• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার’ হতে বরাদ্দকৃত ১০০টি শাড়ী বিতরণ করা হয়েছে। নাচোলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো আলভি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের নাচোল উপজেলার সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজা/২০২৬ উপলক্ষে শুভেচ্ছা  জানিয়েছেন নাচোল পৌর  বিএনপির উপদেষ্টা ও বিএনপি দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম। মহাপরিচালক বরাবর পলাশবাড়ী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার দূর্ণীতির অভিযোগকারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ নাচোলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান তরুণ উদ্দোক্তা এবং ছাত্রনেতা থেকে উঠে আসা মো: আসগার হাসান রোমিও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অটোচালক আটক নাচোলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ পালিত নাচোল সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের ১ম বর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কোটালীপাড়ায় খাল বন্ধ করে মাছ চাষ, প্রশাসন নিরব

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নিম্নাঞ্চল ও জলাভূমি বেষ্টিত গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার প্রায় শতাধিক খালে এক সময় ভরপুর থাকতো বিভিন্ন প্রকার দেশীয় মাছ। দিন দিন এসকল খাল-বিলগুলো দখল করে মাছ চাষ করা হচ্ছে। যার কারনে দেশীয় এই মাছগুলো এখন বিলুপ্তির পথে। প্রশাসনের নিরবতার কারনে কিছু কিছু বিএনপি ও আওয়ামী নেতা এবং স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খাল দখলের উৎসবে মেতে উঠেছেন।
জানাগেছে, উপজেলার অর্ধশত ছোট-বড় বিলের প্রায় শতাধিক সরকারি খালের উপর বাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে খাল দখল করে মাছের ঘের বানিয়েছে প্রভাবশালী মহল। অন্যদিকে ব্রিজ নির্মাণ ও খাল খনন কাজের জন্য প্রায় ৩০ টি খাল বছরের পর বছর বাঁধ দিয়ে রাখায় খাল জুড়ে জমাট বেঁধে আছে কচুরীপানা। কচুরিপানা জমে থাকায় পানি বন্ধ হয়ে স্বাভাবিক গতি হারিয়েছে খালগুলো।
সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে শুধুমাত্র উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের কলমুনিয়া খাল, তিতাল বাড়ি খাল, পেত্নীখালী খাল, বাসাখালী খাল, কুমলাবতী খাল, গোদার খাল, পুকুরিয়া খাল, পাথরিয়া খাল, চৌদ্দবুনিয়া খাল, রামমানির খাল, কুইচা মোড়া খাল, চাইর খাল, সিমানার খাল, কাটা খাল, দেওপুরা খালসহ প্রায় ৩০ টি খাল বছরের পর বছর দখল করে রেখেছে বেশকিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। মৎস্য প্রজেক্টের নামে প্রতিটি প্রজেক্টে এদের এক একজনের রয়েছে ৫০ থেকে ১০০ টি শেয়ার। সাধারণ মানুষের রয়েছে নামমাত্র শেয়ার। এই খাল দখলে বিএনপি নেতা, আওয়ামী লীগ নেতা, ইউপি মেম্বারসহ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।
কোটালীপাড়া উপজেলার রামনগরের বিল, রথিয়ারপাড় বিল, মাছপাড়ার বিল, কুমুরিয়া বিল, বৈকণ্ঠপুর বিল, লখন্ডার বিল, মুশুরিয়ার বিল, পীড়ারবাড়ি বিল, পলোটানা বিল, ধোরাল বিল, চিথলিয়ার বিল, পশ্চিম দিঘলিয়ার বিল, পূর্বপাড়া বিল, চিত্রাপাড়া-শুয়াগ্রাম বিল, সাতুরিয়ার বিল, কান্দি বিল, আশুতিয়ার বিল, পোলশাইল বিল, বর্ষাপাড়া বিল, ছত্রকান্দা বিল, দেওপুরা বিল, সোনাখালি বিল, ফুলবাড়ি বিল, কোনের বাড়ি বিল, বহলতলী বিল, চাটখালির বিল, তারাইল বিল, গোপালপুর বিল, চরগোপালপুর বিল, গৌতমেরা বিল, মাচারতারা বিল, গজালিয়া বিল, তালপুকুরিয়া বিল, হিজলবাড়ি বিল, তারাকান্দর বিল, কুঞ্জবন বিল, পারকোনা বিলসহ প্রায় অর্ধশত ছোট বড় বিল রয়েছে। এ সকল বিলের প্রায় শতাধিক খাল দখল করে নিয়ে মাছ চাষ করছে প্রভাবশালী মহল।
খালগুলো আবদ্ধ থাকায় পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়ানোতে গোসল ও রান্নার কাজে খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে দূর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার হাজার হাজার পরিবার এবং খালগুলো হয়ে পড়ছে মাছ শুন্য। বিলুপ্ত হয়ে পড়ছে দেশীয় মাছ।
খালগুলো আটকিয়ে মাছের ঘের করায় ক্ষুদ্র মৎস্যজীবীরা খাল-বিল থেকে মাছ ধরতে পারছে না। যে কারনে চরম অভাব অনাটনে কাটছে দরিদ্র মৎস্যজীবীদের সংসার।
অন্যদিকে গোপালগঞ্জ-কোটালীপাড়া খালটি খননের জন্য ঘাঘর নদীর মোহনায়, কুশলা ব্রিজের নিচে, ধোরালসহ আরো কয়েক জায়গায় জায়গায় প্রায় ১ বছর ধরে বাঁধ দেওয়া হয়। বছর পার হলেও সামান্য কিছু জায়গা খনন করে বন্ধ রয়েছে খনন কাজ। বর্তমানে বাঁধ দেওয়ার কারনে কচুরীপানায় আটকে বন্ধ হয়ে গেছে পানির প্রবাহ। পুরো খালের পানি পচে যাওয়ায় এই পানি ব্যবহার করতে না পারায় ও মালামাল নিলে খাল দিয়ে চলাচল বন্ধ হওয়ায় সীমাহীন দূর্ভোগে খালপাড় এলাকার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও কৃষকেরা।
কোটালীপাড়া-পয়সারহাট খালের গচাপাড়া এলাকায় ব্রিজ নির্মানের জন্য এবং ওয়াবদারহাট এলাকায় সুইচ গেট নির্মাণের জন্য দুই স্থানে বাঁধ দিয়ে খাল আটকে রাখায় এই খালেরও একই অবস্থা দেখা দিয়েছে। একই অবস্থা গোপালপুর-পিঞ্জুরী খালের। এই খালের পূর্ণবতী ব্রিজ নির্মাণের জন্য ৩ বছর ধরে বাঁধ দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে খালটি।
এছাড়া কালিগঞ্জ, লখন্ডা, টিহাটি, মান্দ্রা, কুশলাসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০ টি খাল ব্রিজ নির্মানের জন্য বছরের পর বছর বাঁধ দিয়ে আটকে রাখায় চরম সমস্যায় হাজার হাজার জনসাধারণ।
মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা মৎস্যজীবী ও সাধারণ জনগণ দ্রুত সময়ের মধ্যে দখলকৃত খাল উদ্ধারের দাবি জানিয়ে গত ১৩ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামানের কাছে গণশুনানিতে অভিযোগ জানিয়েছে কয়েকজন ভূক্তভোগী। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে গত ১৮ আগস্ট খাল উদ্ধারে ব্যবস্থা নিতে কোটালীপাড়ার ইউএনও কে লিখিতভাবে জানানো হলেও কার্যকরী কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণশুনানীতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মাহফুজ শেখ।
মাহফুজ শেখ বলেন, এসব খাল দখলে রাখার জন্য প্রভাবশালী একটি চক্র কাজ করে। টাকা, প্রভাব যেখানে যা লাগে এই চক্র তাই ব্যবহার করে বছরের পর বছর খালগুলো নিজেদের কব্জায় রেখেছেন। দ্রুত সরকারের উচিত সকল খাল গুলো দখলমুক্ত করে সকলের জন্য উন্মূক্ত করা।
উপজেলার দেওপুরা গ্রামের মৎস্যজীবী মনোজিত বলেন, সারাবছর খাল-বিল থেকে মাছ ধরে আমাদের সংসার চলতো। কয়েক বছর ধরে এলাকার সকল খালগুলো দখল করে মাছের ঘের করায় এখন আমরা আর এসব খাল বিল থেকে মাছ ধরতে পারছি না। যার ফলে আমরা এখন বেকার হয়ে পড়েছি।
বহলতলী গ্রামের কলেজ ছাত্র মাসুম শেখ বলেন, এসব খাল উদ্ধারে উপজেলা প্রশাসন থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। মাঝে মাঝে খাল উদ্ধারের নামে চলে লোক দেখানো অভিযান। খাল দখলের কারণে একদিকে নৌ চলাচল ও খালগুলোর আশপাশের এলাকার কৃষকগণের কৃষি কাজ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিলের পরিবেশ। ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ ও জীব বৈচিত্র্য।
অন্যদিকে দখলকৃত খাল থেকে পূর্বে যে সকল মৎস্যজীবীরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা এখন প্রভাবশালীদের বাঁধার মুখে খালগুলো থেকে মাছ ধরতে পারছেনা। যার ফলে এসব মৎস্যজীবীরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন ।
কোটালীপাড়া কল্যাণ সংঘের সভাপতি সোহেল শেখ বলেন,খাল দখল করে মাছ চাষ করায় দেশীয় মাছ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং নৌ চলাচল বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন বিলের নকশা দেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব খাল উদ্ধারের দাবি জানাচ্ছি।
দখলকারীদের কাছে খাল দখলের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তারা কোন প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
খালদখল ও উদ্ধার অভিযান নিয়ে কোটালীপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস অফিসার এস এম শাহজাহান সিরাজ বলেন, কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন খালে বাধঁ দিয়ে মাছচাষ করার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের নজরে এসেছে। এসকল অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছচাষ করার কারনে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বিস্তারের পথে বাধাঁ হয়ে দাড়িয়েছে। দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন নিশ্চিত করতে এখন থেকে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্যষ অফিস ও অন্যানের সংশ্লিস্ট দপ্তরকে সাথে নিয়ে নিয়মিত অবৈধ বাধঁ উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এ ব্যাপারে বাঁধের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে সহযোগীতা করার জন্য তিনি উপজেলার সচেতন জনগণকে আহবান জানান।
কোটালীপাড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার (অ:দা:) মো: মাসুম বিল্লাহ বলেন, কোটালীপাড়া উপজেলা একটি নিম্ন জলাভূমি এলাকা। এখানে অধিকাংশ জণসাধারণ কৃষি ও মৎস্য কাজে জড়িত। এই এলাকায় প্রচুর মাছের ঘের রয়েছে। যা মৎস্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। তবে পরিতাপের বিষয় অনেক অসাধু মৎস্য চাষি সরকারি খাল ও ব্রীজের নিচে বাঁধ দিয়ে অবৈধ দখল নিয়ে ঘেরের জায়গা বানিয়ে পানির স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করেন। এর ফলে কৃষির পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছ ও বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি। ইতোমধ্যে এই বিষয়ে অভিযান হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ রহমড আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে উপনির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা চিন্তা করছি না। কারণ, জাতীয় নির্বাচনের চেয়েও প্রায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ফলে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি না। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে এবং এর ফুটেজ সংরক্ষণ করা হবে, যাতে কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো সুবিধা নিতে না পারে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনি অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, অনিয়ম প্রতিরোধ ও অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটি’ কাজ করছে। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। ইতোমধ্যে পাওয়া তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বাকি দুটি তদন্তাধীন রয়েছে। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

amazing-link-zeus.ca