• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নির্বাচিত হলে সার খোলা বাজারে বিক্রির ব্যবস্থা করব: মির্জা ফয়সল আমিন বগুড়ায় পুলিশের উপর হামলা।। আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা, এস আই আহত ঠাকুরগাঁওয়ে কখনও আসেননি, সেই আসনেই প্রার্থী আলীম নিজামী নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

ঝিনাইদহে মহেশপুরে এক বিল নিয়ে মামলায় নিস্ব ৫ পরিবার

Reporter Name / ৮৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল, ২০২২

ঝিনাইদহ মহেশপুর সংবাদ দাতাঃ-

ঝিনাইদহের মহেশপুরে এক বিল নিয়ে মামলায় পথে বসেছে পাঁচ পরিবার। জমিসহ বাড়ির গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী বিক্রী করে মামলার খরচ যোগাচ্ছে তার। সব হারিয়ে কেউ রাস্তার হকার ও ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করছেন। প্রতিপক্ষ বিলটি দখলে নিতে এ পর্যন্ত ৭/৮ মামলা দায়ের করেছেন। ২০১০ ইং সাল থেকে এসব মামলা চলে আসছে।
সর্বশেষ চলতি বছরের ১৬ মার্চ ঝিনাইদহের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত (মহেশপুর) বিবাদীদের বিরুদ্ধে জমিতে না যাওয়ার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার রায় ও ডিক্রী প্রদান করেন। তারপরও চাষ আবাদে বাধা সৃষ্টি করছে ঐ বিবাদীরা। বিবাদীদের সহযোগীতা করছে স্থানীয় কিছু দাদাল চক্র এমন অভিযোগ বাদী পক্ষের।
সর্বশেষ ঝিনাইদহ আদালতের দেওয়া রায় ও ডিক্রী সূত্রে জানা গেছে, জেলার মহেশপুর উপজেলার ২নং ফতেপুর ইউনিয়নের ১০৭ নং যোগীহুদা মৌজার এসএ রেকর্ডীয় মালিক এ্যাড. আবু সালেহ গজনবী ওয়ারেশদের কাছ থেকে ২১/০৯/২০১০ সালে মহেশপুর সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে ৮৫০৪ নং কবলা দলিলের মাধ্যমে ৭.৮৭ একর জমি ক্রয় করেন মোঃ আবদুল জলিল, সিরাজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, আবদুস ছালাম ও ইরিনা খাতুন নামের পাঁচজন। যার এসএ খতিয়ান নং ১১৩/১, দাগ নং ৭২৩। যার হাল দাগ নম্বর ২১১৬ ও খতিয়ান ৪২৪।
জমিটি ক্রয়ের এক বছর পর জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ওই জমির মালিক দাবী করে আনছার আলী গং বাদি হয়ে ৪/০৭/২০১১ তারিখে মহেশপুর থানায় জেআর ৯৫/১১ একটি ফৌজদারি মামলা করেন। এই মামলায় জমিটির ক্রয়সূত্রে মালিকদের বিবাদী করা হয়। ঐ মামলায় অভিযোগের প্রকৃত তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। মামলার বাদী আনছার আলী গং ছলেনামার মাধ্যমে জমিটির মালিক বলে দাবী করে আসছেন।
তবে, ২৩০/২০১০ মামলার বিবাদী আনছার গং জাল জালিয়াতির মাধ্যমে জমিটির মালিক দাবী করছেন এবং তাদের উত্থাপিত ছলেনামাটি অসৎ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি বলে আদালত উল্লেখ করে। এ ছাড়া ঝিনাইদহের বিজ্ঞ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল আদালত ৪২৩/১৫ মামলায়ও তাদের স্বপক্ষে উত্থাপিত কাগজপত্র পরস্পর সাংঘর্ষিক ও জাল জালিয়াতি বলে উল্লেখ করেন।
মামলায় পরিাজিত হয়ে আনছার গং একের পর এক মামলা দিয়ে প্রকৃত ক্রয়সূত্রে মালিক মোঃ আবদুল জলিল, সিরাজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, আবদুস ছালাম ও ইরিনা খাতুনকে গত ১২ বছর ধরে হয়রানি করে আসছে। মামলার খরচ যাগাতে গিয়ে পরিবারগুলো সর্বশান্ত হয়ে গেছে। মামলার খরচ যোগাতে জমি, বাড়ির হাঁস মুরগী, গরু ছাগলসহ সব কিছু বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন শুধু ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নেই। জমি ক্রয় করে ঐ পাঁচ পরিবার প্রত্যেকেই ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ঋণী।

জামির মালিক আবদুল জলিল জানান, জমিটি আমিসহ আমার আরো আপন দুই ভাই, একজন চাচাতো ভাই ও এক ভাবি এ্যাড. আবু সালেহ গজনবীর ওয়ারেশদের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের এক বছর পর থেকে আমার প্রতিপক্ষ আনছার গং ঐ জমির মালিক দাবী করে আদালতে ৭/৮টি মামলা করেন। ঐ মামলার খরচ চালাতে গিয়ে আমরা পাঁচ পরিবার সর্বশান্ত হয়ে গেছি। জমাজমি, গরু ছাগলসহ সম্পদ যা ছিল সবই বিক্রি করেছি। একটি সময় বাড়ির কাজের জন্য আনা ইট ও বালিও বিক্রি করে দিয়ে মামলার খরচ চালায়। সব হারিয়ে এক ভাই ইটভাটায় এবং এক ভাই রাজমিস্ত্রি যোগালের কাজ করছেন। চাচাতো ভাই আবদুস ছালাম কুমিল্লায় গিয়ে হকারি করছেন। এখন আদালত সব মামলাও রায় ও ডিক্রী আমাদের পক্ষে দিয়েছে। জমি আমাদের দখলে রয়েছে কিন্তু চাষ করতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা এখন নিরাপত্তহীনতায় দিন পার করছি।
মামলার বিবাদী আনছার আলী সর্বশেষ রায়ের কথা উল্লেখ করে জানান, আমরা ইতোমধ্যে আপিল করেছি। ফলে পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত জমি কেউ ভোগদখল করতে পারবে না। তবে আপিলের পক্ষে তারা কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
মহেশপুর থানার ওসি আব্দুস সেলিম রেজা বলেন, আমি সদ্য এ থানায় যোগদান করেছি। জমির বাদী-বিবাদী থানায় এসেছিল। দু’পক্ষই জমিটি তাদের বলে দাবি করছে। দাবির স্বপক্ষে উভয় পক্ষই আদালতের কাগজপত্রও দেখাচ্ছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে উভয় পক্ষকে আগামী ১৫ এপ্রিল বিজ্ঞ আইনজীবিসহ থানায় এসে কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়েছে। যাদের কাগজপত্র সঠিক থাকবে পুলিশ তাকে আইনি সহযোগীতা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca