• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত

ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ন কবিরের হাতে ঘুষের টাকা সহ ধরা ট্রাফিক পুলিশ

Reporter Name / ৩৪৩ Time View
Update : রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২

ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ন কবিরের হাতে ঘুষের টাকা সহ ধরা ট্রাফিক পুলিশ

 

ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক সকাল সাড়ে ১০টা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউজ মোড়ে টিএসআই উজ্জ্বলের নেতৃত্বে ট্রাফিক কনস্টেবল আবু হানিফ তল্লাসি চৌকি বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই করছিলেন। এমন সময় ওইপথ দিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হুমায়ুন কবীর। হঠাৎ তিনি দেখতে পান ট্রাফিক কনস্টেবল আবু হানিফ একটি ট্রলি আটক করে চালককে ধমকাচ্ছেন। ট্রলি চালকের সাথে ট্রাফিক কনস্টেবলের এমন অস্বাভাবিক আচরণ দেখে ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীর দাঁড়িয়ে যান এবং ঘটনাটি অবলোকন করতে থাকেন।

এক পর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকা স্থানীয় এক দালালের ইশারায় ট্রলি চালককে পাশের নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ওই ট্রাফিক কনস্টেবল ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা দিলে ছেড়ে দিবে, না হলে মামলা দিবে বলে জানায়। এ সময় ট্রলি চালক অনেক অনুনয় বিণয় করলেও ট্রাফিক কনস্টেবল ট্রলি চালকের অনুরোধ মানতে নারাজ। এক পর্যায়ে ট্রলি চালক তার পকেটে থাকা ৪৫০ টাকা বের করে সেখান থেকে ৫০ টাকা রেখে ৪০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হন। ঘুষের টাকা নিয়ে ট্রাফিক কনস্টেবল ট্রলি চালককে ছেড়ে দেয়। ঠিক ওই সময় ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘুষের টাকা ট্রাফিক কনস্টেবলকে ফেরত দিতে বলেন। ট্রাফিক কনস্টেবল টাকা ফেরত দিতে প্রথমে অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়। ঘটনার পর ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীর ওই ট্রাফিক কনস্টেবলকে আটকের নির্দেশ দিয়ে আদালতে চলে যান। এ ঘটনায় টিএসআই উজ্জ্বলকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে ও ট্রাফিক কনস্টেবল আবু হানিফকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা পুলিশ। শনিবারের এ ঘটনাটি ছিলো টক অব দ্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। জেলা পুলিশ ও জেলার ট্রাফিক বিভাগেও দিনভর তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক কনস্টেবল আবু হানিফ এবং টিএসআই উজ্জল আদালতে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করবেনা মর্মে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বরাবর লিখিত মুচলেকা দেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীর মুচলেকা গ্রহণ করে জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে আদেশ দেন।

পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আদালতের আদেশ পেয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) রকিব আহমেদ ট্রাফিক কনস্টেবল আবু হানিফকে সাময়িক বরখাস্ত করেন এবং টিএসআই উজ্জলকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শতাধিক সাধারণ মানুষ জানান, টিএসআই উজ্বলের নিত্যদিনের কর্মকান্ড ছিলো বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও ঘুষ নেয়া। তবে ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীরের এমন স্বপ্রণোদিত কঠোর হস্তক্ষেপে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে তারা। এমনকি টিএসআই উজ্জ্বলকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ ও কনস্টেবল আবু হানিফকে বরখাস্তের খবরে আনন্দ উল্লাস করেছে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কাগজপত্র তল্লাশির নামে সাধারণ মানুষকে যেন হয়রানি না করা হয় এমনটাই দাবি করেছেন উপস্থিত জনসাধারণ।

ট্রলি চালক রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার আমীর হামজা বলেন, ভাড়া নিয়ে তাদের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশকে ঘুষ দিতে গিয়ে তাদের লাভের ষোলআনাই শেষ হয়ে যায়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবীরের স্বপ্রণোদিত এমন হস্তক্ষেপে আমীর হামজা স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, দেশে এখনো অনেক ভালো মানুষ আছেন। যারা অন্যায়-অবিচার দেখলেই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca