• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু ভালোবাসার বিয়ের আট মাস পার হতে না হতে স্বামী রহস্যজনক মৃত্যু স্ত্রী পলাতক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে: বিয়ের আশায় তরুণীর বাড়িতে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য অবৈধভাবে সার পাচারকালে হাতেনাতে আটক; ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন: বালু ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা ভাগ্য বদলাতে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল স্টার্টআপ সাইন্স প্রজেক্ট নাচোলের এশিয়ান স্কুল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন: জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নাচোলে স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার, মাদক, কিশোর অপরাধ ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময়সভা আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত মোঃ খাইরুল ইসলাম

যুদ্ধের অজুহাত, ভোজ্যতেলের দাম আরো বাড়ল খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজার । দুই সপ্তাহে মণপ্রতি সরাবিন ২৫০ টাকা, পাম ৮০০ টাকা বেড়েছে

Reporter Name / ৭৫ Time View
Update : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

ঋত্বিক নয়ন, চট্টগ্রাম :

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে পাইকারিতে আরো বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি মণ পাম তেলের দাম (৩৭ দশমিক ৩২ কেজি) বেড়েছে ৮০০ টাকা এবং সয়াবিনের দাম বেড়েছে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানান, ইরানে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে।

তবে ভোক্তারা বলছেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াটা স্বাভাবিক হলেও ভোজ্যতেলের দাম বাড়া সম্পূর্ণ অস্বাভাবিক। অথচ ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বৃদ্ধি করে যাচ্ছেন। আসল কথা হচ্ছে, ভোজ্যতেলের বাজারে প্রশাসনের নজরদারির অভাব রয়েছে। ফলে ব্যবসায়ীরা প্রায় সময় দাম ওঠানামা করান।
খাতুনগঞ্জের বাজারে গতকাল খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে প্রতি মণ পাম তেল বিক্রি হয়েছে ৫ হাজার ৬৫০ টাকায়। সেই তেল মণে ৮০০ টাকা বেড়ে গিয়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৪৫০ টাকায়। এছাড়া বর্তমানে সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ৭ হাজার ৩৫০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে এই তেল বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ১০০ টাকায়। খাতুনগঞ্জের কয়েকজন তেল ব্যবসায়ী জানান, খাতুনগঞ্জের বাজারে পণ্য বেচাকেনা ও লেনদেনে যুগ যুগ ধরে কিছু প্রথা চালু আছে। নিজেদের সুবিধার অনেক প্রথা আছে যেগুলো আবার আইনগতভাবেও স্বীকৃত নয়। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) স্লিপ। তেল কিংবা অন্য কোনো পণ্য কেনাবেচায় ডিও বেচাকেনার মাধ্যমে বিভিন্ন আগাম লেনদেন হচ্ছে। দেখা যায়, পণ্য হাতে না পেলেও ওই স্লিপটি বেচাকেনা হচ্ছে। কোনো কোম্পানি বাজার থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্যের ডিও কিনে নেয়। যে দরে ডিও কেনা হয়, তার বাজারদর যদি বেড়ে যায়, তখন পণ্যটি ডেলিভারি দিতে তারা গড়িমসি করে। আবার দেখা যায়, কোম্পানির পণ্য আসেনি, কিন্তু ডিও কিনে রেখেছেন অনেক বেশি। এর ফলেও কোম্পানি বাজারে পণ্য ডেলিভারি দিতে পারে না। ফলে এসব পণ্যের দামও নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এক্ষেত্রে তেল ও চিনির ডিও বেচাকেনা বেশি হয়।

খাতুনগঞ্জের কয়েকজন তেল ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভোজ্যতেলের বাজার এখনো গুটিকয়েক শিল্পগ্রুপের কাছে জিম্মি। তারা ইচ্ছেমতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন। এরা সিন্ডিকেট করে দাম ওঠানামা করেন। এখানে ছোট তেল ব্যবসায়ীদের কিছু করার থাকে না। এখন যেমন যুদ্ধের অজুহাতে দাম বৃদ্ধি করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category