• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার উপহার গ্রহণের ছবি ভাইরাল

Reporter Name / ৩২৬ Time View
Update : রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪

হেরোইন ইয়াবার একাধিক মামলার আসামী চাঁপাইনবাবগঞ্জের অন্যতম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ দুই সদস্যের উপহার গ্রহণের ভাইরাল হয়েছে৷ এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বইছে তীব্র সমালোচনা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া দুটি ছবিতে দেখা যায়, ৪-৫টি মাদক মামলার আসামী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকার অন্যতম শীর্ষ হেরোইন কারবারি মিজানুর রহমান ওরফে মিজানের থেকে উপহার গ্রহণ করছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুর রহমান ও সিপাই মো. আরিফুল ইসলাম। লাল প্যাকেটে মোড়ানো উপহার নেয়ার ছবি তোলা হয়েছে মাদক ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মিজানের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান জেলা শহরের বিশ্বরোড এলাকায় এমজে ট্রেডার্সের একটি এসএস পাইপ ও স্টিলের ওয়ার্কসপে।

এদিকে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুর রহমানের সাথে তোলা ছবিতে পাশের চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায় এক পুলিশ সদস্যকে। তবে সেই পুলিশ সদস্যের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ছবি তোলার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই আসাদুর রহমান ও সিপাই আরিফুল ইসলামের সাথে মাদক ব্যবসায়ী মিজানের ছবি তোলার সময় উভয়কেই ক্যামেরার দিকে তাকাতে দেখা যায়।

সমাজসেবক ফয়সাল আহমেদ জানান, ফেসবুকে ছবিটি আমিও দেখেছি। খুব অবাক হয়েছি। কিভাবে সম্ভব হতে পারে এমনটা? একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর হাত থেকে কিভাবে উপহার নিতে পারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। শুধু উপহার গ্রহণই নয়, পাশাপাশি ছবিও তুলেছেন স্বেচ্ছায়। কেউ কখনো বিকারগ্রস্ত না হলে এমনটা করতে পারে না। সেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই সদস্যকে দ্রুত প্রত্যাহার করা উচিত।

কলেজ শিক্ষক আব্দুল মতিন বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক নির্মূলের জন্য সরকারের বিশেষ একটি সংস্থা। অথচ তারাই যদি এমন গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়, তাহলে দেশের অবস্থা আরও খারাপ হবে। কারন এই ছবি দেখেই স্পষ্ট বোঝা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করছে মাদক ব্যবসায়ীরা।

এনিয়ে কথা বলতে একাধিকবার মাদক মামলার আসামী মিজানুর রহমান মিজানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একাধিকবার দুটি ফোন নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেননি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাই আরিফুল ইসলাম।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (এসআই) মো. আসাদুর রহমান বলেন, মিজানুর রহমান মিজানের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান এমজে ট্রেডার্সের একটি এসএস পাইপ ও স্টিলের ওয়ার্কসপ থেকে বাড়ির কিছু জিনিসপত্র কিনেছিলাম। এর সুবাদেই সেই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নাম সংবলিত একটি মগ উপহার দেয় আমাকে৷ তবে মিজানের নামে মাদক মামলা রয়েছে বা ছিল সেটি আমার জানা নেই।

কথা বলতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেননি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আনিছুর রহমান খাঁন। এমনকি অফিসে গিয়েও পাওয়া যায়নি তাকে।

এবিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন তালুকদার বলেন, এর আগে যখন জেলায় আমি কর্মরত ছিলাম, তখন মিজানের নামে আমি নিজেই হেরোইন ও ইয়াবার দুটি মামলা করেছিলাম। নৈতিকভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এমন উপহার গ্রহণ করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানি না। বিষয়টি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত। তার সাথে কথা না বলে মন্তব্য করা উচিত হবে না।

অনুসন্ধান জানা যায়, গত ১০ বছর ধরে হেরোইন চোরাচালানের সাথে জড়িত রয়েছে মিজান। তবে শুরুর দিকের কয়েক বছর দেশের এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর বহনকারী হিসেবে কাজ করেছে সে। পরবর্তীতে নিজেই সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার শুরু করে। বর্তমানে তার ৭-৮ জন বহনকারীসহ শক্তিশালী একটি চক্র একাজে নিয়োজিত রয়েছে। গত ২ বছর আগেও ২০২২ সালের নভেম্বরে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ১০০ হেরোইনসহ মিজানকে আটক করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবি পুলিশ। এই মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। জামিনে মুক্ত থাকলেও যেকোন সময় হতে পারে মামলার রায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca