাগের ব্যবস্থা ছিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনে। চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন, রুগী ওয়ার্ড, অফিস ভবন ইত্যাদি নতুন করে সংস্কারের কাজ পুরাদমে এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে এখানে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবন থাকলেও সরকারিভাবে আরও নজরদারি বাড়ানো হলে এলাকার জনগণ স্বাস্থ্য সেবায় আরও একধাপ এগিয়ে থাকত বলে মনে করেন এলাকাবাসি।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, শার্শার নাভারণ-বুরুজবাগান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে পরিমাণ জনবল প্রয়োজন তা না থাকায় রুগীদের মাঝে কাঙ্খিত সেবা দিতে পারছিনা। জনবল বাড়ানোর সাথে ওষুধের সরবরাহ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকলে রুগীর সেবার মান আরও বাড়ানো যাবে।