• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন ! স্বাধীনতার ৫০বছরে স্বীকৃতি মেলেনি শিক্ষক নাইমুল হকের

Reporter Name / ৩৪১ Time View
Update : শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

অলিউল হক ডলার,নাচোলঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন মহান শিক্ষক নাইমুল হক মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাৎ বরণ করলেও আজও স্বীকৃতি মেলে তাঁর। পরিবারের সদস্যরা স্বীকৃতির আশায় দারে দারে হন্যা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর সন্তানের আকুতি আমার মৃত্যুর আগে যদি আমার বাবার স্বীকৃতি মেলতো তাহলে আমি মরে শান্তি পেতাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ০৭ওয়ার্ডের নামোরাজরামপুর গ্রামের শাহাদাৎ বরণকারী শিক্ষক নাইমুল হকের সন্তান ইলিয়াস উদ্দিন তার বাবা কিভাবে শাহাদাৎ বরন করেন তা বর্ননা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ইলিয়াস উদ্দিন জানান, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯সালের গনঅভ্যূথান এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার মহান মক্তিযুদ্ধের সপক্ষের লড়াকু সৈনিক নাইমুল হক মাস্টার গ্রাম অঞ্চল ভিত্তিক যে কোন মিছিল মিটিং-এ যার কন্ঠ থাকতো সরব। তিনি ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গড়া একজন মহান মানুষ।
দিনটি ছিল ১৩মে, ১৯৭১। সকাল আনুমানিক ১০টায় সময় অকুতোভয়, নির্ভিক, মহান শিক্ষক চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রথম শাহাদাৎ বরণকারী নাইমুল হক মাস্টারকে তদানিন্তন পিস কমিটির ৪জন সদস্য বাড়ী থকে ধরে নিয়ে যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ বড় ইন্দারা মোড় তৎকালীন আলবদর অফিসে। পরে সেখান থেকে সে সময়ের জামায়াতে-ই- ইসলামের ২জন সংসদ সদস্যের (ওই শিক্ষকের ছাত্র) বাড়ী নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস তাকে না চেনার ভান করে পাকবাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে বলে জানাই। বিকাল ৪টার দিকে আলবদর বাহিনীর স্থানীয় প্রধান কমান্ডার বাংলার কুখ্যাত নিমকহারাম মোজাহার থানায় দিয়ে আসে। ওই শিক্ষকের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন চেষ্ঠা তদবির করে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে।
১৪মে থেকে ১৮মে ১৯৭১ইং তারিখ পর্যন্ত জেলা পরিষদ ডাক বাংলোর কোর্ট মার্শাল নামে নির্যাতন চেম্বারে পাক বাহিনীর মেজর ইউনুসের রুমে নিয়ে যাওয়া হতো আমার বাবাকে। সেখান থেকে ৪-৫টার মধ্যে পুনরায় তাকে থানা হাজতে ফেরত পাঠানো হতো। এভাবে চলতে থাকে আমার পিতার ওপর অমানুষিক নির্যাতন। অবশেষে ১৯ মে/১৯৭১সাল বিকাল ৩টার দিকে আর্মির ভ্যান গাড়িতে জোরপূর্বক টেনে হেঁচড়ে উঠিয়ে অজানার উদ্যোশে নিয়ে যায়। তাকে কখন, কোথায়, কিভাবে মারা হয় তার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
কিছুদিন পরে জানা যায় ১৯মে রাত্রে বিডিআর ক্যাম্পের খালঘাট পাড়ে গুলি করে জীবন্ত অবস্থাতেই মাটি চাপা দেই পাষন্ড বানীহির নরপশুরা। পরবর্তীতে জানা যায় আমার পিতাকে পাকবাহির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যেও নায়ক ছিলেন রাজারামপুরের কুখ্যাত রাজাকার বাহিনীর সর্দার পিস কমিটির সদস্য পাতু মিয়া(জীবিত)।
কি ছিল তার অপরাধ? যিনি পেশায় ছিলেন মানুষ গড়ার একজন মহান কারিগর। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত একজন মনেপ্রানে বাঙলী। এই কি তাঁর অপরাধ?
সারা বাংলাদেশে যাঁর হাজার হাজার ছাত্র আজও সমাজের বিভিন্ন স্তরের উচ্চাসনে অধিষ্ঠিত। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৯বছরেও মানুষ গড়ার সেই হতভাগ্য কারিগরটির শাহাদাৎ বরনের বিষয়ে ৭কোটি থেকে আজ ১৮কোটি মানুষের মধ্যে হতে একজনও কি নেই ? একটিও ছাত্র নেই? এমনকি বর্তমান সরকারের স্বাধীনতার ধারক বাহকদের মধ্যে হতে এমনও একজন নেই যিনি বা যারা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাৎ বরণকারী জ্ঞানী, গুনী, বুদ্ধিজীবি, শিক্ষক যাঁরা তাঁদের প্রানের বিনিময়ে এদেশকে করে গেল স্বাধীন তাদের ব্যাপারে কিছুই করার নেই। তাদের হতভাগ্য পরিবার পরিজন কি নীরবে নিভৃতে ডুকরে ডুকরে শুধুই কেঁদে যাবে চিরদিন? বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা যিনি নিজেও আজ সর্বহারা,স্বজন হারা তাঁর কাছে রইল এ জিজ্ঞাসা? এই আকুতি!
সুদীর্ঘ ৪৯ বছরের আজ আমাদের চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। কিন্তু প্রতিটি বছর ঘুরে যখনই আসে ২৫মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস, ১৪ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস, ১৬ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস জেলা শহীদ স্মৃতি ফলকের দিকে চেয়ে বুকের ভেতর থেকে চড়চড়িয়ে বেরিয়ে আসে বুকভাটা দীর্ঘশ্বাস! অনেক নামের মাঝে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়না আমার হতভাগ্য শহীদ বাবার নামটি। তখনই প্রশ্ন জাগে? কেন? কেন? এই একটু সহনুভুতি, একটি স্বীকৃতি, একটু সম্মান, শহীদ পরিবার হিসাবে স্মৃতি ফলকের তালিকায় একটু জায়গায় একটি নাম অর্ন্তুভুক্তকরা যায়না? চাওয়াটা কি খুব বেশি হয়ে গেল কি? অবশ্যই বিষয়টি জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রানালয় ও সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বে সাথে বিবেচনা করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca